২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

সঙ্কটেও বাড়ছে আর্থিক খাতের ঋণের সুদহার

সঙ্কটেও বাড়ছে আর্থিক খাতের ঋণের সুদহার

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ সাম্প্রতিক সময়ে পিপলস লিজিংসহ কয়েকটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমানো টাকা তুলতে না পেরে সাধারণ গ্রাহকরাও আমানত রাখছেন কম। এ পরিস্থিতিতে এসব প্রতিষ্ঠানের তহবিল জোগাড় বাবদ ব্যয় ব্যাপক বেড়েছে। এর প্রভাবে গত জুনে এ খাতের ঋণের গড় সুদহার বেড়ে ১৩ শতাংশ হয়েছে। যা গত তিন বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।

সংশ্লিষ্টরা জানান, আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর তহবিলের উল্লেখযোগ্য অংশ আসে বিভিন্ন ব্যাংক থেকে। আমানত, ঋণ ও প্লেসমেন্ট হিসেবে ব্যাংকগুলো তাদের তহবিল দেয়। কোনো ব্যাংক গ্রাহকের কাছ থেকে যে কোনো মেয়াদের আমানত সংগ্রহ করতে পারে। আবার বৈদেশিক বাণিজ্য কার্যক্রমের ফলে বিনা সুদ ও কম সুদের প্রচুর আমানত পায়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে মেয়াদি আমানতও নিতে পারে তুলনামূলক কম সুদে। তবে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো তিন মাসের কম মেয়াদে কোনো আমানত নিতে পারে না। আবার বিশ্বস্থতা অর্জনের ঘাটতিও রয়েছে। ফলে সাধারণ গ্রাহকের কাছ থেকে আমানত পেতে বেশিরভাগ আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে বেগ পেতে হয়। আমানতকারীর অর্থ ফেরত দিতে না পারার প্রেক্ষাপটে গত জুলাই মাসে পিপলস লিজিং অবসায়নের উদ্যোগের পর এ খাত আরও চাপে পড়েছে। অবশ্য সব প্রতিষ্ঠানের অবস্থা খারাপ নয়। সম্প্রতি অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে এক বৈঠকে পিপলস লিজিংয়ের মতো খারাপ অবস্থায় থাকা আরও তিন থেকে চারটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধের অনুরোধ জানিয়েছেন এ খাতের উদ্যোক্তারা।

জানতে চাইলে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ভালো অবস্থায় থাকা আইডিএলসি ফাইন্যান্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আরিফ খান বলেন, দেড় বছর আগের তুলনায় আইডিএলসি ফাইন্যান্স গড়ে ২ শতাংশ সুদ বাড়িয়েছে। অন্য অনেক প্রতিষ্ঠানে সুদহার আরও বেশি বেড়েছে। বাজার পরিস্থিতির কারণে এমন হয়েছে। পিপলস লিজিং অবসায়নের উদ্যোগ-পরবর্তী তথ্য হাতে এলে হয়তো দেখা যাবে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে।