২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

পেসারদের লাইন-লেন্থ আগে ঠিক করতে চান ল্যাঙ্গাভেল্ট

পেসারদের লাইন-লেন্থ আগে ঠিক করতে চান ল্যাঙ্গাভেল্ট

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ বোলারদের মূলমন্ত্রই আসলে লাইন ও লেন্থ ঠিক রেখে বোলিং করা। অনবরত একই লাইনে বল করে যেতে থাকলে সাফল্য মিলবেই। এরপর ভ্যারিয়েশনের ব্যাপারটি আসে। আগে লাইন ও লেন্থ ঠিক থাকতে হয়। বাংলাদেশ দলের নতুন পেস বোলিং কোচ দক্ষিণ আফ্রিকান চার্ল ল্যাঙ্গাভেল্ট আগে বাংলাদেশ পেসারদের লাইন-লেন্থ ঠিক করতে চান।

মঙ্গলবার সকালে ঢাকায় পা রাখেন। বুধবার থেকে কাজে নেমে পড়েন। প্রথমদিনটিতে ক্রিকেটারদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। আজ থেকে পুরোদমে কাজ শুরু করে দেবেন। তবে শুক্রবার পর্যন্ত যেহেতু কন্ডিশনিং ক্যাম্প চলবে তাই এরপরই পেসারদের নিয়ে ল্যাঙ্গাভেল্টের আসল কাজ শুরু হয়ে যাবে। বুধবার সাংবাদিকদের সঙ্গে সংবাদ সম্মেলনে ল্যাঙ্গাভেল্ট জানান তার প্রধান কাজের কথা, ‘স্পিন সহায়ক উইকেটে ভাল পেস বোলিং করা খুবই কঠিন চ্যালেঞ্জ। তবে বোলিংয়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো লাইন-লেন্থ বজায় রাখা। বাংলাদেশের অনুর্ধ-১৯ দল কিন্তু ভাল করেছে ইংল্যান্ডের মাটিতে। পেসাররা ভাল করেছে। তাই পেস বোলিংয়ে সম্ভাবনা রয়েছে। আমার মতে পেসারদের বেশি বেশি খেলার সুযোগ করে দিতে হবে। তাহলে ধীরে ধীরে পেস বোলিং বিভাগটাও শক্তিশালী হবে।’

সঙ্গে যোগ করেন, ‘আমার জন্য সবচেয়ে কঠিন কাজ হলো সেইসব পেসারদের খুঁজে বের করা যারা বিদেশের মাটিতে ভাল বল করতে পারে। অস্ট্রেলিয়া-দক্ষিণ আফ্রিকার মতো দেশ যেখানে সাধারণত বোলিং পিচ বানানো হয়, সেখানে পেসাররা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে। ভারতের দিকে তাকালে দেখবেন তাদের তিনজন পেসার রয়েছে যারা অস্ট্রেলিয়া-ইংল্যান্ডের মতো দলকে হারিয়ে দিতে ভূমিকা রাখে। নতুন বলে বল করাটাও কঠিন। বোলিংয়ের টেকনিক্যাল দিকগুলো জানতে হয়। ৫০ ওভারের ক্রিকেট বলুন আর টেস্ট ক্রিকেট, নতুন বলে বল করাটা গুরুত্বপূর্ণ।’

ল্যাঙ্গাভেল্ট স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের কিংবদন্তি পেসার কোর্টনি ওয়ালশের। তিনি গ্রেট হলেও কাজের কাজ আসলে কিছুই হয়নি। ওয়ালশের ভাষাই নাকি পেসাররা ঠিকমতো বুঝতে পারতেন না। ল্যাঙ্গাভেল্টের বেলাতেও তাই হবে না তো? ল্যাঙ্গাভেল্ট এ বিষয়টিকে কোন সমস্যাই মনে করছেন না, ‘আফগানিস্তানে যখন ছিলাম, তখনও এই সমস্যায় পড়তে হয়েছে। এক একজনকে নিয়ে যখন কাজ করেছি তখন দেখেছি গ্রুপ হিসেবে দাঁড়িয়ে গেছে। আফগানিস্তানের একটি অভিজ্ঞতার কথা বলি। যখন কোন খেলোয়াড় বলছে হ্যাঁ, কিন্তু সে বুঝতে পারছে না, এমনটাও দেখেছি। এটার জন্য কি করতে হবে তা জানা আছে আমার। আমার কাজটাই হলো বোঝানো। যখন কেউ বিষয়টা বুঝতে পারবে না তখন কাউকে এনে বিষয়টা বোঝানো। কথা দ্রুতগতিতে নয়, বলব আস্তে আস্তে। গড়তে হবে সম্পর্ক। কারণ ফাস্ট বোলারদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলাটা গুরুত্বপূর্ণ। প্রয়োজনে সে যাতে স্বাচ্ছন্দ্য অনুভব করে, তার জন্য পরিবার সম্পর্কে কথা বলতে হবে। সে আমার রুমে আসলে অবশ্যই তাকে স্বাগত জানাতে হবে। যদি প্রয়োজন পড়ে তাহলে দোভাষীর সহায়তা নেয়া হবে। আমি জানি, এটা চ্যালেঞ্জ, তবে আমি সেই চ্যালেঞ্জ নিতেই সামনের দিকে তাকিয়ে আছি।’