২০ অক্টোবর ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

‘আয়োজন সফল করতে আমরা বদ্ধপরিকর’

  • শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্লাব কাপ ফুটবল;###;বিশেষ প্রতিনিধি

ত্রিদেশীয় টি২০ সিরিজে মাতোয়ারা এখন দেশের ক্রীড়া প্রেমীরা। ২৪ সেপ্টেম্বর ফাইনালের মধ্যে দিয়ে শেষ হবে ক্রিকেট উৎসব। এরপরই আন্তর্জাতিক ফুটবলে মেতে ওঠার পালা। বন্দর নগরী চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হবে আন্তর্জাতিক ক্লাব কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট। আয়োজক কমিটি সূত্রে জানা গেছে এখনও পর্যন্ত সবকিছু ঠিকঠাক। বলা যায় মাঠে গড়ানোর অপেক্ষায় শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্লাব কাপ ফুটবল। আসলে ফুটবল একটি সুন্দর শৈল্পিক খেলা। ফুটবল হচ্ছে বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনের সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলা। খেলোয়াড়দের নয়ন জুরানো ক্রীড়াশৈলী আর দর্শকদের মাতামাতি ফুটবলকে করে তুলে দৃষ্টিনন্দন ও উপভোগ্য। অংশগ্রহনকারী দলগুলোকে ঘিরে দর্শকদের মধ্যে আবর্তিত হয় এ উন্মাদনা। সুনির্মল বিনোদনের পরিপূর্ণ স্বাদ নিয়ে থাকেন তারা ময়দানী লড়াইয়ে প্রিয় দলের উদ্ভাসিত নৈপুন্যে। ফুটবলের এই উত্তালে শামিল হতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষমান দেশের ফুটবলভক্তরা। ভারতের দুই জনপ্রিয় দল মোহনবাগান ও কলকাতা মোহামেডানের খেলা নিশ্চিত। ইস্টবেঙ্গল নাম প্রত্যাহার করায় দুই ভারতীয় দলের সঙ্গে থাকছে বাংলাদেশের বসুন্ধরা কিংস, ঢাকা আবাহনী ও আয়োজক চট্রগ্রাম আবাহনী। মালদ্বীপের টিসি স্পোর্টস ক্লাবও অংশগ্রহন নিশ্চিত করেছে। এই ছয় ক্লাবের সঙ্গে যোগ হবে আরও দুই বিদেশী দল।

আট দলের এই আন্তর্জাতিক আসরে অন্যতম ফেবারিট ধরা যায় বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগের (বিপিএল) শিরোপা জয়ী, তথা ঘরোয়া ফুটবলের নতুন শক্তি বসুন্ধরা কিংসকে। অপর জনপ্রিয় দল বিপিএল রানার্সআপ আবাহনীও চমক দেখানোর সামর্থ্য রাখে। একবারের শিরোপা জয়ী স্বাগতিক চট্রগ্রাম আবাহনীর জন্যও এই টুর্নামেন্ট অনেক মর্যাদার। । বাকি দুই বিদেশি ক্লাব আগামী কয়েকদিনের মধ্যে চুড়ান্ত হবে বলে জানিয়েছেন চট্রগ্রাম আবাহনীর ফুটবল কমিটির চেয়ারম্যান, দেশবরেন্য ক্রীড়া সংগঠক তরফদার মোঃ রহুল আমিন। দশ কোটি টাকারও বেশী বাজেটের আন্তর্জাতিক এই আসরের স্পন্সরও তিনি। প্রতিযোগিতার টাইটটেল স্পন্সর হচ্ছে সাইফ পাওয়ারটেক লিমিটিডে, যার কর্নধার ফুটবল নিবেদিতপ্রান এই সংগঠক। রুহুল আমিনের কথায় বিগত আসরগুলোর তুলনায় এবারের আয়োজনটা হতে যাচ্ছে আরও বেশ জমজমাট। তিনি মনে করেন মোহনবাগান ও মোহামেডানের অংশগ্রহনের কারনে ভারতের ফুটবলপ্রেমীদের দৃস্টি থাকবে বন্দরনগরী চট্রগ্রামের এমএ আজিজ স্টেডিয়ামের ওপর। পাশাপাশি স্থানীয় তিন দলকেও সমর্থন যোগাবে দেশের ফুটবলানুরাগীরা। ভারতের দুই ক্লাব তাদের সেরা দলটাই পাঠবে বলে জনকন্ঠকে জানান তরফদার মোঃ রুহুল আমিন। ফলে শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্লাব কাপ নিয়ে দুই বাংলাই যে মেতে থাকবে, তা নিয়ে সন্দেহ নেই।

