১৭ জুলাই ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

চীন গেলেন টেনিস কোচ লাক্সমী ও নাঈমুল

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ বিদ্যা অর্জনের জন্য মানুষ সুদূর চীনে যায়। বাংলাদেশের টেনিস খেলোয়াড় সাফিনা শাহ্ লাক্সমী এবং নাঈমুল ইসলাম অমিয়ও চীনে গিয়েছেন গত সোমবার রাতে। তবে এক্ষেত্রে তারা একটু ব্যতিক্রম। তারা সেখানে টেনিসবিদ্যা শিখতে নন, শেখাতে গিয়েছেন! গুয়াংডংয়ে অবস্থিত একটি টেনিস একাডেমির কোচ হিসেবে আগামী ২০২২ সাল পর্যন্ত কাজ করবেন এই দু’জন। সেখানে তারা টেনিসে হাতেখড়ি হয়েছে এমন শিশু-কিশোরদের টেনিস শেখাবেন। লাক্সমী-নাঈমুলের টেনিস একাডেমির মালিক একজন বাংলাদেশী, রিজভী আবেদীন। তিনি বিকেএসপির ছাত্র ছিলেন। লাক্সমী-নাঈমুলও তাই। এভাবেই ‘বিকেএসপি কানেকশন’ চাকরি পাবার ক্ষেত্রে।

এ প্রসঙ্গে ক্যারিয়ারে মোট ২৭টি শিরোপা জেতা লাক্সমী বিমানে ওঠার আগে জনকণ্ঠকে জানান, ‘আমার পরিবারও চাচ্ছিল আমি দেশের বাইরে যাই।’ লাক্সমীর বয়স মাত্র ২০। নাঈমুলের ১৮। এত অল্প বয়সে কোচিংয়ে কেন? এতে করে খেলোয়াড়ী সত্তা ক্ষতিগ্রস্ত হবে না? জবাবে লেভেল-১ কোচিং কোর্স করা লাক্সমী বলেন, ‘দেশে সিনিয়র পর্যায়ে টুর্নামেন্ট হয় না। হলেও খুব কম বা অনিয়মিত হয়। প্রাইজমানিও কম। দেশে বসে অর্থ উপার্জন করাটা খুবই কঠিন। এসব নিয়ে অন্য খেলোয়াড়ের মতো আমরাও হতাশ। তাই সিদ্ধান্ত নিলাম দেশে না পারলে অন্তত বিদেশে গিয়ে হলেও কিছু একটা করে যে কোনভাবেই হোক টেনিস সত্তাটা বাঁচিয়ে রাখতে চাই। এ সময়ে ক্ষতি হবে একটিই, জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নিতে পারব না। তবে চীনে থাকার সময় কোচিংয়ের ফাঁকে ফাঁকে স্থানীয় এবং আমন্ত্রণমূলক আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট হলে বাংলাদেশ টেনিস ফেডারেশনের (বিটিএফ) অনুমতি নিয়ে খেলতে পারব। এমনিতে বিটিএফের প্রতি আমার রয়েছে অসীম কৃতজ্ঞতা।’ মজার ব্যাপার-২০১৭ সালের নবেম্বরে জনকণ্ঠের সঙ্গে একটি দীর্ঘ সাক্ষাতকারে এই লাক্সমীই বলেছিলেন ‘বিদেশে চলে যাব টেনিসের স্বার্থেই’। দু’বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই তাই ঘটে গেল তার জীবনে!

লাক্সমী আরও জানান, চীনে গিয়ে তিনি পড়াশুনাও করবেন। ওখানেই একটি ডিপ্লোমা কোর্স করার আশা তার।

মাদারীপুরের ছেলে এবং রজার ফেদেরারের অন্ধভক্ত নাঈমুল জনকণ্ঠকে জানায়, ‘প্রীতি আপু আমাদের আগে কোচ হিসেবে চীনে গেছেন। তার পরামর্শ-ভরসাতেই সেখানে যাচ্ছি।