১৬ জুলাই ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

চলমান মেগা প্রকল্পের সুফল পাওয়া যাবে ২০৩০ সালে

স্টাফ রিপোর্টার ॥ শুধু সড়কপথ নয়, একটি শহরের টেকসই যোগাযোগে প্রাধান্য দেয়া হয়- জল, রেল বা অযান্ত্রিক যানবাহনের পথকে। এই হিসেবে, ঢাকা প্রাকৃতিকভাবে আশীর্বাদপুষ্ট হলেও দিন দিন সেই সম্ভাবনা কমিয়েছে অপরিকল্পিত নগরায়ন ও দুর্নীতি। সরকারের কয়েকটি প্রকল্প আশার আলো দেখালেও, তা পর্যাপ্ত নয়। সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, চলমান মেগা প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন হলে ২০৩০ সাল নাগাদ সুফল পাবেন নগরবাসী।

আশপাশের চারটি নদী দিয়ে ঘেরা ঢাকা, নগর পরিকল্পনাবিদদের চোখে এক আদর্শ শহর। নগরের অভ্যন্তরীণ যোগাযোগে জলপথের ব্যবহার শেষ হয়েছে জমির লোভে। লোভের এই মাত্রা ভয়াবহ হয়েছে নগর পরিকল্পনায় সড়কের প্রাধান্যে। হাজার কোটি টাকা খরচ করে হলেও, নদী খনন করে জলপথে যাতায়াতের ব্যবস্থা করা হলে কেউই সদরঘাট থেকে বাসে করে মিরপুর যেত না বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

দেরিতে হলেও হাতিরঝিলের মতো প্রকল্পের সুফল পাচ্ছেন নগরবাসী। কিন্তু, তা কি পর্যাপ্ত? বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, পরিকল্পনায় যা ছিল তার ৫ শতাংশ কাজও এখানে হয়নি। অতিরিক্ত মানুষের চাপ কমাতে শহরের ভেতরে রেল যোগাযোগের বিকল্প নেই। পরিকল্পনাবিদদের মতে, নৌ, রেল বা সড়কে পৃথক প্রকল্প না নিয়ে সমন্বিত যোগাযোগ পরিকল্পনার পূর্ণ বাস্তবায়ন প্রয়োজন।

ঢাকায় কখনই পরিকল্পিত নগর করার সমন্বিত উদ্যোগ দেখেননি বলে জানান পরিকল্পনাবিদরা। তাদের মতে, ঢাকা শুধু প্রধান সড়কনির্ভর। যোগাযোগের জটিলতা স্বীকার করে নিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের জানান, রাতারাতি সম্ভব নয় যানজট নিরসন। তিনি বলেন, আমরা যাই করি, যানজট নিরসনের বিষয়টি যদি কোন অগ্রগতি না পাই, তাহলে আমাদের এই চেষ্টা বৃথা।