১৭ জুলাই ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ছাত্রদলের দু’পক্ষের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ককটেল বিস্ফোরণ

 ছাত্রদলের দু’পক্ষের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ককটেল বিস্ফোরণ

অনলাইন রিপোর্টার ॥ বয়সসীমা তুলে দিয়ে নিয়মিত ছাত্রদের দিয়ে কমিটি গঠন এবং বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে নয়াপল্টনে বিএনপ ‘র কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ফের অবস্থান নিয়েছে ছাত্রদলের বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা। এ সময় ছাত্রদলের দুইপক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া এবং কার্যালয়ের আশপাশ এলাকায় পাঁচটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়েছে। বিস্ফোরণে বিক্ষুব্ধদের নেতা কেন্দ্রীয় সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আল আশরাফ মামুন আহত হয়েছেন। বিক্ষুব্ধরা এ হামলার জন্য সিন্ডিকেটকে দায়ি করছে।

সোমবার বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে সহস্রাধিক নেতাকর্মীর একটি মিছিল নিয়ে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আসেন। তারা কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন শ্লোগান দিতে থাকেন। এ সময় কার্যালয়ের কলাপসিবল গেট বন্ধ করে দেন।দুপুর সোয়া ১টার পরে একের পর এক ককটেল বিস্ফোরিত হয়। এ ছাড়া আরও একটি ককটেল অবিস্ফোরিত অবস্থায় দেখা গেছে। তবে কে বা কারা এই ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

এছাড়া ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার এক পর্যায়ে সেখানে একাধিক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।তাঁরা বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের বিদ্যুৎ–সংযোগ বন্ধ করে দিয়ে নয়াপল্টনে অবস্থান নেন।

অন্যদিকে কার্যালয়ের ভেতরে ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও মহানগর বিএনপির কয়েকশ নেতাকর্মী অবস্থান করছেন। কার্যালয়ের আশেপাশে ছাত্রদল এবং বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অবস্থান নেন।

আন্দোলনকারীরা কার্যালয়ের গেট আটকানোর সময় দুপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। ভেতরে অবস্থানরত ও বাইরের আন্দোলনকারী ছাত্রদল নেতাকর্মীদের মধ্যে টানাহেঁচড়ার ঘটনা ঘটে।

ছাত্রদল নেতাদের বাধার মুখে কার্যালয়ে ঢুকতে পারেননি বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন। ফজলুল হক মিলন বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীদের শান্ত করতে উদ্যত হলেও ব্যর্থ হন।

ছাত্রদল নেতাকর্মীরা এ সময় মিলনকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আপনি সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। পরবর্তী কাউন্সিলে আপনার জুনিয়রদের ভাইস চেয়ারম্যানসহ অনেক পদ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আপনাদের সাংগঠনিক সম্পাদক রাখা হয়েছে এগুলো আওয়ামী লীগের চক্রান্ত। দলের মধ্যে যারা সরকারের দালাল রয়েছে তাদের বহিষ্কার করতে হবে। রিজভীকে দল থেকে বের করে দেন তাহলে পার্টি শান্ত হবে। পার্টিতে আর কোনো সমস্যা থাকবে না।

ফজলুল হক মিলন একপর্যায়ে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনের সড়কের একটা কর্নারে অবস্থান নেন। এ সময় পল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেমে থেমে উত্তেজনা চলে।