২২ জুলাই ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

তরুণদের নিয়ে সিআরআইর বিশেষ আলোচনা

স্টাফ রিপোর্টার ॥ এ বছর ৭০-এ পা রাখল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। বাংলাদেশ সৃষ্টির প্রতিটি ইতিহাসের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে দলটির নাম। বিগত ৭০ বছরে পাকিস্তানী শাসক গোষ্ঠীদের চোখ রাঙ্গানী এবং তার পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের ক্ষমতায় থাকা পাকিস্তানী দোসরদের একটি চক্র সব সময় ধ্বংস করতে চেয়েছে আওয়ামী লীগকে। কিন্তু সাধারণ মানুষকে পাশে নিয়ে বারবার সামনে এগিয়ে গেছে আওয়ামী লীগ।

তরুণ প্রজন্মকে বরাবরই সবচাইতে গুরুত্ব প্রদান করে এসেছে দলটি। সেই তরুণদের চোখে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭০ বছরকে দেখা এবং আওয়ামী লীগের কাছে তাদের ভবিষ্যত চাওয়া পাওয়া জানতে ‘৭০-এ আওয়ামী লীগ : কী ভাবছে তারুণ্য’ শীর্ষক এই আয়োজন করেছে সেন্টার ফর রিসার্চ এ্যান্ড ইনফরমেশন (সিআরআই)।

মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে আলোচকদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন, শিক্ষামন্ত্রী ড. দীপু মনি, আইসিটি ডিভিশনের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এবং সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ওয়াসিকা আয়শা খান। সঞ্চালনায় ছিলেন নবনীতা চৌধুরী। অনুষ্ঠানে তরুণদের পক্ষ থেকে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর প্রদান করেন আলোচকরা। এ সময় কেন আওয়ামী লীগ করেন জানতে চাওয়া হলে ড. দীপু মনি বলেন, আসলে ছোট বেলা থেকে এই দলটিকে দেখে এসেছি। আর বড় হওয়ার পর বিভিন্ন মানুষের কাছে বিরোধী মন্তব্য শোনার পর নিজেও যুক্তি দিয়ে দেখার চেষ্টা করেছি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত মনে হয়েছে বাঙালী হিসেবে গর্ব করার জন্য আওয়ামী লীগ সমর্থন করা ছাড়া কোন বিকল্প নেই।

জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, আমি স্বাধীনচেতা একজন মানুষ। সেখানে যেই দল আমাদের স্বাধীনতা এনে দিয়েছে তাকে ছাড়া আর কাকে সমর্থন করব।

উপস্থিত তরুণদের প্রশ্নের উত্তরে ওয়াসিকা আয়শা খান বলেন, আসলে আওয়ামী লীগ আমাদের সমাজের বাইরের কিছু নয়। বর্তমানে জাতীয় সংসদে সরাসরি নির্বাচনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের নারী অংশগ্রহণ ২১ ভাগ। আওয়ামী লীগ মনোনয়ন দেয়ার ক্ষেত্রে কিন্তু নারী-পুরুষ বা সুস্থ-প্রতিবন্ধী এ বিষয়গুলোকে প্রাধান্য দেয় না। বরং প্রাধান্য দেয় কে ওই আসনে জয় পেতে পারে। সুতরাং নারীরা নিজ আসনে ভাল অবস্থান তৈরি করলে আরও বেশি মনোনয়ন পাবে। আর আমি মনে করি না আওয়ামী লীগের থেকেও বেশি নারী মনোনয়ন অন্য কোন দল এই মুহূর্তে দিচ্ছে। এমনকি উন্নত দেশেও নারীর অংশগ্রহণ ২৪ ভাগের বেশি নয়।