২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

কালাশনিকভে সুর তুলছেন...

কালাশনিকভে সুর তুলছেন...

২০০৬ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত ইরাক তখন ছিল যুদ্ধক্ষেত্র। মসুলের দখল নিয়ে চলছে লড়াই। সেই ভয়ানক সময়ে নিজের পরিবারকে রক্ষা করতে শিক্ষক মজিদ আব্দে নুর সংগ্রহ করেছিলেন একটি এ্যাসল্ট রাইফেল। কালাশনিকভ শ্রেণীর ওই বন্দুক তখন তার নিজেকে ও পরিবারকে রক্ষা করার অস্ত্র ছিল। নিজের চোখেই মজিদ দেখেছেন কিভাবে যুদ্ধের তীব্রতায় ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে সভ্যতা। কিভাবে হাজার হাজার মানুষের প্রাণ যাচ্ছে। কিভাবে দিনের পর দিন গৃহহীন হয়ে রয়েছেন আরও কয়েক লাখ সাধারণ মানুষ। তাই একটা সময়ের পর কাছে রাখা অস্ত্র দেখেই নিজের মধ্যে অস্বস্তি হতে শুরু করে মজিদের। প্রশ্ন জাগে মনে, কেন এই যুদ্ধ? কি হবে এই যুদ্ধে জিতে? কার উন্নতি হবে এজন্য? আর এই গোলাগুলি, বন্দুক, বুলেটের শব্দ শুনতে ভাল লাগছিল না তার। তাই সব কিছুকে সঙ্গীতে বদলে নিতে চেয়েছিলেন তিনি। তাই কাজ করতে থাকেন তিনি। বন্দুকে তার লাগিয়ে তৈরি করেন এক যন্ত্র। যে যন্ত্রে গুলির শব্দ নয়, এবার থেকে শুধু সুর শোনা যাবে। প্রথম থেকে তার এই পরিকল্পনাকে খুব একটা সহজভাবে নেননি কেউ। কামারের দোকানে গিয়ে রাইফেল দিয়ে বাদ্যযন্ত্র তৈরির পরিকল্পনার কথা তিনি বলেছিলেন, তখন দোকানদার খুব অবাক হয়েছিলেন। পরে ধীরে ধীরে পরিকল্পনার কথা তার বিশ্বাস হয়। তিনিই আকার-আকৃতি পাল্টে যন্ত্রের আকারে এটিকে গড়ে দেন। তারপর এতে তার লাগিয়ে সুর তোলেন মজিদ। -আজকাল