২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

আন্দোলন করে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করা যাবে না ॥ কৃষিমন্ত্রী

 আন্দোলন করে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করা যাবে না ॥ কৃষিমন্ত্রী

অনলাইন রিপোর্টার ॥ কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, যারা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছে, তারাই ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার নেপথ্যে ছিল। দিবালোকে ১৩টি গ্রেনেড মেরে মানবতার মা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে নিশ্চিহ্ন করতে চেয়েছিল। ২১ আগস্টের পরিকল্পনা হয়েছে হাওয়া ভবন থেকে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও তাঁর ছেলে তারেক রহমানের পরিচালনায়। এ রকম নৃশংস হত্যাকারীর মদদদাতা খালেদা জিয়াকে আন্দোলন করে জেল থেকে বের করা যাবে না।

আজ বৃহস্পতিবার বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে বাংলাদেশ কৃষক লীগ আয়োজিত ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহত ব্যক্তিদের স্মরণে আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। সংগঠনের সভাপতি মো. মোতাহার হোসেন মোল্লার সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কৃষি ও সমন্বয়বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাভলী।

মন্ত্রী বলেন, পাকিস্তানের দালালেরা কোনো দিন বাংলাদেশকে মেনে নিতে পারেনি। আর ২১ আগস্টে ব্যবহৃত গ্রেনেডগুলো ছিল পাকিস্তানের তৈরি। এতেই বোঝা যায়, মা ও ছেলের রচনা। পঁচাত্তরের পরে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও আদর্শ ধ্বংস করতে গণতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা নষ্ট করতে ২১ আগস্টের হামলা। পৃথিবীর এই নজির আর কোথাও নেই। তারেক রহমান ও তাঁর মা তখনকার প্রশাসন, রাষ্ট্রযন্ত্র ও গোয়েন্দা সংস্থাকে ব্যবহার করে এই পৈশাচিক হত্যাকাণ্ড চালান। তিনি আরও বলেন, নানা প্রতিকূলতা, জীবনমৃত্যুর মাঝখানে থেকেও শেখ হাসিনা আজ দেশকে বিশ্বের কাছে এক উদাহরণ হিসেবে গড়ে তুলেছেন। বিদেশিরা আসে বাংলাদেশের উন্নয়নের গল্প শুনতে। কৃষক লীগকে আরও শক্তিশালী ও সুসংগঠিত হতে হবে। কৃষকের পাশে থেকে কাজ করতে হবে। তাই মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কৃষক লীগকে সম্পৃক্ত করা হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাক বা না থাক, দেশবিরোধী, মানবতাবিরোধী নিকৃষ্ট তারেক জিয়াদের ক্ষমতায় যেতে দেওয়া হবে না। সে জন্য প্রত্যন্ত গ্রামেও প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়নের মূলমন্ত্র পৌঁছে দিতে হবে। আমার গ্রাম আমার শহর তখনই বাস্তবায়ন হবে, যখন কৃষক লীগ শক্তিশালী ভূমিকা রাখবে।’ এ সময় মন্ত্রী কৃষক লীগের কাছে সহায়তা চান।

এর আগে তিনি ক্যাপ্টেন মনসুর আলী হ্যান্ডবল স্টেডিয়ামে ওয়ালটনের সৌজন্যে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিট ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন করেন।