২৫ আগস্ট ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ভারতের অর্থনীতি নিয়ে আম্বানির সতর্কতা যে বার্তাটি দেয়

  • কাশ্মীরে বিনিয়োগের ঘোষণা

ভারতের শীর্ষ মুকেশ আম্বানি তার দেশের অর্থনীতি নিয়ে কিছুটা উদ্বিগ্ন বলে ধারণা করা হচ্ছে। যদিও তিনি মুখে এ বিষয়ে বিশেষ কিছু বলেননি। তবে তার শরীরী ভাষায় প্রকাশ ধরা পড়েছে উদ্বেগের বিষয়টি। সোমবার রিলায়েন্স গ্রুপের বার্ষিক সভায় তিনি বক্তব্য রাখেন। তিনি কাশ্মীরেও বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছেন। ব্লুমবার্গ।

ভারতের প্রধানন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আগামী পাঁচ বছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৫ শতাংশ বাড়িয়ে ৫ ট্রিলিয়ন ডলারে নিয়ে যাওয়ার যে ঘোষণা দিয়েছেন আম্বানি তার সঙ্গে সহমত পোষণ করেন। শুধু সহমত নয় আম্বানি মনে করেন ২০৩০ সালের মধ্যে তার দেশের জিডিপি ১০ ট্রিলিয়ন ডলারে নিয়ে যাওয়া সম্ভব। তার প্রতিষ্ঠান গত সাত বছরে তেল শোধন, পেট্রোকেমিক্যাল, টেলিকম ও খুচরা ব্যবসায়ে ১শ’ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে। ওই সভায় শেয়ারহোল্ডারদের তিনি উচ্চহারে লভ্যাংশ দেয়ার ঘোষণা দেন। তবে একই সঙ্গে তিনি বিনিয়োগের ওপর লভ্যাংশ পেতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হবে বলেও জানান। ভারতের অনেক ব্যবসায়ী ধারণা করছেন, দেশের অর্থনীতি মন্দার দিকে ধাবিত হচ্ছে বলেই আম্বানির কথায় ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। যদিও আম্বানি উদ্বেগের কথা সেভাবে বলেননি। কিন্তু তার পুরোপুরি বাচনভঙ্গী থেকে সতর্কতার বিষয়টি ধরা পড়ে। তিনি এদিন নবগঠিত ইউনিয়ন টেরিটরিজ অব জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখে বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দেন। এছাড়া জম্মু ও কাশ্মীরে পরিস্থিতি অনুসন্ধানের জন্য বিশেষ টাস্কফোর্স গঠনেরও ঘোষণা দেন বিশ্বের অন্যতম এই ধনী ব্যবসায়ী। কাশ্মীরে বাইরে অন্য কারও ভূমিসহ অন্যান্য সম্পদ কেনার পথে যে বাধা ছিল তা দূর করা হয়। রিলায়েন্স গ্রুপের ‘অয়েল টু কেমিক্যালস’ (ওটিসি) বিভাগের ২০ শতাংশ শেয়ার কেনার আগ্রহ প্রকাশ করেছে সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আরামকো। সোমবার রিলায়েন্স গ্রুপের বার্ষিক সাধারণ সভায় কোম্পানির চেয়ারম্যান মুকেশ আম্বানি জানান, শেয়ার কিনে নিয়ে ভারতে সাড়ে সাত হাজার মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করতে যাচ্ছে সৌদি প্রতিষ্ঠানটি। আম্বানি বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অনুরোধে তিনি কাশ্মীর ও লাদাখের জনগণের পাশে দাঁড়াবেন। সামনের দিনগুলোতে তাদের নিয়ে বেশ কয়েকটি ঘোষণা আসবে। ৫ আগস্ট ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিলের মধ্য দিয়ে কাশ্মীরের স্বায়ত্তশাসনের অধিকার কেড়ে নেয় বিজেপি নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকার।

নির্বাচিত সংবাদ