শত ব্যস্ততার মাঝেও ফুটবলই তার ধ্যান-জ্ঞান। নিজের অর্থে তৈরি করেছেন একটি বড় দল। ঘরোয়া ফুটবলের সবচেয়ে বড় আয়োজন বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগের (পেশাদার লীগ) আরও একটি শীর্ষ দলের উর্ধতন কর্মকর্তা তিনি। দলটি হচ্ছে শক্তিশালী সাইফ স্পোর্টিং ক্লাব, যার চেয়ারম্যান তিনি। আর চট্টগ্রম আবাহনীর ফুটবল কমিটিরও চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন সুনামের সঙ্গে। অর্থাৎ একাধারে দুটি শিরোপা প্রত্যাশী দলের ভার বাহক তিনি। এক কথায় পকেটের অঢেল অর্থ খরচ করে থাকেন তিনি ফুটবলের পেছনে। এই মুহূর্তে তার চেয়ে বড় ডোনার ফুটবলে আর কেউ নেই। ফুটবলপ্রেমী হিসেবে কেবল ক্লাব নিয়েই নয়, গোটা দেশের ফুটবলের খোলনলচে পরিবর্তনের বিরাট পরিকল্পনাও হাতে নিয়েছেন তিনি। দেশের ফুটবলের ভাগ্য নিয়ন্তা বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন যা পারেনি, সেটা করে দেখিয়ে দিচ্ছেন। সন্দেহ নেই বিরাট চ্যালেঞ্জ।

রুহুল আমিন জানালেন পরিকল্পনা ঠিক থাকলে ১৯ অক্টোবরই শুরু হয়ে যাবে আট দলের ময়দানী লড়াই। আর ফাইনালের মধ্যে দিয়ে টুর্নামেন্টের পর্দা নামবে ৩১ অক্টোবর। সন্দেহ নেই ১৩ দিনব্যাপী ৮ ক্লাব দলের আন্তর্জাতিক আসরে প্রচুর অর্থ খরচ হবে। প্রাইজমানি হিসেবে চ্যাম্পিয়ন দল পাবে ৫০ হাজার ডলার, আর রানার্সআপ দল ৩০ হাজার ডলার। এ ছাড়া অংশগ্রহণকারী প্রত্যেক দলের জন্য অংশগ্রহণ ফি রয়েছে ১০ হাজার ডলার করে। একইসঙ্গে দলগুলোর আসা-যাওয়ার বিমান ভাড়া ও পাঁচ তারা হোটেলে থাকা খাওয়াসহ অন্যান্য খরচ তো আছেই। সব মিলিয়ে টুর্নামেন্টের ব্যয় ১০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আয়োজকরা। সাফল্যের জন্য শুধু ভাল দল গড়া যথেষ্ট নয়। দলকে উজ্জীবিত রাখার পাশাপাশি সঠিক পরিকল্পনাও প্রয়োজন। ফুটবলের নারী-নক্ষত্র সবই তরফদার রুহুল আমিনের জানা। এই অভিজ্ঞতা থেকেই ব্যবসায়িক, পারিবারিক ব্যস্ততা সত্ত্বেও খেলা চলাকালীন নিজ দলের ক্যাম্পে গিয়ে ফুটবলারদের সঙ্গে আলোচনা করেন। নিয়মিত কথা বলেন কোচিং স্টাফদের সঙ্গে। দলের কর্নধারকে কাছে পেয়ে অনুপ্রাণিত হন ফুটবলাররা।

গোটা দশের ফুটবলের সার্বিক পরিস্থিতির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বাফুফের বর্তমান কমিটি দীর্ঘ ১১ বছর দায়িত্বে থেকে একটা ভাল মানের জাতীয় দল গঠন করতে পারেননি। এর চেয়ে ব্যর্থতা আর কি হতে পারে। ফুটবল এখন ঢাকা কেন্দ্রিক। সারা দেশে বাফুফের অধীনে নিয়মিত লীগ হয় না। এতে ক্ষতি হচ্ছে। গোটা দেশের লীগ চাঙ্গা করতে না পারলে কোনদিনই ফুটবলের উন্নতি হবে না। বয়সভিত্তিক ফুটবলের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। যার মাধ্যমে প্রতিভাবান ফুটবলার বেড় করা সম্ভব। এটা ফের চালু না করলে খেলোয়াড় তৈরি পাইপলাইনে যে জ্যাম লেগে গেছে তা ছুটানো সম্ভব নয়। ভাল মানের ফুটবলার না থাকলে শক্তিশালী জাতীয় গঠন করা কঠিন। রুহুল আমিন বললেন, বাফুফের ব্যর্থতা, উদ্দেশ্যহীন কর্মকা- ফুটবলের অগ্রগতির পথে প্রধান অন্তরায়। ফুটবল ভালবাসি বিধায় বাফুফের দায়িত্ব আমরা কাঁধে নিয়েছি। বয়সভিত্তিক টুর্নামেন্ট ও নিয়মিত জেলা লীগ আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছি। ফুটবলের উন্নতির জন্য সারা দেশের খ্যাতিমান সংগঠকদের নিয়ে গঠন করেছি বাংলাদেশ জেলা ও বিভাগীয় ফুটবল এ্যাসোয়িশেন (বিডিডিএফএ)। গঠিত হয়েছে ঢাকার সংগঠকদের নিয়ে বাংলাদেশ ফুটবল ক্লাবস এ্যাসোসিয়েশন। মুখ্য উদ্দেশ্য ঢাকার সব ধরনের লিগ সচল করা। ইতোমধ্যে বেশকিছু জেলায় আমরা লীগ সফলভাবে সম্পন্ন করেছি। শুরু হয়েছে যুবাদের নিয়ে দেশব্যাপী ফুটবল টুর্নামেন্ট। দেশের ফুটবল তখনই সফল বলা যাবে যখন দেখা যাবে জাতীয় দল আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রত্যাশিত নৈপুণ্য প্রদর্শন করছে। ভাল রেজাল্ট পাচ্ছে। কিন্তু বিগত এক দশকে উন্নতির পরিবর্তে ব্যর্থতার তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে দেশের পুরুষ ফুটবল। আমি চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলতে পারি সালাউদ্দিন ১১ বছর ক্ষমতায় থেকে যা করতে পারেননি, আমি তার অর্ধেকেরও কম সময়ে দেশের ফুটবলকে কয়েকগুণ বেশি এগিয়ে নিতে পারব। বিশিষ্ট শিল্পপতি তরফদার রুহুল আমিন বললেন, ফুটবল ফেডারেশনকে অনেক টাকা দিয়েছি, স্পন্সর করেছি। কিন্তু এই অর্থ সঠিক কাজে ব্যবহার হয়নি। তাই নতুন সংগঠন (বিডিডিএফ) গঠনের মধ্যে দিয়ে ফুটবলপ্রিয় নিষ্ঠাবান সংগঠকদের নিয়ে কাজ শুরু করেছি। আশা করি আমরা সফল হবই। আমরা দেশের সব বিভাগ, জেলা ও ক্লাব সংগঠক, সাবেক তারকা ফুটবলারদের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি নিয়মিত। তিনি বলেন, আগামী দিনে ফুটবলের অগ্রগতির মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জঙ্গীবাদমুক্ত দেশ গঠনের উদ্যোগ সফল করতে আমরা বদ্ধপরিকর।

