২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

মূসক ফাঁকি ঠেকাতে ১০ হাজার ইলেকট্রনিক ডিভাইস কিনবে এনবিআর

মূসক ফাঁকি ঠেকাতে ১০ হাজার ইলেকট্রনিক ডিভাইস কিনবে এনবিআর

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ চলতি অর্থবছরের শুরুতে সরকার ইএফডি কার্যক্রম শুরুর ঘোষণা দিয়েছিল। সে অনুসারেই এখন ক্রয় আদেশ দেওয়া হয়েছে। খুচরা ও পাইকারি উভয় পর্যায়ে মূসক ফাঁকি ধরতে আধুনিক প্রযুক্তির ইলেকট্রনিক ফিসক্যাল ডিভাইস (ইএফডি) ক্রয়ের প্রক্রিয়া শুরু করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড। এনবিআর সূত্র জানায়, হোটেল, রেস্টুরেন্ট, ফাস্ট ফুডের দোকান, কনফেকশনারি, জুয়েলারি, বিউটি পারলার, তৈরি পোশাক বা বুটিকের দোকান, ডিপার্টমেন্ট স্টোর, সুপার সপ, পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ের বড় স্টোরসহ ২৪ ধরনের ব্যবসায়ে মূসক ফাঁকি ঠেকাতে কাজ করছে তারা। সে জন্য ১০ হাজার ইএফডি ক্রয়ের আদেশ দেওয়া হয়েছে। এ বাবদ ব্যয় হবে ৩১৭ কোটি টাকা। এভাবে ক্রমান্বয়ে এক লাখ ইএফডি ক্রয় করবে রাজস্ব আদায়কারী কর্তৃপক্ষ।

এনবিআরের এক সিনিয়র কর্মকর্তা জানান, চলতি অর্থবছরের শুরুতে সরকার ইএফডি কার্যক্রম শুরুর ঘোষণা দিয়েছিল। সে অনুসারেই এখন ক্রয় আদেশ দেওয়া হয়েছে। ওই কর্মকর্তা জানান, চীনা কোম্পানি এসজেডজেডটি ইলেকট্রনিক্স কোম্পানি লিমিটেড এসব ইএফডি সরবরাহ করবে এবং তারপর সেগুলো ব্যবসায়ীদের কাছে পাঠানো হবে। এক মাসের মধ্যে কাজটি সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, মূসক পরিশোধে স্বচ্ছতা নিশ্চিতে ইএফডি সহায়তা করবে এবং কর ফাঁকি ঠেকাবে। এর আগে মূসক ফাঁকি ঠেকাতে সিটি করপোরেশন ও জেলা শহরগুলোতে ২৪ ধরনের ব্যবসায় ইএফডি ব্যবহার বাধ্যতামূলক করে সরকার। এ ক্ষেত্রে এনবিআর একটি আদেশও জারি করে।

নতুন ইএফডিগুলো বিদ্যমান ইলেকট্রনিক ক্যাশ রেজিস্ট্রার (ইসিআর) ও পয়েন্ট অব স্কেলের (পিওএস) জায়গায় প্রতিস্থাপন করা হবে। এনবিআরের আদেশ অনুসারে, যেসব আউটলেটে বছরে মূসকমুক্ত লেনদেনের চেয়ে বেশি লেনদেন হবে অর্থাৎ ৫০ লাখ ছাড়িয়ে যাবে তাদের জন্য ইএফডি ব্যবহার বাধ্যতামূলক।