১৬ জুলাই ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

বয়সের চেয়ে কর্মক্ষমতার ওপর জোর দেয়া উচিত

  • কংগ্রেস প্রধান নির্বাচন প্রসঙ্গে জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া

ভারতীয় কংগ্রেস সভাপতি পদ থেকে রাহুল গান্ধীর ইস্তফা দেয়ার ঘটনাকে ‘অবিশ্বাস্য’ আখ্যা দিয়ে বৃহস্পতিবার দলটির অপর পদত্যাগী নেতা জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া বলেন, যে নেতা প্রাচীন এ দলটিকে পুনরুজ্জীবিত করতে সক্ষম হবেন দেরি না করে ওই পদে তাকেই নির্বাচিত করা উচিত।

ইতোমধ্যেই সাত সপ্তাহ পেরিয়ে গেছে, কংগ্রেসের কার্যকরী কমিটির এবার দলের নতুন সভাপতি বাছতে সিদ্ধান্ত নেয়া প্রয়োজন। গত সপ্তাহে কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন জ্যোতিরাদিত্য। খবর এনডিটিভি অনলাইনের। ২০১৭ সালে মা সোনিয়া গান্ধীর থেকে কংগ্রেস প্রধানের দায়িত্ব নেন রাহুল গান্ধী। গত লোকসভা নির্বাচনে দলের শোচনীয় পরাজয়ের দায়ভার কাঁধে নিয়ে গত ২৫ মে কংগ্রেস সভাপতি পদ থেকে ইস্তফা দেন তিনি। ভারতের ৫৪৩ আসনের লোকসভা নির্বাচনে মাত্র ৫২ আসনে জয় পায় কংগ্রেস। সম্প্রতি ভোপালে মধ্যপ্রদেশ কংগ্রেসের প্রধান কার্যালয়ের সামনে জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়াকে দলের প্রধান করার আবেদন জানিয়ে পোস্টার লাগানো হয়। যদিও ৪৮ বছর বয়সী সিন্ধিয়া জানিয়েছেন এই দৌড়ে তিনি নেই। জ্যোতিরাদিত্য বলেন, বর্তমানে কংগ্রেস একটি সমালোচনামূলক পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। কংগ্রেসকে আত্মবিশ্বাস জোগানোর জন্য, আবারও জনগণের বিশ্বাস ফিরে পাওয়ার আগে নিজেকে পুনরুজ্জীবিত করা এবং পুনর্বিবেচনার প্রয়োাজন। আমি মনে করি সেই মুহূর্ত এসেছে। কর্নাটকের ক্রমবর্ধমান রাজনৈতিক সঙ্কট ও গোয়াতে অনেক কংগ্রেস বিধায়করা দল থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে বিজেপিতে যোগ দেয়ার পর, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ভোপালে যান জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। গত লোকসভা নির্বাচনে নিজের কেন্দ্র থেকে হেরে যাওয়ার পর এই প্রথম সেখানে যান তিনি। তিনি বলেন, আমি পেছনের পায়ে ভর দিয়ে ব্যাট করি না, সব সময় সামনের পায়ে ভয় দিয়েই ব্যাট করতে ভালবাসি। আমাদের জনগণের রায়ের প্রতি শ্রদ্ধা আছে।

আমি বা অন্যরা, আমরা কেউই অস্বীকার করতে পারি না যে, নিশ্চয়ই আমাদের মধ্যে এমন কিছু ত্রুটি রয়েছে যা এই ফলাফল এনে দিয়েছে। দলের সত্তরোর্ধ নেতাদের পরামর্শদাতার ভূমিকায় রেখে দলকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব তরুণদের হাতে দেয়া উচিত কিনা সে প্রশ্নের উত্তরে সিন্ধিয়া বলেন, বয়সের থেকে এক্ষেত্রে কর্মক্ষমতার ওপরেও জোর দেয়া উচিত বলে তার মনে হয়। তিনি বলেন, আমি মোদিজি নই, দেশের জনসংখ্যাকে বয়স্ক ও তরুণ প্রজন্মে বিভক্ত করব না। যেটা প্রয়োজন সেটা হলো বয়সের থেকে ব্যক্তির কর্মক্ষমতার ওপর জোর দেয়া। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পরিবর্তনের প্রয়োজন।