১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

এফআর টাওয়ারের মালিক তাসভীর গ্রেফতার

  • নক্সা জালিয়াতি

স্টাফ রিপোর্টার ॥ রাজধানীর বনানীর এফআর (ফারুক-রূপায়ণ) টাওয়ারের নক্সা জালিয়াতির অভিযোগে ভবনের অন্যতম মালিক ও কাসেম ড্রাইসেলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) তাসভীর-উল-ইসলামকে গ্রেফতার করেছে দুদক। রবিবার বেলা সাড়ে তিনটায় সেগুনবাগিচা এলাকা থেকে কমিশনের উপ-পরিচালক আবুবকর সিদ্দিকের নেতৃত্বে দুদকের একটি দল তাকে গ্রেফতার করে। দুদকের উপ-পরিচালক (জনসংযোগ) প্রণব কুমার ভট্টাচার্য জনকণ্ঠকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এফআর টাওয়ারে অগ্নিকা-ের ঘটনায় পুলিশের মামলায় এর আগে গ্রেফতার হয়েছিলেন তাসভীর-উল-ইসলাম। ওই মামলায় বর্তমানে জামিনে আছেন তিনি। এর আগে, গত ২৫ জুন নক্সা জালিয়াতির মাধ্যমে অবৈধ পন্থায় ১৬ থেকে ২৩ তলা ভবন নির্মাণের অভিযোগে এফআর টাওয়ারের মালিক, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) দুই চেয়ারম্যানসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করে দুদক। দুদক উপপরিচালক আবুবকর সিদ্দিক বাদী হয়ে এফআর টাওয়ারের দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১ মামলা দুটি দায়ের করে। কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির সভাপতি তাসভীরের বিরুদ্ধে মামলায় অভিযোগ করা হয় আর্থিক প্রতিষ্ঠান জিএসপি ফাইন্যান্স লিমিটেড (বাংলাদেশ) থেকে পাঁচ কোটি ৬৫ লাখ টাকা ঋণ নিয়ে অবৈধভাবে এফআর টাওয়ারের ২১, ২২ ও ২৩ তলা কিনেন। দুদকের অন্য মামলাটি করা হয়েছে এফআর টাওয়ারের ১৫ তলা পর্যন্ত নির্মাণের ক্ষেত্রে ইমারত বিধিমালা লঙ্ঘন এবং নক্সা জালিয়াতির মাধ্যমে ১৮ তলা পর্যন্ত বাড়ানোর অভিযোগে। এ মামলার পাঁচ আসামির মধ্যে এফআর টাওয়ারের মালিক ফারুক ও রূপায়ণের মুকুলও আসামি। বাকিরা হলেন- রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান হুমায়ূন খাদেম, সাবেক প্রধান প্রকৌশলী সাইদুর রহমান ও সাবেক অথরাইজড অফিসার সৈয়দ মকবুল আহমেদ।

দুদকের এক মামলায় রাজউকের ভুয়া ছাড়পত্রের মাধ্যমে এফআর টাওয়ারকে ১৯ থেকে বাড়িয়ে ২৩ তলা করা, ওপরের ফ্লোরগুলো বন্ধক দেয়া ও বিক্রি করার অভিযোগে ২০ জনকে আসামি করা হয়। ওই মামলার আসামির তালিকায় তাসভীর ছাড়াও এফআর টাওয়ারের মালিক এস এম এইচ আই ফারুক, রূপায়ণ গ্রুপের চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী খান মুকুলের নাম রয়েছে। তাসভীরের কোম্পানি ওই ভবনের ২১, ২২ ও ২৩ তলার মালিক। রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান কে এ এম হারুন, সাবেক সদস্য রেজাউল করিম তরফদার, সাবেক পরিচালক শামসুল আলম, বর্তমান তত্ত্বাবধায়ক মোফাজ্জল হোসেন, সহকারী পরিচালক শাহ সদরুল আলম, সাবেক প্রধান ইমারত পরিদর্শক মোঃ মাহবুব হোসেন সরকার, সাবেক ইমারত পরিদর্শক আওরঙ্গজেব সিদ্দিকী, সহকারী অথরাইজড অফিসার নজরুল ইসলাম, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক জাহানারা বেগম, সহকারী পরিচালক মেহেদউজ্জামান, নিম্নমান সহকারী মজিবুর রহমান মোল্লা ও অফিস সহকারী এনামুল হককেও আসামি করা হয়েছে এ মামলায়।