১৭ অক্টোবর ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

‘জয় বাংলা : জয় মুক্তিযোদ্ধা’

  • ১৯ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১;###;শাহাব উদ্দিন মাহমুদ

১৯৭১ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর দিনটি ছিল রবিবার। ২নং সেক্টরে মুক্তিবাহিনীর গেরিলা দল মালোচিন বাজারে অবস্থানরত পাক পুলিশের একটি দলকে আক্রমণ করে। এই আক্রমণে ১৯ জন পাকপুলিশ নিহত হয়। লক্ষ্মীপুরে মুক্তিবাহিনী পাকসেনা অবস্থানের ওপর রকেট লাঞ্চারের সাহায্যে তীব্র আক্রমণ চালায়। এতে পাকসেনাদের দুটি বাঙ্কার ধ্বংস হয় এবং দুজন পাকসেনা নিহত ও একজন আহত হয়। কুমিল্লায় লে. ইমামুজ্জামানের নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধাদল পাকবাহিনীর বাডিসা ও গোবিন্দ মানিক্যের দীঘি অবস্থানের ওপর একযোগে আক্রমণ চালায়। গোবিন্দ মানিক্যের দীঘি (ধর্মসাগর) অবস্থানে দুটি বাঙ্কার ধ্বংস ও ৬ জন পাকসেনা নিহত হয়। মুক্তিবাহিনী বাডিসা ঘাঁটি আক্রমণ সম্পূর্ণ সফল হয়। চৌদ্ধগ্রামের বাতিসায় ২০ জন পাকসৈন্য নিহত হয়। ৮নং সেক্টরের গোজাডাঙ্গা সাব-সেক্টরে মুক্তিবাহিনী পাকসেনাদের মোহাম্মদপুর অবস্থানের ওপর আক্রমণ চালায়। এই আক্রমণে পাকবাহিনীর একজন মেজরসহ ৬ জন সৈন্য নিহত হয়। মুক্তিবাহিনী দিনাজপুরের অমরখানা এলাকায় অবস্থানরত পাকসেনাদের ওপর আক্রমণ চালায়। এই আক্রমণে ৮ জন পাকসৈন্য নিহত হয় ও কয়েকজন আহত হয়। ভালুকা থানার রাজৈগ্রাম এলাকায় পাকবাহিনী লুটতরাজ চালালে কোম্পানি কমান্ডার চাঁন মিয়া তার দল নিয়ে আক্রমণ করেন। ফলে ৭ জন পাকসেনা নিহত হয়। ২ ঘণ্টা গুলি বিনিময়ের পর পাকসেনারা পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। একই দিন ভালুকা থানার পোনাশাইল এলাকায় কোম্পানি কমান্ডার চাঁন মিয়ার একটি প্লাটুনের সঙ্গে একদল রাজাকার ও পাকসেনাদের এক ঘণ্টাকাল গুলি বিনিময় হয়। এই যুদ্ধে দুইজন পাকসেনা নিহত হয়। রাজাকারসহ পাকসেনাদের একটি দল রামগঞ্জ থেকে লক্ষ্মীপুরের রাস্তায় ১০টি গাড়িতে অগ্রসর হচ্ছিল। এই সংবাদ পেয়ে মুক্তিযোদ্ধারা সুবেদার আলী আকবর পাটোয়ারীর নেতৃত্বে মীরগঞ্জ এবং ফজলচাঁদ হাটের কাছে পাকসেনাদের অতর্কিত আক্রমণ চালায়। এই আক্রমণের ফলে পাকসেনারা ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে ওঠে। পাকসেনারা গাড়ি থেকে নিচে নেমে আক্রমণ প্রতিহত করার চেষ্টা করে। উভয়পক্ষের মধ্যে সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত প্রচ- যুদ্ধ চলতে থাকে। গেরিলা বাহিনীর কমান্ডার মীর মঞ্জুরুল হক সুফীর নেতৃত্বে সারিয়াকান্দি থানার তাজুরপাড়া গ্রামে অনুপ্রবেশকারী একদল পাকবাহিনীকে ঘেরাও করা হয়। প্রচ- গোলাগুলির পর ঘটনাস্থলে শত্রুপক্ষের কয়েকজন সেনা নিহত ও বাকি সেনারা পলায়ন করতে বাধ্য হয়। বিবিসির সংবাদ থেকে জানা যায়, জাতিসংঘ মহাসচিব উ’থান্ট ভারতীয় উপমহাদেশের অবস্থা নিয়ে সতর্কবাণী উচ্চারণ করে বলেন, রাজনৈতিক মীমাংসা ব্যতীত পূর্ব পাকিস্তানের মৌলিক সমস্যা সমাধান হবে না। তিনি বিশ্ববাসীর কাছে সাহায্য প্রদানের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, রিলিফের জন্য তিনি যে আবেদন করেছেন তা অপ্রতুল। ভারত পাকিস্তান সম্পর্ক পূর্ব পাকিস্তানের সমস্যার অন্যতম কারণ। সন্দেহ নেই যে উভয় দেশ সমাধান চায় তবে সীমান্তে টেনশন বাড়ছে। সীমান্তে নানারকম অবৈধ কর্মকা- ঘটছে। পাকিস্তান নির্বাচন কমিশন ঘোষণা করেন, ২৫ নবেম্বর থেকে ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত পূর্ব পাকিস্তানে জাতীয় পরিষদের ৭৮টি শূন্য আসনে এবং প্রাদেশিক পরিষদের ১০৫টি শূন্য আসনে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। দৈনিক অমৃতবাজার, দৈনিক যুগান্তর ও দ্য স্টেটসম্যান পত্রিকার সংবাদ থেকে জানা যায়, বাংলাদেশ বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে যোগদানকারী ২৪টি দেশের প্রতিনিধিরা সর্বসম্মতিক্রমে শেখ মুজিবুর রহমানের নিঃশর্ত মুক্তি প্রদানের আহ্বান জানান, যিনি বাংলাদেশের জনগণের অবিসংবাদিত নেতা। বাংলাদেশের গণহত্যায় নিহতদের স্মরণে দুই মিনিট নীরবতা পালনের মধ্য দিয়ে তিন-দিনব্যাপী এই সম্মেলন শুরু হয়। সম্মেলন বিশ্ববাসী এবং তাদের সরকারদের প্রতি বাংলাদেশে মানবাধিকার লঙ্ঘন থেকে বিরত থাকার জন্য পাকিস্তানের সামরিক সরকারের ওপর চাপ প্রয়োগ করার আহ্বান জানান। মি. নারায়ণ, তাঁর বক্তব্যে ইঙ্গিত দেন ‘সোভিয়েত রাশিয়া ছাড়া, ভারতের বাইরের পৃথিবী’, পাকিস্তানের শাসকদের তাদের অপরাধের জন্য নিন্দা জানাতে ব্যর্থ হয়েছে। তিনি এতদূর পর্যন্ত বিশ্বাস করেন যে শরণার্থীরা ততক্ষণ পর্যন্ত তাদের দেশে ফিরে যাবে না যতক্ষণ পর্যন্ত না শেষ পাকিস্তানী সৈন্যটি বাংলাদেশ ত্যাগ করছে এবং বাংলাদেশ একটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করছে। সাম্প্রতিক ইতিহাসে ঘটে যাওয়া অন্যসব ঘটনার চেয়ে বাংলাদেশের ঘটনাটি বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে ভিন্ন। প্রথমত, পৃথিবীতে পাকিস্তানের মতো অন্য আর কোন জাতি-রাষ্ট্র নেই যার দুই অংশ হাজারো মাইল দূরত্বে বিভক্ত, সমুদ্র দ্বারা নয় প্রায় ৭০০ মাইল যেমন মালয়েশিয়ার ক্ষেত্রে, বরং ভারতীয় ভূখ- দ্বারা। দ্বিতীয়ত, ধর্ম ছাড়া পাকিস্তানের পূর্ব এবং পশ্চিম অংশের মধ্যে কোন মিলই নেই। তৃতীয়ত, পাকিস্তানের মোট জনসংখ্যার অধিকাংশ প্রায় ৬০%, পূর্ব অংশে বসবাস করে। চতুর্থত, বেশ কিছু পরিস্থিতির কারণে রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক ক্ষমতা সবসময়ই কতিপয় রাজ্যশাসক পশ্চিম পাকিস্তানী সামরিক অফিসারের হাতে ছিল যার ফলে পূর্ব পাকিস্তান একটি উপনিবেশে পরিণত হয়। তারপরও শেখ মুজিবুর রহমান কখনই আলাদা হয়ে যাওয়ার কথা চিন্তা করেননি। বরং, শেখ মুজিব প্রকাশ্যে বলেছেন, সংখ্যাগুরু সম্প্রদায় কখনই সংখ্যালঘু সম্প্রদায় থেকে আলাদা হয়ে যায় না। ফলে, যে ভিত্তির উপর দাঁড়িয়ে তিনি গত সাধারণ নির্বাচনে লড়েছেন তা পূর্ণ অভ্যন্তরীণ স্বায়ত্তশাসনের দাবির চেয়ে বেশি কিছু ছিল না। তাঁর জয়লাভ অবশ্য, পাকিস্তানের শাসকদের আতঙ্কিত