২১ আগস্ট ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ স্কোয়াশের সোহেল হামিদের বিরুদ্ধে!

অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ স্কোয়াশের সোহেল হামিদের বিরুদ্ধে!

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ স্কোয়াশ এ্যান্ড র্যা কেটস ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হামিদ সোহেলের বিরুদ্ধে ভয়াবহ আর্থিক অনিয়ম ও মারাত্নক দুর্নীতির অভিযোগ তুলছেন সেই ফেডারেশনরই সদস্য হেদায়েত উল্লাহ তুর্কী। বুধবার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন সময়ে ক্রীড়া পরিষদ প্রদত্ত অর্থ ভুয়া বিল ভাউচারের মাধ্যমে আত্মসাত করেছেন সোহেল হামিদ। ক্রীড়া পরিষদ থেকে বছরে চার লাখ টাকা দিলেও ফেডারেশনের তালা খোলা হয় না। অফিস পিয়ন গোপালকে নিজের পারিবারিক কাজে লাগান।’ কেবল তুর্কীই নন, সাবেক চ্যাম্পিয়ন ভোলা লাল চৌহান, কমান্ডার (অব.) এমএ গনি ও গুলশান ক্লাবের সহ-সভাপতি জোবায়ের আহমেদও এমন অভিযোগ করেন। সেই সঙ্গে সোহেল হামিদকে তার পদ থেকে সরিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করতে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের কাছে অনুরোধ জানান তারা।

স্কোয়াশ ফেডারেশন গঠন হওয়ার আর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি। গত ১৬ বছর ধরে ফেডারেশনের সাধারন সম্পাদক পদে রয়েছেন সোহেল হামিদ। এই সময়ের মধ্যে তিনি এই আর্থিক অনিয়ম ও দুর্নীতি করেছেন বলে অভিযোগ করেন তুর্কী। সোহেলের প্রতিটি অনৈতিক কাজকে সমর্থন দিয়েছেন ক্রীড়া পরিষদের বাজেট অফিসার তাইজুল ইসলাম। তুর্কী আরও বলেন, ‘২০১৯ সালে ঝিনাইদহ ও ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজে দু’দিনের প্রশিক্ষণ করিয়ে ক্রীড়া পরিষদে ভুয়া বিল-ভাউচার দেয়া হয়েছে। খেলোয়াড়দের নামের তালিকা এবং সই জাল করে এ ভাউচার তৈরি করা হয়। এ কাজে সহযোগিতা করে তাইজুল ইসলাম দেড় লাখ টাকা পান। যা ওইদিনের আমার, সোহেল হামিদ ও তাইজুলের মোবাইল কল রেকর্ড শুনলেই বোঝা যাবে।’

নেপাল এসএ গেমসের ক্যাম্প নিয়ে অভিযোগ করে তুর্কী বলেন, ‘অলিম্পিক এ্যাসোসিয়েশন থেকে খেলোয়াড়দের দৈনিক ভাতা বাবদ ৬০০ এবং খাবার বাবদ ২৭৫ টাকা দেয়া হয়। অথচ খেলোয়াড়দের সর্বসাকুল্যে ৪০০ টাকা দিয়েও সেখান থেকে খাবার ও স্কোয়াশের বল বাবদ টাকা কেটে রাখা হয়, যা অত্যন্ত গর্হিত কাজ।’ এসব অভিযোগ অস্বীকার করে সোহেল হামিদ বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে আনা এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন ও ষড়যন্ত্রমূলক। কারণ যে প্রতিভা অন্বেষণের কথা বলা হয়েছে, তা এখনও চলমান। ফলে ক্রীড়া পরিষদে কোন বিল ভাউচার দেয়া হয়নি। তাছাড়া ক্যাম্পের বয়স এখন মাত্র দু’সপ্তাহ। তাই খেলোয়াড়দের কাছ থেকে টাকা কেটে রাখার কোন প্রশ্নই আসে না।’ তিনি যোগ করেন, ‘আমি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক পদে এসেছি ২০১১ সালে। কেউ জোর করে কোন পদে থাকতে পারে না। তাই আমিও চাই তদন্ত হোক।’

নির্বাচিত সংবাদ