আয়োজক কমিটির অন্যতম কর্মকর্তা, উদ্যোক্তা তরফদার মোহাম্মদ রুহুল আমিন বলেন, ভারতীয় দল বেশি হলে টুর্নামেন্টের আকর্ষণ বাড়বে। আর এ কারনেই ভারতের তিন দলকে অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করেছিলাম। সফলও হয়েছিলাম। খেলা নিশ্চিত করেছিল ইস্টবেঙ্গল। কিন্তু ভারতের জাতীয় দলের ব্যস্ত সিডিউলের কারণে অংশ নিচ্ছে না তারা। উল্লেখ্য, ভারতের বর্তমান জাতীয় দলের আট ফুটবলারই ইস্টবেঙ্গলের। শুনেছি ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগানোর নাকি কয়েক কোটি কোটি সমর্থক রয়েছে ভারতে। এতে বিশাল এই সমর্থক গোষ্ঠীর দৃষ্টি থাকতো শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্লাব কাপের দিকে। তবে মোহনবাগান ও কলকাতা মোহামেডান খেলছে বিধায় ভারতীয় ফুটবলপ্রেমীদের যথেষ্ট আগ্রহ থাকবে টুর্নামেন্টে ঘিরে। এটা বাংলাদেশের ফুটবলের জন্য গৌরব। দেশে আন্তর্জাতিক ফুটবল দেখার সৌভাগ্য হচ্ছে না দর্শকদের। ফেডারেশনের বড় ব্যর্থতা-তারা দীর্ঘদিন ক্ষমতায় আছে। অথচ দেশে আন্তর্জাতিক টুর্নমেন্ট আয়োজন করতে পারছে না।

ফুটবল উন্নয়নের লক্ষ্যেই আমরা গঠন করেছি ’বাংলাদেশ ফুটবল ক্লাবস এ্যাসোসিয়েশন’। ঢাকার প্রিমিয়ার লীগ, চ্যাম্পিয়নশিপ লীগ, সিনিয়র ডিভিশন, দ্বিতীয় ও তৃতীয় বিভাগের ৬৫টি ক্লাবের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে গঠিত হয় বাংলাদেশ ফুটবল ক্লাব এ্যাসোসিয়েশন। নবগঠিত বাংলাদেশ ফুটবল ক্লাব এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন বিশিষ্ট ফুটবল সংগঠক তরফদার মোহাম্মদ রুহুল আমিন। আরামবাগ ক্রীড়া সংঘের সভাপতি মমিনুল হক সাঈদকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করেন উপস্থিত প্রতিনিধিরা। ক্লাব প্রতিনিধিদের স্বতঃস্ফূর্ত মিলনমেলায় উঠে আসে ফুটবলে পরিবর্তনের ডাক।

তরফদার মোহাম্মদ রুহুল আমিন মনে করেন ‘ফুটবলে বর্তমানে পরিচ্ছন্নতা ও শৃঙ্খলার বড়ই অভাব। ফুটবল উন্নয়নের সকল উপাদান নিম্নমুখী। ফেডারেশন ফুটবলকে বাণিজ্যিকভাবে ও খেলার মাঠে কোনদিকেই উন্নতি ঘটাতে পারেনি। ফলে ফুটবলে নেমে এসেছে একরাশ অন্ধকার। এই ক্লাব এ্যাসোসিয়েশনের মাধ্যমে ফুটবলের পরিবর্তনের ধারা শুরু করলাম। দেশের ফুটবল এগিয়ে নিতে আমরা বদ্ধপরিকর। তরফদার মোঃ রহুল আমিন যোগ করেন, খাদের কিনারা থেকে ফুটবলকে তুলে আনতে যোগ্য নেতৃত্বের বিকল্প নেই। আর এই যোগ্য নেতৃত্বের বড়ই অভাব দেশের ফুটবলের অভিবাবক সংস্থা বাফুফেতে। দেশের ক্রীড়াপ্রেমী তথা ফুটবলপ্রিয় মানুষ এখন পরিবর্তন চায়। এটা কেবল সময়ের দাবিই নয়। গন দাবীতে পরিণত হয়েছে।