করে তোলে, কেননা এর মানে দাঁড়ায় রাষ্ট্র-ক্ষমতার মধ্যে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ক্ষমতার ক্ষেত্রে দুটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন, যেখানে সামরিক-বেসামরিক রাজ্যশাসন ক্ষমতা জনতার হাতে হস্তান্তর এবং ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু পশ্চিম থেকে পূর্বে সরে যাওয়া। বাকি সবকিছু সাম্প্রতিক ইতিহাসের অংশ এবং মি. নারায়ণ বিস্ময় প্রকাশ করেন পশ্চিম পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর অবাধ নজিরবিহীন অত্যাচারের মুখে বাঙালীদের স্বাধীনতার ঘোষণা দেয়ার জন্য তাদের কেউ কিভাবে দোষারোপ করতে পারে। তিনি আরও বলেন, পাকিস্তানীরা মার্চের ২৫-২৬ তারিখের মধ্যরাত থেকে তাদের ওপর যা করেছে তারপর বাঙালীদের সামনে আর অন্য কোন উপায় ছিল না। একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে আমার কোন দ্বিধা নেই বলতে যে ওদের জায়গায় থাকলে আমিও ঠিক একই কাজ করতাম। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী মি. তাজউদ্দীন আহমদকে উদ্ধৃত করে, তিনি বলেন, লাশের পর্বতের নিচে সেই দেশ চাপা পড়ে গেছে। তিন দিনব্যাপী এই সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনের সভাপতিত্ব করা সর্বোদয় নেতা জয়প্রকাশ নারায়ণ কর্তৃক উত্থাপিত দাবিতে সম্মেলনটিতে অংশগ্রহণকারী সকল প্রতিনিধি দাঁড়িয়ে সমর্থন প্রকাশ করেন। সম্মেলন এবং বাংলাদেশের জনগণের সফলতা কামনা করে রাষ্ট্রপতি ভিভি গিরি, ফরাসী প্রধানমন্ত্রী মেন্ডেস-ফ্রান্স, বুদ্ধিজীবী আদ্রে মার্লো, সঙ্গীতজ্ঞ ইয়েহুদি, মেউহিন, আমেরিকান সিনেটর এডওয়ার্ড কেনেডি এবং একটি বড় সংখ্যার ভারতীয় নেতাদের কাছ থেকে পাওয়া বার্তা গৃহীত হয়। সভাপতির পর প্রথম ব্যক্তি হিসেবে সম্মেলনে ভাষণ দেন বাংলাদেশের প্রতিনিধি এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য এ আর মল্লিক। তিনি মার্চের ২৫-২৬-এর দুঃস্বপ্নের আগে ঘটে যাওয়া মর্মভেদি ঘটনাবলির বর্ণনা দেন যার ফলে পরবর্তী সময়ে ১০ লাখ বাঙালীর বিনাশ ঘটে, ৮০ লাখের বেশি গৃহহীন হয়ে জীবন বাঁচাবার তাগিদে ভারতে আশ্রয় নেয়। জাতিসংঘে সিলনের প্রতিনিধিত্বকারী মি. গুণাবর্ধনে বলেন, ‘বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান হবে নৈতিকতার জয়, সত্যের জয়।’ বাংলাদেশের এই দুঃখজনক ঘটনা সিলনবাসীকে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছে এবং তারা ওখানে যা ঘটছে তাকে পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ বিষয় হিসেবে দেখছে না। বাংলাদেশের জনগণ তাদের আত্মনিয়ন্ত্রাধিকার অনুশীলন করেছে এবং তারা যাতে তাদের ন্যায্য অধিকার আদায় করতে পারে এটা নিশ্চিত করা বিশ্ববাসীর দায়িত্ব। নেপালের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বিপি কৈরালা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, ‘যদি বাংলাদেশের বাতি নিভে যায় তাহলে বাকি পৃথিবীরও আরও অনেক বাতি নিভে যাবে তা নিশ্চিত।’ বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধারা শুধু তাদের স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করছে তা নয় বরং তারা ‘মানুষের মর্যাদা’ বজায় রাখার জন্যও যুদ্ধ করছে। নাইজেরিয়ান লইয়ার্স এ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধি মি. গানি ফাওয়েহিন্মি বলেন, ‘বাংলার লাখ লাখ মানুষকে আমরা নিষ্পেষিত হতে দেব না।’ তিনি বিশ্ববাসীর প্রতি আহ্বান জানান এটা নিশ্চিত করতে যে বোমা ও গুলি যেন ধ্বংস করতে সক্ষম না হয় বাংলাদেশের জনগণের এই আকাক্সক্ষা কেননা তাঁর ভাষ্যমতে এরা অব্যাহত শোষণের শিকার এবং এখন তারা তাদের ন্যায্য দাবির জন্য লড়ছে। ওয়ার অন ওয়ান্ট এর সহ-সভাপতি, স্যার জর্জ ক্যাটলিন বলেন, এই সম্মেলনের উচিত জাতিসংঘের ওপর কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করা যাতে করে বাংলাদেশের জনগণের গণতান্ত্রিক আকাক্সক্ষাগুলো পূর্ণ হয় এবং তাদের অবর্ণনীয় দুর্দশার পরিসমাপ্তি ঘটে। প্রফেসর সুয়োৎশি নারা বাংলাদেশের এই সমস্যা যাতে করে বিশ্বের পরাশক্তিগুলোর মদদে একটি বৃহত্তর এশীয় যুদ্ধে রূপান্তরিত না হয় তা নিশ্চিত করতে পদক্ষেপ নেয়ার জন্য আহ্বান জানান। মিঃ ক্লোভিস মাকসুদ (মিসর), যিনি লিবিয়া এবং সুদানেরও প্রতিনিধিত্ব করছেন, বলেন যে বাংলাদেশের এই সমস্যাকে কোনভাবেই পাক-ভারত বিরোধের অন্তর্ভুক্ত করা যাবে না। ওয়ার্ল্ড ফেডারেলিস্ট নামের প্রতিষ্ঠানটি তাদের দুইজন প্রতিনিধি ডেনমার্কের মি. নিলসন এবং নরওয়ের মিসেস সিগরিড হাননিসদাল-এর মাধ্যমে, সম্মেলনে উপস্থিত প্রতিনিধিদের সঙ্গে একাত্ম হয়ে পূর্ব বঙ্গের জনগণকে তাদের আত্মনির্ধারণের অধিকার অনুশীলন করা থেকে প্রত্যাখ্যাত হওয়া নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে। আফগানিস্তানের মিল্লাত অব কাবুল-এর প্রতিনিধি মি. হেরদাদ বাঙালীদের আশ্বস্ত করেন যে আফগানিস্তানের জনগণ তাদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেছে। তিনি বলেন পূর্ববঙ্গের বাঙালীদের শোষণের শিকল ছিঁড়ে ফেলার আকাক্সক্ষার প্রতি আফগানিস্তানের জনগণের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে। ডাঃ হোমার এ জ্যাক, ওয়ার্ল্ড কনফারেন্স অফ রিলিজিয়ন্স ফর পিসের সাধারণ সম্পাদক তুলনাহীন নিষ্ঠুরতার বর্ণনা দেন যা তিনি বাংলাদেশে তাঁর অবস্থানের সময় জানতে পারেন । ব্রিটিশ হাউস অব কমন্স এর সমাজতান্ত্রিক সদস্য ফ্রেড ইভান্স তাঁর তীব্র ও শক্তিশালী ভাষণের সমাপ্তি টানেন এভাবে ‘জয় বাংলা : জয় মুক্তিযোদ্ধা’। দৈনিক টাইমস অব ইন্ডিয়ায় প্রকাশিত ভারতীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রীর বিবৃতি থেকে জানা যায়, প্রতিরক্ষামন্ত্রী জগজীবন রাম, আজ বাংলাদেশ সমস্যায় ভারতের ‘রাজনৈতিক সমাধান’ এর ব্যাপারে ধারণা দেন। তিনি বলেন, সেখানকার নির্বাচিত প্রতিনিধিদের স্বীকার করে নেয়া হবে অন্যতম উপায়। এই নির্বাচিত প্রতিনিধিরা বলেন, সম্পূর্ণ স্বাধীনতা দেয়া ছাড়া কোন কিছুতেই তারা সন্তুষ্ট হবেন না।

লেখক : শিক্ষাবিদ ও গবেষক

sumahmud78@gmail.com