১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

বঙ্গবন্ধুর জীবনী ও রাজনৈতিক দর্শন জাতীয় পাঠ্যক্রমে অন্তভুক্ত করা প্রয়োজন

বঙ্গবন্ধুর জীবনী ও রাজনৈতিক দর্শন জাতীয় পাঠ্যক্রমে অন্তভুক্ত করা  প্রয়োজন

স্টাফ রিপোর্টার ॥ আইনকমিশনের চেয়ারম্যান ও সাবেক প্রধান বিচারপতি এ ,বি,এম খায়রুল হক বলেছেন , বঙ্গবন্ধুর জীবনী ও রাজনৈতিক দর্শন সম্পর্কে ভবিষ্যত প্রজন্মকে সচেতন করার জন্য জাতীয় পাঠ্যক্রমে এ বিষয়সমূহ অন্তভুক্ত করা প্রয়োজন। বঙ্গবন্ধু মনে করতেন তিনি দেশের শাসক নন, বরং দেশের আপামর জনসাধারণের একজন সেবক। বিশ্ব ইতিহাসের যে নিকৃষ্টতম হত্যাকান্ডের মাধ্যমে স্বাধীনতার এই মহান স্থপতি ও তার পরিবারবর্গকে হত্যা করা হয়, তার নেপথ্য কুশীলবদের স্বরূপ উন্মোচনের জন্য একটি স্বাধীন কমিশন গঠনের মাধ্যমে তদন্ত পরিচালনার জন্য সরকারের কাছে প্রস্তাব উত্থাপন করেন। শনিবার বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট এর উদ্যোগে ইনস্টিটিউটের সভাকক্ষে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৪৪ তম শাহাদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভার প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন । এতে বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট এর পরিচালক বিচারপতি খোন্দকার মূসা খালেদ এর সভাপতিত্ব করেন।

আলোচনা সভায় বক্তাগণ বঙ্গবন্ধুর জীবনাচরণ ও জীবন দর্শনের উপর বিশদ আলোকপাত করেন। বিশেষ করে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে বঙ্গবন্ধুর অসামান্য ভূমিকা, স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে যুদ্ধবিদ্ধস্ত বাংলাদেশের পুনর্গঠনে তাঁর বলিষ্ঠ নেতৃত্ব, নব্য স্বাধীনতাপ্রাপ্ত বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভে বিশেষ কুটনৈতিক সাফল্য, স্বাধীনতা অর্জনের পর দ্রুত তম সময়ে বাংলাদেশকে আধুনিক একটি সংবিধান উপহার প্রদান প্রভৃতি বিষয়ে আলোচকবৃন্দ বঙ্গবন্ধুর অবদান গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইন কমিশনের চেয়ারম্যান উল্লেখ করেন বঙ্গবন্ধুর জীবনী ও রাজনৈতিক দর্শন সম্পর্কে ভবিষ্যত প্রজন্মকে সচেতন করার জন্য জাতীয় পাঠ্যক্রমে এ বিষয়সমূহ অন্তভুক্ত করা প্রয়োজন। রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের অবিসংবাদিত এই নেতার মূল্যায়ন করতে গিয়ে তিনি বলেন বঙ্গবন্ধু মনে করতেন তিনি দেশের শাসক নন, বরং দেশের আপামর জনসাধারণের একজন সেবক। তিনি তার বক্তব্যে বিশ্ব ইতিহাসের যে নিকৃষ্টতম হত্যাকান্ডের মাধ্যমে স্বাধীনতার এই মহান স্থপতি ও তার পরিবারবর্গকে হত্যা করা হয়, তার নেপথ্য কুশীলবদের স্বরূপ উন্মোচনের জন্য একটি স্বাধীন কমিশন গঠনের মাধ্যমে তদন্ত পরিচালনার জন্য সরকারের কাছে প্রস্তাব উত্থাপন করেন। সভার মাননীয় সভাপতি তার বক্তব্যে বলেন, আমরা যদি স্বীয় স্বীয় কর্তব্য নিষ্ঠার সাথে পালন করে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে পারি তবেই বঙ্গবন্ধুর রক্তের ঋণ শোধ হবে।