২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ফুটবলের পাইপলাইন সমৃদ্ধ করতে বসুন্ধরা কিংস এবং বিএফএসএফ-এর আয়োজনে একাডেমি কাপ ফুটবল

ফুটবলের পাইপলাইন সমৃদ্ধ করতে বসুন্ধরা কিংস এবং বিএফএসএফ-এর আয়োজনে একাডেমি কাপ ফুটবল

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ বসুন্ধরা কিংসের পৃষ্ঠপোষকতায়, বাংলাদেশ ফুটবল সাপোর্টার্স ফোরামের (বিএফএসএফ) আয়োজনে এবং বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সহযোগিতায় আগামী ১২ সেপ্টেম্বর থেকে মাঠে গড়াচ্ছে ‘বসুন্ধরা কিংস বিএসএফএ অনুর্ধ-১৪ একাডেমি কাপ ফুটবল’। বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম সংলগ্ন পল্টনের আউটার স্টেডিয়ামে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠেয় এ টুর্নামেন্টে ঢাকার দুটি ও ঢাকার বাইরের ১০টিসহ মোট ১২টি একাডেমি চারটি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে অংশ নিচ্ছে। অংশগ্রহণকারী দলগুলো হচ্ছে-গ্রুপ ‘এ’তে এমকে গ্যালাকটিকো, ফেনী এফএ, ধলেশ্বরী এফএ; গ্রুপ ‘বি’তে গোপনগর কেপিকে, ভুইয়া এফএ, এফসি খুলনা; গ্রুপ ‘সি’তে ব্রাহ্মণবাড়িয়া এফএ, গেন্ডারিয়া এফএ, কেরানীগঞ্জ এফএ এবং গ্রুপ ‘ডি’তে আসাদুজ্জামান এসএ, শামস-উল হুদা এফএ, কুড়িগ্রাম এফএ।

১২ সেপ্টেম্বর দুপুর ২টায় অনুষ্ঠেয় উদ্বোধনী ম্যাচে ফেনী এফএ মুখোমুখি হবে এমকে গ্যালাকটিকোর।

এই আসরের সব খেলা ফেসবুক এবং ইউটিউবভিত্তিক টিভি চ্যানেল স্পোর্টস লাইফে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। গ্রুপ পর্যায়ের প্রতিটি ম্যাচের সময়সীমা ৭০ মিনিট।

গ্রুপ পর্ব শেষে শীর্ষ চারটি দল ১৮ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠেয় সেমিফাইনালে অংশ নেবে। টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ২০ সেপ্টেম্বর। মোট ম্যাচ হবে ১৫টি। চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ দল ট্রফি ও মেডেল ছাড়াও যথাক্রমে নগদ এক লাখ ও পঞ্চাশ হাজার টাকা করে পাবে। এছাড়া প্রতিটি দল খেলার জার্সি, ১টি করে ফুটবল এবং ম্যাচ ফি পাবে। টুর্নামেন্ট থেকে বাছইকৃত খেলোয়াড়দের বাফুফে সহ প্রিমিয়ার ডিভিশনের ক্লাব গুলোর মাধ্যমে ভবিষ্যতের জন্য তৈরি করা হবে।

এ উপলক্ষ্যে শনিবার বাফুফে ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিএফএসএফ সভাপতি কাজী শহীদুল আলম পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠান বসুন্ধরা কিংসকে ধন্যবাদ জানান এবং ভবিষ্যতে তাদের সহযোগিতা পাওয়ার আশা প্রকাশ করেন। বসুন্ধরা কিংসের সাধারণ সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম মিনহাজ বলেন, এ টুর্নামেন্টের অংশ হতে পেরে তারা গর্বিত। এ ধরনের টুর্নামেন্ট দেশের ভবিষ্যত ফুটবলারদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কেননা এ টুর্নামেন্টকে তারা একটা মঞ্চ হিসেবে পেতে যাচ্ছে। ভবিষ্যতে দেশব্যাপী এ টুর্নামেন্ট আয়োজনের পরিকল্পনা তাদের আছে। টুর্নামেন্টের বিস্তারিত তুলে ধরে বিএফএসএফ সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন জুবায়ের বলেন, দীর্ঘদিন যাবত তারা এ ধরনের একটি টুর্নামেন্ট আয়োজনের পরিকল্পনা করে আসছেন। তিনি বলেন খেলার প্রাণ হচ্ছে দর্শক। তবে এই মুহূর্তে বাংলাদেশে ফুটবলের বড় সমস্যা মাঠে দর্শকখরা। তাই তাদের লক্ষ্য খেলার উত্তেজনা ছড়িয়ে দিতে মাঠে দর্শক উপস্থিত করা। বিএফএসএফ ঢাকা ও চট্টগামে পাইওনিয়ার লিগ পরিচালনা করে আসছে বলেও উল্লেখ করেন জুবায়ের।

এই আসরে অংশ নেয়া দলগুলোকে ফেসবুকের মাধ্যমে আহবান জানিয়ে অন্তর্ভুক্ত করা হয়ে হয়েছে। যেসব একাডেমির খেলোয়াড়রা বিপিএল, বিসিএল, প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় বিভাগ ফুটবল লিগে খেলে থাকে, সেসব একাডেমিকে অংশ নেয়ার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে।