১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

নায়করাজকে মনে পড়ে...

এই তো সেদিন, এর মধ্যে দুই বছর হয়ে গেল! বাংলা চলচ্চিত্রের কালজয়ী অভিনেতা নায়করাজ রাজ্জাকের চলে যাওয়া। দর্শকপ্রিয়তার শিখরে পৌঁচ্ছলে আমরাই তাকে ‘নায়করাজ’ উপাধি দেই। চলচ্চিত্রই ছিল তাঁর প্রাণ। তাঁকে বলা হয় বাংলা চলচ্চিত্রের মুকুটহীন সম্রাট। তিনি রাজ্জাক। নীল আকাশের নিচে আমি, রাস্তা চলেছি একা, এই সবুজ শ্যামল মায়ায়, দৃষ্টি পড়েছে ঢাকা...। ষাটের দশক থেকে শুরু করে পরবর্তী সময়ে এ দেশের মানুষের সবচেয়ে প্রিয় অভিনেতা নায়করাজ রাজ্জাক। তিনি সেলুলয়েডের ফিতায় আবহমান বাঙালীর আনন্দ-বেদনা-ভালবাসার অনন্য রূপকার। অনন্ত আকাশের হাতছানিকে আলিঙ্গন করে জীবনের সব গান শেষ করে ২০১৭ সালের ২১ আগস্ট চিরদিনের জন্য হারিয়ে গেছেন নীল আকাশে। কিন্তু রাজ্জাক বেঁচে আছেন, থাকবেন বাঙালীর হৃদয়রাজ্যের রাজা হয়ে। পৃথিবীর মায়া ছেড়ে তার চলে যাওয়ার দুই বছর হয়েছে গতকাল (২১ আগস্ট)। নানা কর্মসূচীতে স্মরণ করা হয়েছে ‘ওরা ১১ জন’ চলচ্চিত্রের অন্যতম নায়ককে।

?ষাটের দশক থেকে শুরু করে পরবর্তী সময়ে এ দেশের মানুষের সবচেয়ে প্রিয় অভিনেতা নায়করাজ রাজ্জাক। তিনি সেলুলয়েডের ফিতায় আবহমান বাঙালীর আনন্দ-বেদনা-ভালবাসার অনন্য রূপকার। অনন্ত আকাশের হাতছানিকে আলিঙ্গন করে জীবনের সব গান শেষ করে ২০১৭ সালের ২১ আগস্ট চিরদিনের জন্য হারিয়ে গেছেন নীল আকাশে। কিন্তু রাজ্জাক বেঁচে আছেন, থাকবেন বাঙালীর হৃদয়রাজ্যের রাজা হয়ে। পৃথিবীর মায়া ছেড়ে তার চলে যাওয়ার দুই বছর হয়েছে গতকাল (২১ আগস্ট)। ১৯৪২ সালের ২৩ জানুয়ারি কলকাতার টালিগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন রাজ্জাক।

কলকাতার খানপুর হাইস্কুলে সপ্তম শ্রেণীতে পড়ার সময় সরস্বতী পূজায় মঞ্চনাটকের মাধ্যমে অভিনয় জগতে পদার্পণ করেন তিনি। কলেজ জীবনে ‘রতন লাল বাঙালী’ সিনেমায় অভিনয়ের মাধ্যমে অভিষেক ঘটে বড় পর্দায়। আর বাংলাদেশী চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটে ‘১৩ নম্বর ফেকু ওস্তাগার লেন’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে। নায়ক হিসেবে তার আত্মপ্রকাশ হয় জহির রায়হানের ‘বেহুলা’ চলচ্চিত্রে সুচন্দার বিপরীতে। সেই থেকে শুরু। জহির রায়হান পরিচালিত ‘বেহুলা’ চলচ্চিত্র নায়ক হিসেবে আবির্ভাবের পর রাজ্জাককে আর পেছনদিকে ফিরে তাকাতে হয়নি। ক্রমান্বয়ে খ্যাতির শীর্ষে উঠেছেন তিনি। তারপর থেকে একাধারে অভিনয়, প্রযোজনা ও পরিচালনার মাধ্যমে চলচ্চিত্রাঙ্গন দাপিয়ে বেড়ান রাজ্জাক। চলচ্চিত্রে বাংলাদেশের ইতিহাসে তিনি যতটা দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছেন তা সত্যই অসাধারণ। রাজ্জাক বেঁচে থাকবের তার ভক্ত অনুরাগীদের ভালবাসায় বহুকাল এমনটাই মনে তার ভক্তকুল।

আনন্দকণ্ঠ ডেস্ক

এই মাত্রা পাওয়া