১৯ আগস্ট ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

সরকারের বাস্তবমুখী পদক্ষেপে দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ ॥ স্পিকার

সরকারের বাস্তবমুখী পদক্ষেপে দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ ॥ স্পিকার

অনলাইন ডেস্ক ॥ ক্ষুধামুক্ত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে বর্তমান সরকার কাজ করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় সরকারের বাস্তবমুখী পদক্ষেপের কারণে দেশ আজ খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

সোমবার ‘জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০১৯’ উপলক্ষে জাতীয় সংসদ ভবন লেকে পোনা অবমুক্তকরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীন মৎস্য অধিদপ্তরের উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের গণসংযোগ শাখার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

স্পিকার বলেন, বিগত দুই মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ মৎস্য চাষে সফলতা লাভ করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ বর্তমানে মৎস্য উৎপাদনে বিশ্বে চতুর্থ স্থানে রয়েছে। এধারা অব্যাহত থাকলে মৎস্য উৎপাদনে বাংলাদেশ ভবিষ্যতে আরও এগিয়ে যাবে। সরকারের বাস্তবমুখী পদক্ষেপের কারণে বাংলাদেশ আজ খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ। ক্ষুধামুক্ত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে বর্তমান সরকার কাজ করছে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী আশরাফ আলী খান খসরুর সভাপতিত্বে পোনা অবমুক্তকরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চিফ হুইপ নূর-ই- আলম চৌধুরী। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু সাইদ মো. রাশেদুল হক।

অনুষ্ঠানে স্পিকার আরো বলেন, পুষ্টি চাহিদা পূরণে মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সে লক্ষ্যে বর্তমান সরকার নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। সরকার মৎস্যজীবীদের কল্যাণে ব্যাপক কর্মসূচি নিয়েছে। মৎস্য চাষ সম্পর্কে সবাইকে সচেতন করার পাশাপাশি মৎস্য সম্পদের সংরক্ষণ ও উৎপাদন বৃদ্ধিতে মৎস্য সপ্তাহ অবদান রাখছে।

এসময় তিনি ‘জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০১৯’ উপলক্ষে জাতীয় সংসদ ভবন লেকে পোনা অবমুক্তকরণের উদ্বোধন করেন।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি এ বি তাজুল ইসলাম, রেলপথ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী, সাবেক চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় ‘জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০১৯’ এর ‘মৎস্য চাষে গড়বো দেশ, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ’ এই মূল প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সংসদ ভবন লেকে তিন প্রজাতির ১০ হাজার পোনা অবমুক্ত করা হয়। এর মধ্যে কাতলা দুই হাজার ৫০টি, রুই চার হাজার ২০০টি এবং মৃগেল তিন হাজার ৭৫০টি। মৎস্য অধিদপ্তর থেকে পর্যায়ক্রমে সংসদ ভবন লেকে আরও ২০ হাজার পোনা অবমুক্ত করা হবে।