১৬ জুলাই ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

শিল্পী-সাহিত্যিক স্মরণানুষ্ঠানের সূচনা

স্টাফ রিপোর্টার ॥ দেশের প্রখ্যাত কবি, সাহিত্যিক ও শিল্পীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনে ‘স্মৃতি সত্তা ভবিষ্যত’ শীর্ষক আয়োজন করেছে শিল্পকলা একাডেমি। এ স্মরণানুষ্ঠানের মাধ্যমে ৪৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তির প্রতি ভালবাসা জানানো হবে। সোমবার উদ্বোধনী দিনে অমর সুর¯্রষ্টা শচীন দেব বর্মণকে স্মরণ করা হয়। সোমবার সন্ধ্যায় একাডেমির জাতীয় সঙ্গীত ও নৃত্যকলা মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ। একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আলোচনায় অংশ নেন সঙ্গীতজ্ঞ অধ্যাপক ড. আ ব ম নূরুল আনোয়ার, বাংলাদেশ থিয়েটার আর্কাইভের চেয়ারম্যান ও নাট্য সমালোচক অধ্যাপক আবদুস সেলিম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের অধ্যাপক শিল্পী জামাল আহমেদ, সঙ্গীতশিল্পী কিরণ চন্দ্র রায়, আলোকচিত্র শিল্পী পাভেল রহমান, নৃত্যশিল্পী সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান এবং চলচ্চিত্র সংসদ কর্মী ও আলোকচিত্রী মুনিরা মোরশেদ মুন্নী। স্বাগত বক্তব্য রাখেন একাডেমির সচিব বদরুল আনম ভূঁইয়া।

অনুষ্ঠানে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন, প্রদীপ প্রজ্বালন, প্রয়াত গুণীজনদের স্মৃতির প্রতি এক মিনিটের নীরবতা পালন এবং প্রয়াত গুণীদের তালিকা ও ছবি প্রদর্শন করা। অমর সুর¯্রষ্টা শচীন দেব বর্মণের সৃষ্টিকর্ম নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি ভিডিও চিত্র প্রদর্শন করা হয়।

উদ্বোধনী আলোচনা শেষে ‘ছন্দে বর্ণে’ গানের সুরে নৃত্য পরিশেন করে শিল্পকলা একাডেমির নৃত্যশিল্পীবৃন্দ। ‘ঝিলমিল ঝিলমিল ঝিলের জলে’ গানের সুরে নাচ করে দিব্য সাংস্কৃতিক সংগঠন। নিটোল পায়ে রিনিক ঝিনিক গানের সুরে নাচ করে বাংলাদেশ একাডেমি অব ফাইন আর্টস। ‘বাঁশি শুনে আর কাজ নেই’ ও ‘নিশিথে যাইও ফুল বনে’ শিরোনামের সঙ্গীত পরিবেশন করেন হৈমন্তী রক্ষিত। ‘তুমি এসেছিলে পরশু’ এবং ‘তুমি গিয়াছ বকুল বিছানো পথে’ গেয়ে শোনান সন্দীপন। এছাড়াও একক কণ্ঠে গান শোনান অনুপমা মুক্তি ও কিরণ চন্দ্র রায়। সব শেষে পরিবেশিত হয় মুনীর চৌধুরী রচিত ও ড. আইরীন পারভীন লোপা নির্দেশিত আবদুল্লাহ আল মামুন থিয়েটার স্কুলের পরিবেশিত কবর নাটকের অংশবিশেষ।

আগামী ২৫ জুন থেকে ২ জুলাই পর্যন্ত সঙ্গীত ও নৃত্যকলা মিলনায়তনে পর্যায়ক্রমে শিল্পীদের স্মরণ অনুষ্ঠানে আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে।