২২ জুলাই ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

প্রশাসনিক স্থবিরতার মুখে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

  • বিভিন্ন পদ থেকে অনেকের পদত্যাগ

স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম অফিস ॥ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে পূর্ণ মেয়াদের ভিসি নিয়োগ প্রক্রিয়া থমকে থাকায় প্রশাসনিক স্থবিরতা নেমে আসতে শুরু করেছে। চার বছর মেয়াদ শেষে গত ১৪ জুন ভিসি ড. প্রফেসর ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরীর স্থলে প্রো-ভিসি ড. শিরীন আখতারকে ভিসির রুটিন দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তিনি পূর্ণ মেয়াদের ভিসি হওয়ার জন্য জোর লবিং চালিয়ে যাচ্ছেন। সঙ্গে রয়েছেন তার আরও কয়েকজন প্রতিদ্বন্দ্বী। এরা সবাই এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক।

এদিকে, ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরীর ভিসির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ ও কমিটি থেকে অনেকেই পদত্যাগ করে চলেছেন। গত সোমবার পর্যন্ত পদত্যাগ করেছেন প্রক্টর প্রফেসর আলী আজগর চৌধুরী, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ও সিনিয়র প্রফেসর ড. মোস্তাফিজুর রহমান, এস্টেট প্রশাসক ড. তৌহিদুর রহমান, ভবন নির্মাণ কমিটির সভাপতি এবং বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ন্ত্রিত মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ওয়ার্ল্ড ইউনির্ভাসিটি স্কুল (ডব্লিউইউএস) এর গবর্নিং কমিটির সভাপতি ড. মনির উদ্দিন। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে পদত্যাগের আরও কিছু ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে বলে সূত্র জানিয়েছে।

অপরদিকে, পূর্ণকালীন ভিসি নিয়োগ না হওয়ায় চলতি জুন মাসের বাজেট, সিন্ডিকেট ও সিনেট অধিবেশন অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জারি করা আদেশ অনুযায়ী প্রো-ভিসি ড. শিরীন আখতারকে শুধুমাত্র ভিসির রুটিন দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেয়া আছে। এরই মধ্যে প্রো-ভিসি সমর্থিত বিভিন্ন গ্রুপ বিশ্ববিদ্যালয়ে সক্রিয় হয়েছে। চবির ইতিহাসে সীমানা দেয়াল নির্মাণ কাজে বাধা সৃষ্টি করে সফল হতে যারা ব্যর্থ হয়েছেন তারা বর্তমান প্রো-ভিসির ছত্রছায়ায় গিয়ে আধিপত্য সৃষ্টির অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছেন বলে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ উঠেছে।

ক্যাম্পাসের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক কর্মকা- যেখানে ইউনিভার্সেল হওয়ার কথা সেখানে শিক্ষকদের মধ্য থেকে ভিসি, প্রো-ভিসিসহ বিভিন্ন পদে নিয়োগ প্রাপ্তিতে রাজনৈতিক সমর্থন ও লবিংকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের ফায়দা হাসিলে তৎপর হওয়ার বিষয়টি হাস্যকর হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।