২১ আগস্ট ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ঢাকার দিনরাত

  • মারুফ রায়হান

আহা শ্রাবণ এসে গেল। ঢাকাও বেশ ভিজছে বৃষ্টিতে প্রতিদিন। শিল্পীবন্ধু কারুতিতাসের পোস্টে চোখ আটকে গেল। ঢাকা নিয়ে এমন তীব্র অনুভূতিই তো আশা করেছিলাম। বন্ধু লিখেছেন: ‘আমরা ঢাকাকে ধ্বংস করে ফেলেছি অনেক আগেই। খাল, বিল, নদী-নালা ভরাট করে এখন দু’তিন ঘণ্টার বৃষ্টিতেই ঢাকার পথ-ঘাট নদী হয়ে যাচ্ছে। যেন সব দোষ ওই বৃষ্টির। নির্বিচারে নির্মমভাবে গাছ কেটে কেটে আমরা বড় বড় জঘন্য সব দালানকোঠা বানিয়েছি। আর এখন ফ্যাশান করে তৈরি করছি ছাদ বাগান। আমরা কী এক একজন সব প্রকৃতি প্রেমিক। যেন ছাদ বাগান করে সব নোবেল পাব। এক সময়তো আষাঢ়-শ্রাবণে টানা সাত দিন, দশ দিন বৃষ্টি হতো। কই তখন তো ঢাকা এভাবে ডুবে যেত না। আষাঢ়-শ্রাবণ ফিরে আসুক তার আগের রূপে। ডুবে যাক ঢাকা। আমরা যে অবিচার করেছি প্রকৃতির সঙ্গে প্রকৃতির কাছ থেকে আমাদের কঠোর শাস্তি পাওয়া উচিত। আহা, কতদিন আকাশে এমন কবিতার মতো মেঘ দেখি না। শুভ কামনা আষাঢ়-শ্রাবণ।’

যদি নিরাপদ দুধ চাই...

কতো ছাগশিশু আর গো-বাছুরকে বঞ্চিত করেই না আমরা মেটাই প্রতিদিনের দুধের প্রয়োজন। প্রকৃতির দিকে তাকিয়ে দখেুন, কোন প্রাণী শৈশবকাল অতিক্রমের পর বড়ো হয়েও দুধ পান করছে! মানুষই একমাত্র জীব যার কিনা আমৃত্যু চাই দুধ। শুধু কি দুধ? দুগ্ধজাত হাজারটা খাবার তার চাই রসনা পরিতৃপ্তির জন্যে। দুধের বিশাল এক বাণিজ্য তাই গড়ে উঠেছে বিশ্বব্যাপী। দুধে যা যা উপকারী উপাদান রয়েছে তার সবই অন্যভাবেও গ্রহণ করা সম্ভব। কিন্তু আমরা অভ্যস্ত হয়ে উঠেছি দুধে। আবহমানকাল ধরে মানুষের খাদ্যাভ্যাসে প্রোথিত রয়েছে দুধ। তাই অন্তত সেই দুধ যাতে বিশুদ্ধ হয়, ক্ষতিকর না হয়, সেজন্যে সচেতন থাকতে হবে। যদি কোনো বিক্রেতার দুধ মানুষের উপকারের বদলে অপকার করতে চায় তবে সেটিকে শনাক্ত করা জরুরি। দুধের ভেতর মানবদেহের জন্যে ক্ষতিকর একাধিক এন্টিবায়োটিক রয়েছে এটি তথ্য প্রমাণ দিয়ে দেখিয়ে দিলেন সমাজের একজন গবেষক। তিনি ঢাকা বিশ্বব্যিালয়ের শিক্ষক। পুরো জাতির হয়ে মহাউপকারী কাজটা তিনি করলেন অথচ এতে দুধ নিয়ে বাণিজ্য করা মহল রাগে ফুঁসে উঠলো! উচিৎ ছিল জাতির কাছে ক্ষমা চেয়ে বিনয়ের সঙ্গে সংশোধিত হওয়ার অঙ্গীকার প্রকাশ করা। তা না করে তারা ঘোট পাকাতে থাকলো; বাক্যবাণে বিদ্ধ করতে লাগলো অধ্যাপককে। অপরাধীদের স্বার্থরক্ষার জন্য প্রশাসনের কতিপয় পদস্থজনও তাদের সুরে সুর মেলালো। আশ্চর্য সেলুকাস! কী বিচিত্র এই দেশ।

