১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

বিক্ষোভের ফলে ধস নেমেছে হংকংয়ের পর্যটন শিল্পে

  • পর্যটক আগমন কমেছে ৪০ শতাংশ

চলমান বিক্ষোভের ফলে হংকংয়ে পর্যটকের উপস্থিতি ৪০ শতাংশ কমে গেছে। শহরটিতে ২০০৩ সালে সার্স (এসএআরএস) মহামারী আকার ধারণ করার পর পর্যটন শিল্পের ওপর এ রকম আঘাত দেখা যায়নি। প্রায় ১৫ সপ্তাহ ধরে শহরটিতে বিক্ষোভ চলছে। এর ফলে সেখানকার অর্থনীতি প্রভাব পড়েছে এবং এতে পর্যটকদের ওপরও প্রভাব পড়ে। ব্লুমবার্গ।

অর্থনীতি বিষয়ক মন্ত্রী পল চ্যান রবিবার একটি ব্লগ পোস্টে লেখেন, এক বছর আগের চেয়ে আগস্টে পর্যটকদের উপস্থিতি প্রায় ৪০ শতাংশ কমে গেছে। হংকংয়ের পর্যটন বোর্ডের ডেটা বিশ্লেষণ করে ব্লুমবার্গ উল্লেখ করে, ২০০৩ সালের মে মাসের পর থেকে বছরভিত্তিক এটাই সবচেয়ে বেশি পর্যটকের সংখ্যা কমার তথ্য। ওই সময় দেশটিতে সার্স মহামারী আকার ধারণ করে এবং এতে শত শত মানুষ মারা যায়। এর ফলে সেখানে পর্যটকের উপস্থিতি ব্যাপক হারে কমে যায়। এ সময় পর্যটকের উপস্থিতি প্রায় ৭০ শতাংশ কমে গিয়েছিল। চীনা ভাষায় লেখা ওই ব্লগ পোস্টে চ্যান বলেন, গত কয়েক মাসের বিভিন্ন সামাজিক ইস্যু, বিশেষ করে অব্যাহত সহিংসতা এবং বিমানবন্দর ও সড়ক অবরোধ নিরাপদ শহর হিসেবে হংকংয়ের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তির ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, এই পরিস্থিতি দ্রুত সমাধান হওয়ার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না। চ্যান বলেন, শহরের পর্যটন, ব্যবসা-বাণিজ্য ও হোটেল শিল্পের ওপর খুবই প্রভাব পড়েছে। কিছু কিছু জেলায় হোটেল পেশা অর্ধেকেরও বেশি কমে গেছে আর রুমের ভাড়া ৪০-৭০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। তিনি বলেন, অনেক বৈঠক ও বাণিজ্যিক ভ্রমণ স্থগিত অথবা অন্যত্র সরিয়ে নেয়া হয়েছে। গত বছরের আগস্টের পর্যটনের হিসাব অনুযায়ী, ৪০ শতাংশ কমে যাওয়ার অর্থ হচ্ছে ৩৫ লাখ পর্যটক বেড়াতে আসেননি, যা সাত বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। তবে এ বছরের আগস্টের তথ্যের বিশ্লেষণ পাওয়া যায়নি। যেসব দেশের পর্যটক হংকংয়ে বেড়াতে আসেন তাদের মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানি ও অস্ট্রেলিয়া অন্যতম। হংকংয়ের প্রধান নির্বাহী ক্যারি ল্যাম বিক্ষোভ অবসানে ছাড় দেয়ার ঘোষণা দেন। এর মধ্যে অন্যতম হলো অৎনপ্রিয় আসামি প্রত্যর্পণ বিল আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল করা। কিন্তু অনেকেই মনে করছেন এই ছাড় খুবই সামান্য এবং অনেক বেশি দেরিতে দেয়া হয়েছে।