২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

এবার কাশ্মিরে নির্বাচনের উদ্যোগ

এবার  কাশ্মিরে নির্বাচনের উদ্যোগ

অনলাইন ডেস্ক ॥ সায়ত্ত শাসন বাতিল ও দুটি আলাদা কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলে ভাগ করার পর কাশ্মিরে নির্বাচনের উদ্যোগ নিয়েছে ভারত। এ লক্ষ্যে নতুন পাশ হওয়া জম্মু কাশ্মির পুনর্গঠন আইনের সীমা খতিয়ে দেখা শুরু করেছে দেশটির নির্বাচন কমিশন। মঙ্গলবার এ সংক্রান্ত প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেশটির সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দু জানিয়েছে, আগামী বছরের মার্চে কাশ্মিরের বিধানসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।

কাশ্মিরের বিধানসভা ভেঙে যাওয়ার পর বর্তমানে রাষ্ট্রপতির শাসন চলছে সেখানে। এরই মধ্যে গত ৫ আগস্ট (সোমবার) ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিলের মধ্য দিয়ে কাশ্মিরের স্বায়ত্তশাসনের অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়। এছাড়া জম্মু-কাশ্মিরকে কেন্দ্রশাসিত দুটি আলাদা অঞ্চলে পরিণত করতে পার্লামেন্টে অনুমোদন পাওয়া একটি বিলে সম্মতি দিয়েছেন দেশটির রাষ্ট্রপতি। ভারত সরকারের এই সিদ্ধান্তের মধ্যে কাশ্মিরের দোকান, স্কুল, কলেজ ও অফিস বন্ধ রাখা হয়েছে। কোনও গণপরিবহন নেই। ইন্টারনেট-মোবাইল পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়েছে। কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে ঘিরে রাখা জনশুণ্য রাস্তায় টহল দিচ্ছে সশস্ত্র সেনারা।

অবরুদ্ধ কাশ্মিরে নতুন বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে মঙ্গলবার অভ্যন্তরীণ বৈঠক করেছে ভারতের নির্বাচন কমিশন। নতুন পাশ হওয়া কাশ্মির পুনর্গঠন আইন অনুযায়ী নতুন বিধানসভা শক্তিশালী করাসহ নানা বিষয় খতিয়ে দেখা হয় এই বৈঠকে। নির্বাচন কমিশনের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এই নির্বাচনের বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার অপেক্ষায় রয়েছে তারা।

নির্বাচন কমিশনের একটি সূত্র জানিয়েছে, পুনর্গঠন আইন অনুযায়ী নতুন বিধানসভার ১১৪টি আসন থাকবে। এর মধ্যে ২৪টি আসন পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মিরের অধীনে পড়ায় সেগুলো শুন্য থাকবে। এর ফলে ৯০টি আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। পুরনো বিধানসভার আসন সংখ্যা ছিল ১১১টি। তখনও পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মিরের অধীনে থাকা ২৪টি আসন শুন্য ধরা হতো। এর মধ্যে চারটি আসন ছিল লাদাখ অঞ্চলে। পুনর্গঠন আইনে লাদাখকে আলাদা কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলে পরিণত করার ফলে এবার কাশ্মিরে অতিরিক্ত সাতটি আসনে নির্বাচন আয়োজন করতে হবে। জম্মু কাশ্মিরের কোন অঞ্চলে এই নতুন সাতটি আসন তৈরি করা হবে সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে নির্বাচন কমিশনকে।