২১ আগস্ট ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

অভিবাসীদের জীবন কঠিন করল ট্রাম্প

অভিবাসীদের জীবন কঠিন করল ট্রাম্প

অনলাইন রিপোর্টার ॥ যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত অপেক্ষাকৃত বিত্তহীন বৈধ অভিবাসীদের ভিসার মেয়াদ বাড়ানো কিংবা স্থায়ী বাসিন্দা (গ্রিন কার্ড) হওয়ার পথ আরো কঠিন করছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন।

এক বছরের বেশি সময় ধরে যেসব অভিবাসী সরকারি সুবিধা, যেমন—খাদ্য সহায়তা অথবা সরকারি বাসভবনে থাকার সুবিধা নিচ্ছেন, তাঁরাই ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন নিয়মের আওতায় পড়বেন।

প্রয়োগের অপেক্ষায় থাকা নতুন নিয়ম অনুযায়ী, মার্কিন সরকার যদি মনে করে, কোনো অভিবাসী ভবিষ্যতেও সরকারি সহায়তা নেওয়া অব্যাহত রাখবে, তাহলে সে অভিবাসীর ভিসার মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন কিংবা গ্রিন কার্ড পাওয়ার আবেদনপত্র বাতিল হয়ে যাবে।

অভিবাসীদের ‘স্বনির্ভর’ হতে উদ্বুদ্ধ করতেই এ নিয়ম চালু করা হচ্ছে। নতুন এ নিয়মটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘পাবলিক চার্জ রুল’। গতকাল সোমবার মার্কিন ফেডারেল রেজিস্টারে রুলটি প্রকাশিত হয়। আগামী ১৫ অক্টোবর থেকে নিয়মটি কার্যকর হবে।

কারা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন?

যেসব অভিবাসী এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি পেয়ে গেছেন, নতুন এই নিয়মের ফলে তাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন না বলেই ধারণা করা হচ্ছে। পাশাপাশি শরণার্থী ও রাজনৈতিক আশ্রয়প্রার্থীদের জন্য নতুন নিয়মটি প্রযোজ্য হবে না।

তবে যেসব অভিবাসী তাঁদের ভিসার মেয়াদ বাড়াতে চান কিংবা গ্রিন কার্ড বা যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্বের মেয়াদ বাড়াতে চান, তাঁরা এই নতুন নিয়মের আওতায় পড়বেন।

এ ছাড়া যেসব অভিবাসনপ্রত্যাশী নিজেকে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ উপার্জনক্ষম প্রমাণে ব্যর্থ হবেন কিংবা যেসব অভিবাসনপ্রত্যাশী অন্যান্য সরকারি সহায়তা, যেমন—স্বাস্থ্যসেবা অথবা বাসস্থান সহায়তার ওপর নির্ভরশীল থাকবেন বলে মনে হবে, তাঁদের যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকতে দেওয়া হবে না। এমনকি যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত অভিবাসীরাও নতুন নিয়মের আওতায় পড়বেন।

এক পরিসংখ্যানে জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রে নাগরিকত্ববিহীন অবস্থায় বসবাস করছেন দুই কোটি ২০ লাখ অভিবাসী। নতুন এই নিয়মের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কায় আছেন এসব অভিবাসী।

মার্কিন মানবাধিকার সংস্থাগুলোর দাবি, নতুন নিয়মে স্বল্প-আয়ের অভিবাসীদের অন্যায়ভাবে টার্গেট করা হয়েছে। নতুন নিয়ম চালু বন্ধ করতে ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা করবে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় অভিবাসন আইন কেন্দ্র।

নির্বাচিত সংবাদ