সাইফ পাওয়াটেকের পৃষ্ঠপোষকতায় ও বিডিডিএফএয়ের উদ্যোগে দেশের ৫০ জেলায় ফুটবল লীগ সমাপ্ত হওয়ায় এটি একটি বড় অর্জন বলে সন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। বিডিডিএফএয়ের নতুন উদ্যোগ দেশের আট বিভাগীয় অনূর্ধ-২০ দল নিয়ে শেখ কামাল অনুর্ধ-২০ ফুটবল টুর্নামেন্ট শুরু করা। এই টুর্নামেন্টের জন্য জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে দল গঠন, প্রশিক্ষণ চলছে। টুর্নামেন্ট শুরু করতে বিভাগীয় পর্যায়ের দল গঠনে ফুটবলার বাছাই কার্যক্রম সুচারুভাবে সম্পন্ন করেছেন রহুল আমিন। চট্টগ্রাম বিভাগ থেকে যাত্রা শুরু হয় এ টুর্নামেন্টের প্রাথমিক পর্যায়ের খেলা। বিভাগীয় পর্যায়ে ২৫ সদস্যের একটি দল গঠন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। বিডিডিএফএফ মহাসচিব তরফদার মোঃ রুহুল আমিন আশাবাদ ব্যক্ত করেন, এই উদ্যোগ দেশের ফুটবলে নতুন প্রাণ সঞ্চার করবে। তিনি জানান বিডিডিএফএ আগামীতে দেশের মহিলা ফুটবল নিয়েও কাজ করবে।

উল্লেখ্য, শেখ কামাল আন্তর্জাািতক ক্লাব কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের সাংগঠনিক কমিটির প্রধান পৃষ্ঠপোষক হতে সম্মতি দিয়েছেন প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা। সাংগঠনিক কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিয়েছেন অর্থ মন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামাল। কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্বে শামসুল হক চৌধুরী এমপি। আর টুর্নামেন্টের প্রধান সমন্বয়কারীর দায়িত্ব পালন করবেন স্বাগতিক চট্রগ্রাম আবাহনীর ফুটবল কমিটির চেয়ারম্যান তরফদার মোঃ রুহুল আমিন। তিনি বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ পুত্র শহীদ শেখ কামালের স্মৃতি নিয়ে অনুষ্ঠিতব্য ’শেখ কামাল আন্তর্জাািতক ক্লাব কাপ’ ফুটবলের সাংগঠনিক কমিটির প্রধান পৃষ্ঠপোষক হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ, অনুপ্রাণিত। ক্রীড়াপ্রেমী প্রধানমন্ত্রী ও সাংগঠনিক কমিটির চেয়ারম্যান অর্থমন্ত্রীর দিক নির্দেশনায় আমরা সুন্দর ও সফলভাবে এই টুর্নামেন্ট অয়োজনে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। টুর্নামেন্টের ভ্যেনু এম এ আজিজ স্টেডিয়ামের সংস্কার কাজ অচিরেই শুরু হবে বলে জানান তিনি। আমরা স্টেডিয়ামের গ্যালারি, মাঠ ও ফ্লাড লাইট সংষ্কারের উদ্যোগ নিয়েছি। এই কাজে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর সার্বিকভাবে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। মোদ্দা কথা আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট আয়োজনে কোন ঘাটতি রাখব না- বলেন তিনি। প্রসঙ্গত, ফুটবলের পাশাপাশি বাংলাদেশের সাঁতার ও দাবার উন্নয়নে বিরাট ভূমিকা রাখছেন তিনি দুই ফেডারেশনের নির্বাহি কমিটির সহ-সভাপতি হিসেবে। নিয়মিত স্পন্সর করে থাকেন এ দুটি ক্রীড়ার যে কোন বড় আসরে।