১৯ আগস্ট ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

নির্ধারিত সীমানার বাইরে পশুরহাট নয় : আছাদুজ্জামান মিয়া

নির্ধারিত সীমানার বাইরে পশুরহাট নয়  : আছাদুজ্জামান মিয়া

অনলাইন রিপোর্টার ॥ আসন্ন ঈদ-উল-আজহা উপলক্ষে ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় নির্ধারিত সীমানার বাইরে পশুরহাট বসাতে দেওয়া হবে না। এছাড়া ঈদকেন্দ্রিক কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা হাতে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া।

সোমবার ডিএমপি সদর দফতরে আসন্ন ঈদ-উল-আজহা উপলক্ষে কোরবানির পশুরহাটের নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত এক সমন্বয় সভায় একথা জানান তিনি।

তিনি বলেন, সবার সঙ্গে সমন্বয় করে কোরবানির পশুরহাটের ব্যবস্থাপনা করতে হবে। ঢাকা শহরে অনুমোদিত প্রত্যেকটি পশুরহাটে থাকবে পুলিশের কঠোর নজরদারি। পশুবাহী ট্রাক যেখানে যেতে চাইবে তাকে সেখানে যেতে দিতে হবে। কোনো অবস্থায় তাকে বাধা দেওয়া যাবে না।

‘প্রত্যেকটি ট্রাক তার গন্তব্য স্থানের নাম বড় করে ব্যানার বানিয়ে ট্রাকের সামনে ঝুলিয়ে দেবে। কোনোভাবেই এক হাটের পশু অন্য হাটে জোর করে নামানো যাবে না। যদি এমন কেউ করে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।’

কমিশনার আরও বলেন, নির্ধারিত হাসিলের অতিরিক্ত আদায় করা যাবে না। হাসিলের টাকার হার বড় ব্যানারে প্রকাশ্যে ঝুলিয়ে রাখতে হবে। বাইরের ভ্রাম্যমাণ দোকান ও হকার হাট এলাকায় ঢুকতে পারবে না। ইজারাদাররা নির্দিষ্ট খাবার দোকান ঠিক করে দেবেন।

এছাড়া প্রত্যেক পশুরহাটে পর্যাপ্ত সংখ্যক সাদা পোশাক ও ইউনিফর্মে পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবে। নির্ধারিত সীমানার বাইরে কোনো অননুমোদিত হাট বসতে দেওয়া হবে না। প্রত্যেক হাটে থাকবে পুলিশের কন্ট্রোলরুম ও ওয়াচ টাওয়ার। জাল টাকা শনাক্তকরণের জন্য পুলিশ কন্ট্রোলরুমে থাকবে জাল টাকা শনাক্তকরণ মেশিন।

ঈদ-উল-আজহাকেন্দ্রিক কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, পশুরহাটকেন্দ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা, মানি এস্কর্ট ও জালনোট শনাক্তকরণ এবং চামড়া ক্রয়-বিক্রয় ও পাচার রোধে পুলিশ তৎপর থাকবে। এছাড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যে স্বর্ণের দোকান, মার্কেট, ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠানকেন্দ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা, বাস ও লঞ্চ টার্মিনাল, রেলওয়ে স্টেশনকেন্দ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং ঈদ পরবর্তী নানারকম নিরাপত্তা ব্যবস্থা হাতে নেওয়া হয়েছে।

২০১৯ সালের ঈদ-উল-আজহায় ঢাকা মহানগরে অনুমোদিত পশুরহাট থাকবে মোট ২৭টি। যার মধ্যে দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৫টি, উত্তর সিটি করপোরেশনে রয়েছে ১১টি পশুরহাট এবং ক্যান্টমেন্ট বোর্ডের অনুমোদনে একটি পশুর হাট থাকবে।