১৮ নভেম্বর ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই ঘন্টায়    
ADS

যশোরে দুর্যোগ সহনীয় ১৭৬ বাড়ি নির্মাণ

যশোরে দুর্যোগ সহনীয় ১৭৬ বাড়ি নির্মাণ

স্টাফ রিপোর্টার, যশোর অফিস ॥ সারাদেশে ন্যায় যশোরেও প্রথমবারের মতো দুর্যোগ সহনীয় বাড়ি নির্মাণ করে দিচ্ছে সরকার। দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রালয়ের মানবিক সহায়তায় কর্মসূচির আওতায় যশোরের ৮টি উপজেলার অসচ্ছল, ঘরহীন, নদীভাঙনসহ বিভিন্ন দুর্যোগে গৃহহীন পরিবার, বিধবা, তালাকপ্রাপ্ত মহিলা, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, মুক্তিযোদ্ধা পরিবারসহ ১৭৬টি পরিবার মধ্যে পাকা বাড়ি নির্মাণ করে দেওয়া হচ্ছে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম।

সূত্র মতে, যশোর জেলার শার্শা উপজেলায় ২৩টি, চৌগাছা উপজেলায় ২৪টি, সদর উপজেলায় ২০টি, ঝিকরগাছা উপজেলায় ২১টি, বাঘারপাড়া ২৩টি, অভয়নগর উপজেলায় ২০ টি, মণিরামপুর উপজেলায় ২২টি, কেশবপুর উপজেলায় ২৩টি সর্বমোট ১৭৬টি বাড়ি নির্মাণ কাজ চলছে। বাড়িগুলোর ইটের গাঁথুনি দিয়ে পিলার হবে, স্টিলের দরজা-জানালা, অত্যাধুনিক রঙিন টিনের ছাউনি, ১০ ফিট লম্বা ও ১০ ফিট আয়তনের ২ কক্ষের বাড়ি, একটি স্টোর রুম, একটি রান্নাঘর ও স্বাস্থ্যসম্বত স্যানিটারি ল্যাট্রিন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের তত্ত্বাবধানের দুর্যোগ প্রতিরোধী এমন বাড়ি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে নির্মাণ করে দিচ্ছে সরকার। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে প্রত্যেকটি বাড়ি নির্মাণে সরকারের খরচ ২ লাখ ৫৮ হাজার ৫৩১ টাকা।

এ বিষয়ে ঝিকরগাছা উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুমী মজুমদারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সরকারের দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মানবিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় ঝিকরগাছা উপজেলাতে বিভিন্ন জরিপের মাধ্যমে গৃহহীনদের দুর্যোগ সহনীয় বাড়ি দেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যে নির্মাণ কাজ শেষের দিকে।

এ বিষয়ে যশোর জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম বলেন, ত্রাণ ও পুর্নবাসন মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়নে যশোরের ১৭৬টি পরিবারের মধ্যে দুর্যোগ সহনীয় বাড়ি করে দিচ্ছে সরকার। যা ২০১৮-১৯ অর্থবছরে শুরু হয়েছিলো। গৃহহীন অসহায়দের জমি সংক্রান্ত জটিলতার কারণে বাড়ি নির্মাণে বিলম্বিত হয়েছিলো। কমপক্ষে ৪০০ বর্গফুট জমি আছে এমন দরিদ্র পরিবারের জন্য এ বাড়ি নির্মাণ করে দিচ্ছে। যার মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ কোটি ৫৫ লক্ষ ১ হাজার ৫৫ টাকা। স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা ও রান্নাঘর সুবিধাসহ এসব বাড়ি বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, বজ্রপাত প্রতিরোধে সক্ষম। কোন মানুষ যেন বাস্তুহারা না থাকে সেই লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। ইতোমধ্যে বাড়ি নির্মাণ শেষের দিকে। আগামী ৩-৪ মাসের মধ্যে বাড়িগুলো এসকল ভুক্তভোগীদের হাতে হস্তান্তর করা হবে।