১৬ জুলাই ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

নোবেলের এগিয়ে চলা নাজনীন বেগম

মঈনুল আহসান নোবেল গোপালগঞ্জের এই উদীয়মান তরুণ সঙ্গীতশিল্পী দুই বাংলায় দর্শক-শ্রোতা মাতানো ছাড়াও নিজেকে তৈরি করছেন এক অনবদ্য গানের জগতের নতুন তারকার ভূমিকায়। শুরু থেকেই সা রে গা মা পার বিনোদন জগতে নিজেকে নিবেদন করা নোবেল পশ্চিম বাংলার খ্যাতিমান সঙ্গীত বিশারদেরও নজর কেড়েছেন। হেমন্ত, মান্নাদে, কিশোর কুমার থেকে শুরু করে নতুন সময়ের বলয়ে অনুপম, অরিজিত সিংসহ আরও অনেকের সুরেলা আবেশ নিজের কণ্ঠে ধারণ করে সুর আর বাণীকে যে মাত্রায় নিয়ে যায় সেখানে বিচারকসহ অগণিত শ্রোতা-দর্শকের মুগ্ধতা আর বিস্ময় ছাড়া অন্য কিছু থাকে না। যার কণ্ঠে এমন জাদুকরী শৈল্পিক শক্তি, নিবেদনের শান্ত- স্নিগ্ধ আবেগ তেমন আলোকিত শিল্পী দর্শকদের শুধু উপস্থিত আচ্ছন্নতাই দেয় না এক চিরস্থায়ী সাঙ্গেতিক সুষমায় হৃদয় মন ভরিয়েও দেয়। যার রেশ যেন সহজেই কাটতে চায় না। রবীন্দ্রসঙ্গীতের মতো এমন শুদ্ধ সুর ও বাণীর ভবনকেও স্পর্শ করতে গিয়ে নোবেল যেভাবে নিজেকে প্রমাণ করেছে সেখানে বিজ্ঞ বিচারকদের হাত দিয়ে সোনালি মুহূর্তও ঝরে পড়তে সময় লাগেনি। এভাবে যোগ্যতার মাপকাঠির প্রায় প্রতিটি পর্বই উত্তীর্ণ করে নোবেল আজ চূড়ান্ত পর্বের একজন দক্ষ প্রতিযোগী।

শেষটা যাই হোক না কেন যতটুকু পর্যন্ত আসতে পেরেছে সেখানেই তার সবটুকু ক্ষমতা এবং নিজেকে প্রমাণ করাও। শুধু কি সা রে গা মার নির্ধারিত পর্বের কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নিজেকে তুলা ধরা? এ ছাড়াও আছে ‘ভিঞ্চি দা’ সিনেমার প্লে ব্যাপক শিল্পী হিসেবে অসাধারণ কণ্ঠের জাদুকরী স্পর্শে শ্রীজিৎ মুখার্জীকে মুগ্ধ করাই শুধু নয় অনুপমের লিরিক আর সুরকে সিনেমাপ্রেমীদের কাছে পৌঁছে দেয়া সেও যেন এক অবিস্মরণীয় শৈল্পিক পারদর্শিতা।

এমন সব কঠিন পথপরিক্রমা পার করতে গিয়ে যে অসাধারণ বৃদ্ধিমত্তা, ধীশক্তি, সঙ্গীতের প্রতি নিঃশর্ত সমপর্ণে নিজেকে উজাড় করতে হয়েছে তেমন নজিরও তো শ্রদ্ধার সঙ্গে বিস্ময় তৈরি করে। বয়সটা কিছুমাত্র বেশি নয়। মাত্র ২২ বছর। এক উদ্দীপ্ত তরুণ তার নতুন যাত্রাপথকে কি মনোসংযোগে আয়ত্তে এনে দর্শক-শ্রোতাদের সুরের ডালি উপহার দিয়ে যাচ্ছে।