২৩ আগস্ট ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

এবছর কৃষি ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২৪ হাজার ১২৪ কোটি টাকা

এবছর কৃষি ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২৪ হাজার ১২৪ কোটি টাকা

অনলাইন ডেস্ক ॥ আজ মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের জাহাঙ্গীর আলম কনফারেন্স হলে কৃষি ও পল্লী ঋণ নীতিমালা (লক্ষ্যমাত্রা) ঘোষণাকালে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এসএম মনিরুজ্জামান বলেন, পরিবেশবান্ধব টেকসই কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলার মাধ্যমে জনগণের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা ও কৃষকদের কাছে কৃষিঋণ সহজলভ্য করতে নীতিমালা সময়োপযোগী করা হয়েছে।

তিনি বলেন, এবছর ব্যাংকগুলোর জন্য কৃষি ও পল্লী ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২৪ হাজার ১২৪ কোটি টাকা, যা গত অর্থবছরের চেয়ে ২ হাজার ৩২৫ কোটি টাকা বা ১০ দশমিক ৬৬ শতাংশ বেশি। চলতি অর্থবছরে সরকারি বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর কৃষিঋণ বিতরণ করতে হবে ১০ হাজার ৩৭৫ কোটি টাকা। বেসরকারি ও বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর বিতরণ লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১৩ হাজার ৭৪৯ কোটি টাকা।

এসএম মনিরুজ্জামান বলেন, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে কৃষিঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ২১ হাজার ৮শ’ কোটি টাকা। ব্যাংকগুলো বিতরণ করেছে ২৩ কোটি টাকা, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে আট শতাংশ বেশি।

তিনি বলেন, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ৩৮ লাখ ৮৩ হাজার ৪২৪ জন কৃষক ২৩ হাজার ৬১৬ কোটি ২৫ লাখ টাকার ঋণ পেয়েছেন। ব্যাংকগুলোর নিজস্ব নেটওয়ার্ক ও এমএফআই লিঙ্কেজের মাধ্যমে ১৬ লাখ ১ হাজার ৮৫৬ জন নারী ৭ হাজার ১৯০ কোটি ৫৫ লাখ টাকা ঋণ পেয়েছেন। একই সময়ে, ২৯ লাখ ৮৯ হাজার ২৩৭ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষক ১৬ হাজার ৩২২ কোটি ৮৭ লাখ টাকা ঋণ পেয়েছেন। চর, হাওর ও অনগ্রসর অঞ্চলের ৯ হাজার ৯৫০ জন কৃষক ৩১ দশমিক ৬১ কোটি টাকা ঋণ পেয়েছেন।

ডেপুটি গভর্নর বলেন, কৃষি ও পল্লী ঋণের সুদের হার ৯ শতাংশ অপরিবর্তিত রয়েছে। তবে, বেসরকারি ব্যাংকগুলোর এনজিও-নির্ভরতা কমিয়ে আনতে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে কৃষিঋণ বিতরণ কার্যক্রম জোরদার করা হবে। কারণ, এনজিওর মাধ্যমে কৃষিঋণ পেতে কৃষকের ২৫ থেকে ২৭ শতাংশ সুদ দিতে হয়।

তিনি বলেন, বিদেশি ফল রামবুটান ও কাজুবাদাম চাষে কৃষকদের উৎসাহী করতে এর চাষে ঋণ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে নীতিমালায়। পাঁচ একর পর্যন্ত জমিতে ফল দু’টি চাষের জন্য একর প্রতি ঋণসীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ৭৬ হাজার ১৫০ টাকা ও ৬৫ হাজার টাকা।

নতুন নীতিমালায় অগ্রাধিকারভিত্তিতে ৬০ শতাংশ শস্য খাতে ও ন্যূনতম ১০ শতাংশ করে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে বিতরণের বাধ্যবাধকতা বহাল থাকছে। এছাড়া, কৃষি যন্ত্রপাতি, দারিদ্র্য বিমোচন ও অন্য খাতে বাকি অর্থ বিতরণ করতে হবে।