প্রসঙ্গত, গত ২৫ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বায়োমেডিক্যাল রিসার্চ সেন্টার ও ফার্মেসি অনুষদ এক যৌথ গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করে। সেখানে দেখা যায় যে, বাজারে সবচেয়ে বেশি বিক্রিত প্রথমসারির সবগুলো ব্র্যান্ডের প্যাকেটজাত দুধে ডিটারজেন্ট ও এন্টিবায়োটিকের উপস্থিতি রয়েছে।

সমাজে এখনও যে বিবেকবান মানুষ আছে তার প্রমাণ পাস্তুরিত দুধে এন্টিবায়োটিকের উপস্থিতি পরীক্ষা করে শাস্তির মুখে পড়তে যাওয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওষুধ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আ ব ম ফারুকের পক্ষে মানববন্ধন করেছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ। রোববার দুপুরে রাজু ভাস্কর্যের সামনে ‘নিরাপদ খাদ্য চাই, ফারুক স্যারের পাশে দাঁড়াই’ ব্যানারে এই মানববন্ধন করা হয়। মানববন্ধন থেকে বক্তারা অধ্যাপক ফারুককে হয়রানি না করার অনুরোধ এবং যারা হয়রানি করছেন তাদের বিচারের দাবি জানান। বক্তারা বলেন, ‘একজন দায়িত্ববান মানুষ হিসেবে তিনি দুধে ক্ষতিকর অ্যান্টিবায়োটিক থাকার কথা জনগণকে জানিয়েছেন। এ জন্য তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। তার পাশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দাঁড়াচ্ছে না। আমরা এই মহান মানুষটির পাশে আছি। একই সঙ্গে যারা তাকে হুমকি দিচ্ছে, তাদের সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।’

আবার ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়া

শেষ পর্যন্ত হাইকোর্টকেই স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে রুল জারি করতে হলো। তাহলে দায়িত্ববানরা আর কী দায়িত্ব পালন করলেন! ঢাকা সিটিতে ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়াসহ অন্যান্য মশাবাহিত রোগ ছড়ানো বন্ধে এডিস মশা নির্মূল ও ধ্বংসে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত ও এডিস মশা নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে আসা প্রতিবেদন নজরে এনে আদালত এই আদেশ দেন। ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া রোধে কী পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে, তা ২২ জুলাইয়ের মধ্যে দুই সিটি কর্পোরেশনসহ বিবাদীদের জানাতে বলা হয়েছে। এ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের মাধ্যমে পদক্ষেপের বিষয়ে জানাতে বলা হয়েছে। ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের নাগরিকদের ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়াসহ এ ধরনের রোগে আক্রান্ত হওয়া বন্ধে এবং এডিস মশা রোধে বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত হবে না, রুলে তা জানতে চাওয়া হয়েছে।

রবিবার এই কলাম রচনা পর্যন্ত ঢাকায় গত সাত দিনে মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়েছে এক হাজার ২৮ জন। আর গত ২৪ ঘণ্টায় শতাধিক। স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার এ্যান্ড কন্ট্রোল রুম থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে ডেঙ্গু প্রতিরোধে নগর কর্তৃপক্ষের আরও কার্যকর পদক্ষেপের দাবিতে মানববন্ধন করেছে নগরবাসী।

সরকারী হিসাবমতে, চলতি মাসে রাজধানীতে এ পর্যন্ত মশাবাহিত ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়েছে দুই হাজারের মতো মানুষ। আর গত মে মাসে আক্রান্ত হন ১৯৩, জুনে ১ হাজার ৬৫৩ জন। অর্থাৎ নগরীতে দিন দিন বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা। যদিও বেসরকারী হিসাবমতে, এই পরিসংখ্যান আরও বেশি। ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়ে এ পর্যন্ত চিকিৎসকসহ তিনজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বেডে শুয়ে থাকা ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত এক ব্যক্তি আক্ষেপ করে বলছিলেন, ‘আমাদের এ অবস্থার জন্য কে দায়ী? মেয়রই তো দায়ী, এগুলো কি দেখা উচিত না? যে ওষুধগুলো ছেটানো হয়, সেগুলো কোন ওষুধ? তাতে তো কোন কাজই হয় না।’

