১৭ জুলাই ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

বিমসটেককে আরও কার্যকর করতে হবে ॥ ড. মোমেন

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন বলেছেন, বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলে টেকসই ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার লক্ষ্যে বিমসটেককে আরও কার্যকর করার জন্য দৃঢ় রাজনৈতিক অঙ্গীকার প্রয়োজন। রাজধানীতে বিমসটেকের ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। খবর বাসসর।

মন্ত্রী বলেন, আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, সদস্য দেশগুলোর দৃঢ় রাজনৈতিক অঙ্গীকার ও উদ্ভাবনী পদক্ষেপ আগামী দিনগুলোতে বিমসটেককে আরও কার্যকর করে তুলবে। বে অব বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টি-সেক্টোরাল টেকনিক্যাল এ্যান্ড ইকোনমিক কো-অপারেশন (বিআইএমএসটিইসি) দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সাতটি দেশের সমন্বয়ে গঠিত একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা। সদস্য দেশগুলো হলো- বাংলাদেশ, ভারত, মিয়ানমার, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, নেপাল ও ভুটান। দেশগুলো বঙ্গোপসাগরের ওপর নির্ভরশীল। ঢাকায় বিমসটেকের গুলশানের সচিবালয়ে মঙ্গলবার রাতে ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরা অংশ নেন। মোমেন বলেন, শুরু থেকেই বাংলাদেশ বিমসটেককে কার্যকর করার ব্যাপারে দৃঢ় প্রত্যয়ী ছিল। পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, এই অঞ্চলের মানুষের দ্রুত অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে বিমসটেকের সঙ্গে কার্যকরভাবে সমন্বয় সাধন করা বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান পররাষ্ট্রনীতি। ঢাকায় বিমসটেকের সচিবালয় প্রতিষ্ঠা এই নীতিরই বহির্প্রকাশ।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তিনটি নীতির অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে বিদ্যমান বিমসটেককে পুনর্গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন। এগুলো হলো- ‘টেকসই উন্নয়ন’, ‘নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা’ এবং ‘মানুষের সাথে মানুষের যোগাযোগ’। প্রধানমন্ত্রীর এই প্রস্তাবের কথা উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এগুলো বিমসটেককে গতিশীল করে তুলবে এবং পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে সংগঠনটি এ অঞ্চলের মানুষের উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করবে। মোমেন আরও বলেন, বিমসটেকে দৃশ্যমান সুফল পাওয়ার জন্য সদস্য রাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, যোগাযোগ, শক্তি, নিরাপত্তা, কৃষি, পর্যটন, জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং মানুষের সঙ্গে মানুষের যোগাযোগকে অধিক প্রাধান্য দেয়া জরুরী। তিনি বলেন, এই অঞ্চলের সকল দেশ কার্যকরভাবে ভূমিকা রাখলেই কেবল একটি টেকসই ও শান্তিপূর্ণ বঙ্গোপসাগর অঞ্চল নিশ্চিত করা সম্ভব।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সব সময় প্রতিবেশী দেশসমূহের সঙ্গে মিলেমিশে কাজ করার স্বপ্ন দেখতেন। তাই, বঙ্গবন্ধুর এই স্বপ্ন বাস্তবায়নে বাংলাদেশ সব সময়ই আঞ্চলিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে অঙ্গীকারাবদ্ধ। তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে টেকসই প্রবৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে বাংলাদেশ আঞ্চলিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে সদা তৎপর। অনুষ্ঠানে বিমসটেকের সেক্রেটারি জেনারেল এ্যাম্বাসেডর মোঃ শহিদুল ইসলাম বক্তব্য রাখেন।

এই মাত্রা পাওয়া