২৩ জুলাই ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

মির্জা সাখাওয়াৎ হোসেনের চলচ্চিত্র ‘অর্জন ৭১’

স্টাফ রিপোর্টার ॥ এর আগে অসংখ্য নাটক নির্মাণ করে প্রশংসিত হয়েছেন গুণী নির্মাতা ও লেখক মির্জা সাখাওয়াৎ হোসেন। নির্মাতা হিসেবে তিনি পরিচিত হলেও শিল্প সাহিত্য অঙ্গনে একজন সুলেখক হিসেবে ব্যাপক পরিচিতি আছে তার। বিশেষ করে ৯০ দশকের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি হিসেবেও সমধিক পরিচিত মির্জা সাখাওয়াৎ হোসেন। অসংখ্য নাটক টেলিফিল্ম রচনা ও পরিচালনার আগে মঞ্চ নাটক রচনা, নির্দেশনা ও অভিনয়ের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এই নির্মাতা। তার হাত ধরে এসেছে বেশ কিছু মঞ্চ নাটক। লিখেছেন, নির্দেশনা দিয়েছেন অভিনয় করেছেন। এসবের পাশাপাশি বড় পর্দার কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। ২০১১ সালে ‘হরিজন’ নামে একটি চলচ্চিত্র নির্মাণ করে প্রশংসিত হয়েছিলেন। সাম্প্রতিক সময়ে ‘স্বপ্ন যাত্রা’ নামে একটি চলচ্চিত্র নির্মাণে হাত দিয়েছেন তিনি। তবে নতুন খবর হলো ‘অর্জন ৭১’ নামে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিশেষ একটি চলচ্চিত্র নির্মাণ করতে যাচ্ছেন তিনি। মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর অবদানকে কেন্দ্র করে মির্জা সাখাওয়াৎ হোসেন এই চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করতে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে। এই চলচ্চিত্রের প্রধান নারী চরিত্রে অভিনয় করবেন জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা মৌসুমী। চলচ্চিত্রে মৌসুমীর স্বামী একজন ওসির ভূমিকায় অভিনয় করবেন শক্তিমান অভিনেতা শতাব্দী ওয়াদুদ। নির্মাতা জানান বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর অনুমোদনক্রমেই নির্মিত হবে ‘অর্জন ৭১’ চলচ্চিত্রটি। চলচ্চিত্রটি গবেষণা, সংলাপ, চিত্রনাট্য করেছেন পরিচালক মির্জা সাখাওয়াৎ হোসেন নিজেই। গত ৮ জুলাই রাতে চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন প্রিয়দর্শিনী মৌসুমী। আগামী কোরবানীর ঈদের চতুর্থদিন থেকে চলচ্চিত্রের কাজ শুরু হবে বলে জানা যায়। আগামী ১৬ জুলাই বিএফডিসিতে চলচ্চিত্রের মহরত হবে। এ প্রসঙ্গে গুণী পরিচালক মির্জা সাখাওয়াৎ হোসেন বলেন, একটি নান্দনিক চলচ্চিত্র সভ্যতাকে অগ্রসর করে। আমাদের চলচ্চিত্রের নাম ‘অর্জন-৭১’। মহান মুক্তিযুদ্ধে পুলিশ বাহিনীর অবদানকে কেন্দ্র করে এই চলচ্চিত্রটি নির্মাণ হচ্ছে। ‘অর্জন ৭১’ চলচ্চিত্র মুক্তিযুদ্ধে পুলিশ বাহিনীর বিশেষ অবদানকে তুলে ধরা হবে। তবে একজন পুলিশ কর্মকর্তার স্ত্রী ফিরোজার জীবন সংগ্রামকে কেন্দ্র করে এই চলচ্চিত্রের গল্প এগিয়ে যাবে। আশাকরি ভাল একটি কাজ হবে। সকলের সহযোগিতা কামনা করি।

এ প্রসঙ্গে অভিনেত্রী মৌসুমী বলেন, এর আগেও আমি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছি। তবে এবারের চলচ্চিত্রের পটভূমি আলাদা। বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে পুলিশ বাহিনীর বিশেষ অবদানকে এর গল্পে পরিচালক তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন। সেটা তুলে ধরার পাশাপাশি আমি যে চরিত্রে অভিনয় করতে যাচ্ছি তার সংগ্রামী এক জীবনও তুলে ধরা হচ্ছে। একজন পুলিশ অফিসারের স্ত্রী একজন ফিরোজার সেই সময়কার চ্যালেঞ্জিং জীবন তাতে উঠে আসবে। আমি ভীষণ গর্বিত যে আমাকে এই ধরনের একটি চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ করে দেয়া হলো। আমি সবসময়ই চেয়েছি গল্পনির্ভর চলচ্চিত্রে চ্যালেঞ্জিং চরিত্রে কাজ করতে।

আমি চেয়েছি এমন কিছু কাজ করতে যার মধ্যদিয়ে একজন অভিনেত্রী হিসেবে আমি যুগের পর যুগ দর্শকের মধ্যে বেঁচে থাকব। একজন ফিরোজা সেই ধরনেরই একটি চরিত্র। যে চরিত্রে কাজ করার জন্যই হয়তো বিগত কিছুটা দিন আমার প্রতীক্ষা ছিল। একজন শিল্পীর দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে, ভীষণ ভাললাগার জায়গা থেকে আমি অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি কাজ করার। এমন একটি চলচ্চিত্র নির্মাণে অনুমোদন দেয়ার জন্য বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীকে ধন্যবাদ।

নির্বাচিত সংবাদ
এই মাত্রা পাওয়া