এদিকে সবচেয়ে বড় আতঙ্কের বিষয় হলোÑ প্রতিনিয়ত পাল্টে যাচ্ছে ডেঙ্গুজ্বরের ধরন। অনেকেরই সাধারণ জ্বর ভাল হওয়ার পরবর্তী সময় ধরা পড়ছে ডেঙ্গু। ঢাকা মেডিক্যালে এক ইন্টার্ন চিকিৎসক বলছিলেন, ‘গতবারের তুলনায় এবার ডেঙ্গুর প্রকোপ বেশি দেখা যাচ্ছে। ঢাকার যেসব জায়গায় ডেঙ্গু বেশি হয়, রামপুরা, মগবাজার ও বনশ্রী, এসব এলাকা থেকে রোগী বেশি আসছে।’

আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, শ্রীলঙ্কায় এ বছর এখন পর্যন্ত তিন শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে। সেইসঙ্গে এই রোগে আক্রান্তদের সংখ্যা এক লাখ ছাড়িয়েছে। মহামারী আকার ধারণ করেছে থাইল্যান্ডেও। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যদি অন্তত এক-দেড় মাস আগে সক্রিয় হয়ে ঢাকায় জোরালো মশকনিধন অভিযান চালানোর ব্যবস্থা নিতেন তাহলে ডেঙ্গু নিয়ে শঙ্কিত হতে হতো না। আমাদের দায়িত্ববোধ জাগ্রত হবে কবে?

মাসরুর আরেফিনের সঙ্গে

এক সন্ধ্যা

বিশিষ্ট অনুবাদক মাসরুর আরেফিনের প্রথম উপন্যাস ‘আগস্ট আবছায়া’ গত বইমেলায় প্রকাশের পর উপন্যাসটি নিয়ে তুমুল আলোচনা চলছে। তাঁকে শক্তিমান এক আধুনিক কথাসাহিত্যিক হিসেবে স্বাগত জানিয়েছেন সমাজের বহু প্রাজ্ঞ জ্ঞানীগুণীজন এবং সাধারণ পাঠকসমাজ। অথচ লেখকের প্রথম আত্মপ্রকাশ ছিল কাব্যগ্রন্থের মধ্য দিয়ে, ১৮ বছর আগে। তাঁরই কবিবন্ধু ব্রাত্য রাইসু নিজের প্রকাশনালয় থেকে বের করেন মাসরুরের কাব্য ‘ঈশ্বরদী, মেয়র ও মিউলের গল্প’। এটি অখ- এক সুদীর্ঘ কাহিনীকাব্য, যদিও লেখক এটিকে বলছেন গ্রন্থের প্রথম খন্ড। দ্বিতীয় খন্ডটি রচনা শুরুর সময়টিতে এবং আগস্ট আবছায়া নিয়ে তুমুল আলোচনার পর কাব্যটি নিয়ে লেখক-পাঠকদের ভেতর আগ্রহ- কৌতূহলের প্রেক্ষাপটে ব্রাত্য রাইসু এটি নিয়ে এ অভিনব আয়োজনের উদ্যোগ নেন। বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের বাতিঘরে শনিবার ছিল এই আয়োজন। তুমুল বৃষ্টির সন্ধ্যা। কিন্তু হলভর্তি মানুষ। একজন লেখকের একটি কাব্যকে ঘিরে এমন আয়োজনে সুধীজনের উপস্থিতি থেকে অনুমান করা যায় লেখকের পাঠকপ্রিয়তা। অনুষ্ঠানে বেশ ক’জন আলোচক মাসরুর আরেফিনের ব্যতিক্রমী কাব্যের নানা দিক নিয়ে আলোচনা করেন। কেউ কেউ এটিকে মহাকাব্য হিসেবেও আখ্যায়িত করেন। আলোচনায় অংশ নেন শামসেত তাবরেজী, মশিউল আলম, টোকন ঠাকুর, মাতিয়ার রাফায়েল, কামরুজ্জামান কামু, সাইমন জাকারিয়া, আলতাফ শাহনেওয়াজ, মৃদুল মাহবুব প্রমুখ। লেখকের তরুণ বয়সের কয়েকজন বন্ধু স্মৃতিচারণ করেন। অনুষ্ঠানের আকর্ষণীয় দিক ছিল কবিকণ্ঠে আলোচিত কাব্য থেকে পাঠ। একজন বক্তার আলোচনা শেষ হলে গ্রন্থ থেকে অংশবিশেষ পাঠ করতে থাকেন মাসরুর। এভাবে কাব্যের বড় অংশই পঠিত হয়ে যায়। আগ্রহী পাঠকরা বইটি কিনে স্বাক্ষর সংগ্রহের জন্যে নিজ নাম টুকরো কাগজে লিখে আয়োজকদের মাধ্যমে মঞ্চে পাঠাতে থাকেন। প্রায় সাড়ে তিনঘণ্টাব্যাপী অনুষ্ঠানটি শেষ না হওয়া পর্যন্ত বেশির ভাগ দর্শক-শ্রোতাকেই নিবিষ্ট মনোযোগী থাকতে দেখা যায়।

