২২ আগস্ট ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

দলে সুযোগ সন্ধানীদের চিহ্নিত করতে হবে ॥ হাছান মাহমুদ

স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম অফিস ॥ তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেন, দলে বহু সুযোগ সন্ধানী ঢুকেছে। ঢুকেছে অনেক অনুপ্রবেশকারী। এসব সুযোগ সন্ধানী ও অনুপ্রবেশকারীকে চিহ্নিত করতে হবে। তথ্যমন্ত্রী বলেন, ৩৮ বছর ধরে জননেত্রী শেখ হাসিনা এদেশের জনগণের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে কাজ করছেন।

বুধবার চট্টগ্রামের জামালখানে একটি কমিউনিটি সেন্টারে মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত গণতন্ত্র বন্দী দিবসের আলোচনা সভায় তথ্যমন্ত্রী একথা বলেন। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ পর পর তিনবার রাষ্ট্র ক্ষমতায়। জননেত্রী শেখ হাসিনা মৃত্যুর মুখে থেকেও পিছ পা হননি, বিচলিত হননি। আওয়ামী লীগের দুঃসময়ে একুশ বছর যারা বুকে পাথর চাপা রেখে দলের জন্য ত্যাগ করে গেছেন তাদের নেতৃত্বে আনতে হবে। আওয়ামী লীগের দরকার এসব কর্মীদের। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ অনেক বড় সংগঠন। অনেকে আওয়ামী লীগে যোগ দেবে। যোগ দিয়ে দল করার অধিকার থাকবে। কিন্তু সবার পদ পদবি পাওয়ার অধিকার নেই। অনুষ্ঠানে সিটি মেয়র ও নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দিন বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর যারা দলে সম্পৃক্ত হয়েছেন তারা দুঃসময়ে ছিলেন না। আজ দলের সুদিন হয়েছে। এ সুদিন নাও থাকতে পারে। দলের দুঃসময়ের জন্য তাই প্রস্তুত থাকতে হবে। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী, সহ-সভাপতি নঈমউদ্দিন চৌধুরী, এ্যাডভোকেট সুনীল সরকার, এ্যাডভোকেট ইব্রাহিম হোসেন বাবুল প্রমুখ।

বিদেশী চ্যানেলে বিজ্ঞান বন্ধে কাজ চলছে ॥ এর আগে মঙ্গলবার রাতে নগরীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে টিভি জার্নালিস্টস এ্যাসোসিয়েশন চট্টগ্রামে নতুন কার্যকরি কমিটির অভিষেক ও প্রীতি সম্মিলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, গণমাধ্যমে অনেক সমস্যা আছে। এ সমস্যা সমাধানে বর্তমান সরকার কাজ করছে। দেশের টেলিভিশন শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে যা যা দরকার সরকার তা-ই করছে। তথ্যমন্ত্রী বলেন, টেলিভিশনের সংখ্যা বাড়লেও বাড়েনি আয়ের উৎস। দেশের বিজ্ঞাপনের বড় অংশই বিদেশী চ্যানেলে ছিল, যা দেশীয় টিভি মালিকদের জন্য ক্ষতিকর। তাই বিদেশী চ্যানেলে বিজ্ঞাপন বন্ধে কাজ চলছে। মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের গণমাধ্যমে গত দশ বছরে অনেক বিকাশ হয়েছে। অনেক বেশি উন্নতি হয়েছে ইলেকট্রনিক মিডিয়ায়। দশ বছর আগে দেশে টেলিভিশনের সংখ্যা ছিল মাত্র ১০টি। বর্তমানে এ সংখ্যা ৩৪। এছাড়া সম্প্রসারে আসার অপেক্ষায় আছে আরও বেশ কয়েকটি।