১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

মাদারীপুরে মাদ্রাসার ছাত্রীকে হত্যার পরে মুখমন্ডল পুড়িয়ে দেয়া হয়

মাদারীপুরে মাদ্রাসার ছাত্রীকে হত্যার পরে মুখমন্ডল পুড়িয়ে দেয়া হয়

নিজস্ব সংবাদদাতা, মাদারীপুর ॥ নিখোঁজের দুইদিন পর শনিবার সন্ধ্যায় শহরের পাদকী এলাকা থেকে এক কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এলাকাবাসী পুকুরে এক কিশোরীর বিবস্ত্র মরদেহ দেখতে পেয়ে থানায় খবর দিলে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। প্রথম দিন মরদেহের পরিচয় নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ। রবিবার তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। নিহত কিশোরী মাদারীপুর সদর উপজেলার চরনাচনা গ্রামের মজিবর ফকিরের মেয়ে দিপ্তী আক্তার (১৫)। দিপ্তী স্থানীয় একটি মাদ্রাসার দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলো।

স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, দিপ্তী বুধবার সকালে মাদারীপুর শহরে বোনের বাড়ি বেড়াতে আসে। বৃহস্পতিবার দুপুরে গ্রামে বাড়ি রওয়ানা দেয়। এর পর থেকেই নিখোঁজ ছিলো। শনিবার বিকালে শহরের পাকদী এলাকার একটি পুকুর থেকে একটি মরদেহ উদ্ধারের খবর পেয়ে স্বজনরা রবিবার সকালে মাদারীপুর সদর হাসপাতাল মর্গে এসে লাশ সনাক্ত করেন। নিহত কিশোরীর শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। মুখমন্ডল আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ঝলসে দেয়া হয়েছে। পেটে উপর ছুড়িকাঘাত করা রয়েছে। লাশটি ছিলো বিবস্ত্র।

নিহতের চাচা গোলাম মাওলা ফকির বলেন, ‘দিপ্তী বুধবার বোনের বাড়ি বেড়াতে এসেছিল। বৃহস্পতিবার বেড়ানো শেষে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়। এরপর থেকে সে নিখোঁজ ছিলো। পরে আমরা খবর পাই একটি মেয়ের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। রবিবার হাসপাতালের মর্গে এসে লাশ দেখে তার পরিচয় নিশ্চিত করি। আমরা ধারণা করছি দিপ্তীকে অপহরণ করে নিয়ে গিয়ে হত্যা করেছে। মেয়েটি মুখমন্ডল পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। আমার এর বিচার চাই।’ স্থানীয়রা জানান, লাশটি অনেকটাই পচে-গলে বিকৃত হয়ে গেছে এবং বিবস্ত্র অবস্থায় ছিলো। ধারণা করা হচ্ছে ধর্ষণ শেষে তাকে হত্যা করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( সদর সার্কেল) মোহাম্মদ বদরুল আলম মোল্লা বলেন, ‘কিশোরীর পরিচয় পাওয়া গেছে। মামলা হবে। বিষয়টি নিয়ে পুলিশ কাজ করছে।’