১৭ জুলাই ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

বনগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদ থেকে মজুদকৃত ১০২ বস্তা চাল আটক

বনগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদ থেকে মজুদকৃত ১০২ বস্তা চাল আটক

নিজস্ব সংবাদদাতা, গাইবান্ধা ॥ সাদুল্যাপুর উপজেলা সদর বনগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের ভিজিডি কর্মসুচির উপকারভোগীদের মধ্যে সরকারী বরাদ্দকৃত চালের পরিবর্তে বিতরণের জন্য মজুদকৃত আনা নিম্নমানের খাবার অনুপযোগী ১০২ বস্তা চাল মঙ্গলবার দুপুরে আটক করেছে পুলিশ।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানান, দুপুরে বনগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের ভিজিডি কর্মসুচির চাল বিতরণ করার কথা ছিল। কিন্তু ইউপি চেয়ারম্যান সাদুল্যাপুর সরকারী খাদ্য গুদাম থেকে বরাদ্দকৃত ভিজিডি কর্মসুচির ওই চাল বিকাল পর্যন্ত উত্তোলন করেননি। তার পরিবর্তে বিগত ২০১৭ সালের বস্তাবন্দি নি¤œমানের খাবার অনুপযোগী এই চালগুলো ইউনিয়ন পরিষদে মজুদ করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ইউনিয়ন পরিষদ থেকে এ চাল জব্দ করে থানায় নিয়ে আসেন।

বনগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শাহীন সরকার বলেন, ‘ভিজিডি কর্মসুচির বরাদ্দকৃত চাল উত্তোলন করা হয়নি। এই চালগুলো ৩নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য শহিদুর রহমান শহীদ তার উপজেলা মোড়স্থ নিজ গুদাম থেকে ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে আসে।’ কিন্তু কেন নিয়ে আসা হয়। এব্যাপারে তিনি কিছু জানেন না।

এ ব্যাপারে ৩নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য শহিদুর রহমান শহীদের সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। বনগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের ওই কর্মসুচির তদারকী কর্মকর্তা উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মোঃ ইউনুস আলী জানান, এব্যাপারে তিনি কিছুই জানেন না।

সাদুল্যাপুর থানার ওসি আরশেদুল হক চাল আটকের বিষয়টি স্বীকার করে জানান, প্রতিটি ৩০ কেজি ওজনের চালের বস্তাগুলো খাদ্য অধিদপ্তরের সীলযুক্ত। একারণে ধারণা করা হচ্ছে বিগত দিনের অন্য কোন সরকারী কর্মসুচি থেকে এ চালগুলো সরিয়ে রাখা হয়। যা সুযোগ বুঝে ভিজিডি কর্মসুচির উপকারভোগীদের মাঝে বিতরণ করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। আর ভিজিডি কর্মসুচির বরাদ্দকৃত চালগুলো হয়তো অন্যত্র বিক্রি করে দেয়া হতো। তিনি আরো জানান, এছাড়া এ বিষয়ে আর অন্য কোন পরিকল্পনা ছিল কিনা, পুলিশ সেই তথ্য অনুসন্ধানেও তদন্ত অব্যাহত রেখেছে। তদন্ত শেষে মঙ্গলবার রাতেই এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।