১৮ আগস্ট ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

শেষ মুহূর্তেও ট্রেনে সিডিউল বিপর্যয়

স্টাফ রিপোর্টার ॥ এবারের ঈদ যাত্রায় শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত সড়কপথে উত্তরের পথে দুর্ভোগ থাকলেও বাদবাকি মহাসড়ক ছিল যানজটমুক্ত। রেলপথে সিডিউল বিপর্যয় রোধ করা সম্ভব হয়নি। বিলম্বের কারণে অনেক ট্রেনযাত্রা বাতিল করা হয়েছে। নৌ-পথে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ অনেকটা নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পেরেছেন। তীব্র ¯্রােতের কারণে ফেরিঘাটগুলোতেও কমবেশি দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে ঘরে ফেরা মানুষের। ঈদ শেষে সড়ক পরিবহন মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, এবারের ঈদযাত্রা মোটামুটি স্বস্তিদায়ক হয়েছে। এদিকে ঈদ শেষে ফের ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছেন নগরবাসী। তেমনই এখনও বাড়িমুখো মানুষের চাপ রয়েছে। বুধবার দিনভর থেমে থেমে বৃষ্টির মধ্যেও টার্মিনালগুলোতে কর্মস্থলে ফেরা মানুষের ভিড় ছিল। তবে সড়কপথে বাড়তি ভাড়া নেয়ার অভিযোগ করেছেন যাত্রীরা। ঈদ শেষে এখনও জমে ওঠেনি ঢাকা। পুরোদমে চালু হয়নি দোকানপাট, মার্কেটসহ কাঁচাবাজার। ফাঁকা রাজধানী। কোন রকম সিগন্যাল ছাড়াই চলছে যানবাহন। গণপরিবহনের সঙ্কটের মধ্যে অনেক সড়কে রিক্সাই একমাত্র ভরসা।

টাঙ্গাইলের এলেঙ্গা থেকে রংপুর পর্যন্ত চারলেনের কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত উত্তরের পথে ভোগান্তির অবসান হবে না বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, এবারের ঈদে কোরবানির পশুর কাঁচা চামড়ার দাম কমার পেছনে ‘সিন্ডিকেটের কারসাজি’ রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। বুধবার সচিবালয়ে ঈদের ছুটি শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের যানজট আপাতত সহনীয় রাখতে নলকাসহ দু’টি ব্রিজের সংস্কার ও ‘সিরিয়াসলি’ বিকল্প চিন্তা-ভাবনা করা হচ্ছে বলে জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, এবারের ঈদযাত্রা মোটামুটি স্বস্তিদায়ক হয়েছে। তবে একটা রুট দু’দিন খুবই দুর্ভোগের কারণ হয়েছিল। সড়কে এবং টার্মিনালেও অপেক্ষমাণ যাত্রীরা দুর্ভোগের শিকার হয়েছিল টাঙ্গাইল রুটে। এখানে সমস্যাটি হচ্ছে, যেটি আগে ঢাকা-চট্টগ্রামে ছিল। আমরা এবারের ভুল থেকে ভবিষ্যতে শিক্ষা নেব। এ ভুলের পুনরাবৃত্তি রোধে চারলেন হওয়ার আগে সেটা করব। এ ব্যাপারে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে এবং আমরা সিরিয়াসলি বিষয়টা দেখছি।

মন্ত্রী বলেন, উত্তরবঙ্গে এমনিতেই গার্মেন্টসকর্মীসহ শেষ দিকে ভিড়টা এমন যে তখন চাপ মোকাবেলা করা খুব কঠিন। চারলেন থেকে যখন দুই লেনে চাপটা যায় তখন লম্বা টেইলব্যাক সৃষ্টি হয় এবং টেইলব্যাকটা আরও লম্বা হয় যখন ধৈর্যহারা হয়ে চালকরা গাড়ি উল্টোপথে নিয়ে যায়।