১১ ডিসেম্বর ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই ঘন্টায়    
ADS

বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে ॥ মেয়র জাহাঙ্গীর

বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে ॥ মেয়র জাহাঙ্গীর
  • *খরচ মিটিয়ে বছরে সাশ্রয় হবে ২০ কোটি টাকা ;###;* ডেঙ্গু প্রতিরোধে দু’শ টনের বেশী ঔষধ মজুদ আছে। প্রয়োজনে বিনামূল্যে আরো সরবরাহ করা হবে।

স্টাফ রিপোর্টার, গাজীপুর ॥ গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের অন্যতম প্রধান সমস্যা হচ্ছে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা। গাজীপুর সিটির বর্জ্য ড্যাম্পিং স্টেশনে জড়ো করে রিসাইক্লিংয়ের মাধ্যমে তা থেকে শীঘ্রই বিদ্যুৎ ও গ্যাস উৎপাদন করা হবে। জাপান থেকে আমদানী করা মেশিনে আগামী ১০ মাসের মধ্যে এ উৎপাদন কার্যক্রম শুরু করা হবে। এতে যাবতীয় খরচ মিটিয়ে বছরে ২০ কোটি টাকা সাশ্রয় হবে এবং কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে। এ প্রকল্পের জন্য ১২’শ কোটি টাকা বরাদ্ধ রাখা হয়েছে। গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম জাপান সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে মঙ্গলবার বিকেলে নগর ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন। এসময় তিনি তাঁর কর্ম পরিকল্পনার কথাও জানান।

এসময় গাসিক মেয়র আরও বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে এডিস মশা নিধনের জন্য ব্যক্তিগত উদ্যোগে সিঙ্গাপুর থেকে আমদানীকৃত ঔষধ ইতোমধ্যে দেশের ১৭৫টি পৌরসভা ও ৮টি সিটি কর্পোরেশনে বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়েছে। প্রয়োজনে আরও সরবরাহ করা হবে। এখনও আমার কাছে আরও এক মাসের ঔষধ সংরক্ষিত রয়েছে। যার পরিমাণ ২’শ টনের বেশি। ‘বেনটাসাইড’ নামের এসব আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত এবং পরীক্ষিত ও কার্যকরী। এসময় তিনি গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ৪০ লাখ মানুষকে ডেঙ্গু জীবাণুমুক্ত পরিবেশের সুবিধা দেয়ার পাশাপাশি দেশবাসীকে সেবা দেওয়ার ঘোষণা দেন।

তিনি বলেন, ২০১৩ সালে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের যাত্রা শুরু হওয়ার পর থেকেই দিনে দিনে সিটির বর্জ্য নাগরিক দুভোর্গের মারাত্মক কারন হয়ে দাড়িয়েছে। সিটিতে স্ষ্ঠুু বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অভাব ক্রমশঃ প্রকট হয়ে দেখা দিচ্ছে। শহরের যত্রতত্র এমনকি প্রধান প্রধান সড়ক-মহাসড়কে প্রতিদিন বর্জ্য ফেলে পরিবেশ দূষণ করা হচ্ছে। এসব বর্জ্য দায়সারা ভাবে সংগ্রহ করে শহরের বাইমাইল এলাকায় ঢাকা-টাঙ্গাইল সড়কের পাশে স্তুপিকৃত করে রাখা হচ্ছে। বর্তমানে সেখানেও আর বর্জ্য ধারনের পর্যায়ে নেই।

গাসিক মেয়র আরো বলেন, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল গত সপ্তাহে জাপানের অন্যতম একটি নগরী হামামাটসু পরিদর্শণে যান। পরিদর্শণকালে সেখানকার মেয়র ইয়াসুটুমু সুজুকি সঙ্গে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে প্রতিনিধিদলের আলাপ হয়। এসময় উক্ত শহরের অভিজ্ঞতার আলোকে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে যৌথ ভাবে কাজ করতে একটি সমঝোতা স্মারক হয়। এর প্রেক্ষিতে গাজীপুর সিটির বর্জ্য ডাম্পিং স্টেশনে জড়ো করে জাপান থেকে আমদানী করা মেশিনে রিসাইক্লিং করে তা থেকে বিদ্যুৎ ও গ্যাস উৎপাদন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী ১০ মাসের মধ্যে এ প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু করা হবে। এ প্রক্রিয়ায় বিদ্যুৎ ও গ্যাস উৎপাদন করা হলে যাবতীয় খরচ মিটিয়ে বছরে ২০ কোটি টাকা সাশ্রয় হবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থানেরও ব্যবস্থা হবে। এ প্রকল্পের জন্য ১২’শ কোটি টাকা বরাদ্ধ রাখা হয়েছে। বর্জ্য ড্যাম্পিংয়ের জন্য ইতোমধ্যে নগরীর দু’টি এলাকায় দু’টি স্থান নির্বাচন করা হয়েছে।

নির্বাচিত সংবাদ