২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

আবাহনীর বিরুদ্ধে খেলতে কোরিয়ার এপ্রিল টুয়েন্টি ফাইভ এখন ঢাকায়

আবাহনীর বিরুদ্ধে খেলতে কোরিয়ার এপ্রিল টুয়েন্টি ফাইভ এখন ঢাকায়

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ এএফসি কাপের নকআউট পর্বে ঢাকা আবাহনী লিমিটেডের প্রতিপক্ষ উত্তর কোরিয়ার এপ্রিল টোয়েন্টি ফাইভ স্পোর্টস ক্লাব। তারা এখন ঢাকায়। শনিবার বিকেলে বিমানযোগে বাংলাদেশে পা রাখে তারা। আগামী ২১ আগস্ট কোরিয়ার দলটি আবাহনীকে মোকাবেলা করবে। খেলাটি অনুষ্ঠিত হবে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে, সন্ধ্যা পৌনে ৭টায়। পরে ২৮ আগষ্ট উত্তর কোরিয়ার পিয়ংইয়ংয়ে গিয়ে খেলবে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের রানার্সআপ আবাহনী।

গত ২ জুলাই মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে এএফসি কাপের নকআউট পর্বের ড্র অনুষ্ঠিত হয়। নকআউট পর্বে দু’দল হোম অ্যান্ড এ্যাওয়ে ভিত্তিতে খেলবে। এতদিন এএফসি কাপে দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলে একক রাজত্ব ছিল ভারতীয় ক্লাব বেঙ্গালুরু এএফসির। ২০১৭ সাল থেকে এই অঞ্চলের ক্লাবগুলোকে এএফসি কাপের প্রথম পর্বে নিজেদের মধ্যে খেলার সুযোগ করে দেয় এশিয়ান ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা। প্রথম দুবারই চ্যাম্পিয়ন হয়ে দ্বিতীয় পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছিল বেঙ্গালুরু। এবারই ভারতের দুই ক্লাবকে পেছনে ফেলে তাদের রাজত্ব দখল করে নিয়েছে বাংলাদেশের আবাহনী। ৬ ম্যাচে ৪ জয় ও ১ ড্রয়ের বিপরীতে একটি মাত্র ম্যাচ হেরে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ পর্বে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ‘দ্য স্কাই ব্লু ব্রিগেড’ খ্যাত আবাহনী।

আন্তঃ আঞ্চলিক সেমিফাইনালে আবাহনীর প্রতিপক্ষ এপ্রিল টুয়েন্টি ফাইভ ক্লাবের পারফরমেন্স ছিল আরও দুর্দান্ত। ৬ ম্যাচে ৫ জয়ের বিপরীতে তারা ম্যাচ হারে মাত্র একটি। বিস্ময়কর ব্যাপার-এই ক্লাবটিতে নেই কোনো বিদেশি খেলোয়াড়! প্রথম পর্বে দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৬ গোল করেছেন স্ট্রাইকার কিম ইউ সং।

তবে এই ক্লাবটি বাংলাদেশের ফুটবলে খুব অপরিচিত প্রতিপক্ষ নয়। এই দলটির বিপক্ষে অতীতে জয়ের রেকর্ড আছে। ১৯৮৮ সালে সে সময়ের এশিয়ান ক্লাব কাপ চ্যাম্পিয়নশিপের সেমিফাইনাল পর্বে এই ক্লাবকেই ১-০ গোলে হারিয়েছিল মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। মালয়েশিয়ার পাহাংয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছিল ম্যাচটি। মোহামেডানই ১৯৯০ এশিয়ান ক্লাব কাপের চূড়ান্তপর্বে গোলশূন্য ড্র করেছিল ক্লাবটির সঙ্গে। ১৯৯১ সালের জুলাইয়ে ঢাকায় অনুষ্ঠিত চূড়ান্তপর্বে এপ্রিল টুয়েন্টি ফাইভ তৃতীয় স্থান অধিকার করেছিল। ইন্টার জোন সেমিফাইনালে বিজয়ী দু’দল খেলবে ইন্টার জোন প্লে-অফ ফাইনাল। এই ম্যাচের জয়ী দল চলে যাবে এএফসি কাপের ফাইনালে। ফাইনালে ওয়েস্ট জোনের একটি দল থাকবে। ওয়েস্ট জোনের ফাইনালের প্লে-অফে মুখোমুখি হবে জর্দানের আল জাজিরা ও লেবাননের আল আহেদ। ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২ নভেম্বর।