নকল প্রসাধন সামগ্রী

রূপসচেতন বলেই শুধু নয়, মেয়েরা কমবেশি প্রসাধন ব্যবহার করে থাকে। বিদেশী কসমেটিকসের ওপর সবারই আকর্ষণ থাকে। ব্যবসায়ীরা এটি ভাল বোঝে। এই চাহিদাটিকেই কাজে লাগায় অসাধু ব্যবসায়ী। তারা রীতিমতো নকল প্রসাধনীর কারখানা খুলে বসে। রাজধানীতে মাঝেমধ্যে এমন কারখানা ‘আবিষ্কার’ করে র‌্যাব। চকবাজারে এমনই একটি কারখানার সন্ধান মিলেছিল কিছুকাল আগে, যেখানে তৈরি হতো ল্যাকমে, ট্রেসেমি, জনসন তথা বিদেশী ব্র্যান্ড কোম্পানির প্রসাধনী! ভুয়া বারকোডও সংযুক্ত হতো। নকল প্রসাধনী ডবল ক্ষতিকারক। একজন ক্রেতা পয়সা খরচ করে পেলেন রদ্দি মাল। তারপর সেটি ব্যবহার করে ত্বককে করে তুললেন স্বাস্থ্যগত দিক দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ। তবে নকল ওষুধ সেবন করার তুলনায় এটি অবশ্য কম বিপজ্জনক। নকল-ভেজাল ওষুধে প্রাণনাশের আশঙ্কা থাকে, আর নকল প্রসাধনে চামড়া জ্বলে যাবার। যা হোক, রূপচর্চায় বিদেশী নামী-দামী ব্র্যান্ডের প্রসাধনীর চাহিদা বেশ। এসব নামী ব্র্যান্ডের মোড়ক ব্যবহার করে ভেজাল প্রসাধনী তৈরি হয় কেরানীগঞ্জের বিভিন্ন কারখানায়। পরে সেগুলো চকবাজারের গুদামে পুরে রাখা হয়। সেখান থেকে ছড়িয়ে পড়ে রাজধানীর নামী বিপণিবিতান, সুপারশপ থেকে শুরু করে বিভিন্ন শহর ও মফস্বলের দোকানে। চকবাজারে এমন তিনটি গুদাম এবং বিভিন্ন দোকানে গত মঙ্গলবার অভিযান চালায় র‌্যাব। ভেজাল পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাত করার দায়ে ১০ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড এবং ৪৮ লাখ টাকা জরিমানা করেন র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। গুদাম ও দোকানগুলো সিলগালা করে দেয়া হয়েছে। র‌্যাব-১০ ও মান নিয়ন্ত্রণ সংস্থা বিএসটিআইয়ের যৌথ উদ্যোগে অভিযানে নকল প্রসাধনী ছাড়াও গুদামে শিশু ও বয়স্কদের ডায়াপার, স্যানিটারি ন্যাপকিনসহ এমন কিছু পণ্য পাওয়া গেছে, যার কোনটিরই মেয়াদ ছিল না। এসব পণ্যে নতুন করে মেয়াদ বসিয়ে বাজারজাত করা হয়।

নকল পণ্য বিক্রি বন্ধে বিক্রেতারাই যে ভাল ভূমিকা রাখতে পারেন, সে কথা বলাই বাহুল্য।

১৪ জুলাই ২০১৯

marufraihan71@gmail.com