২০ অক্টোবর ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

হিটলারের অজানা গল্প

  • হুমায়ূন শফিক

হিটলারের মৃত্যুর পর বিভিন্ন গবেষণায় উঠে এসেছেÑ হিটলার সমকামী ছিলেন। কিন্তু অনেকে এই মতের বিরোধিতা করে বলেছেন, তার যৌন অনুভূতিই ছিল না। যদিও আজ পর্যন্ত কেউই তাদের বক্তব্যের স্ব-পক্ষে অকাট্য কোন প্রমাণ দিতে পারেননি। ব্রিটিশ সাহিত্যিক মার্টিন এমিস তার উপন্যাসে হিটলারের যৌন জীবন নিয়ে এমন কিছু তথ্য দিয়েছেন, পড়ে চমকে উঠতে পারেন! এ্যাডলফ হিটলার তার সঙ্গিনী ইভা ব্রাউনের সঙ্গে সহবাস করতেন তাকে নগ্ন না করেই। এমিসের লেখায় বান্ধবীর সঙ্গে হিটলারের সহবাসের এই খবর প্রকাশিত হয়েছিল দৈনিক সংবাদপত্রে।

লেখক জানিয়েছেন, হিটলারের মধ্যে যৌন সংক্রান্ত কোন আবেগ প্রকাশ পেত না। বান্ধবীকে না ছুঁয়ে বরং তাকে দেখেই উত্তেজনার চূড়ান্তে পৌঁছে যেতেন। এভাবেই প্রিয় বান্ধবী ইভার ভালবাসায় সিক্ত হতেন হিটলার। সুতরাং বুঝতেই পারছেন, ওই সময় ইভার মানসিক অবস্থা। ইভা গভীর অবসাদে ডুবে যেতেন। লেখক এমনও দাবি করেছেন, হিটলারের অত্যাচারের চেয়ে কোন অংশে কম ছিল না তার যৌন স্বেচ্ছাচারিতা।

হিটলারকে নিয়ে গবেষণা কম হয়নি। সেখানে তার ব্যক্তি জীবনও উঠে এসেছে। গবেষকরা আরও বলছেন, হিটলারের যৌনাঙ্গ আকারে ছোট এবং বাঁকা ছিল। এই ব্যাপারটি হয়ত অনেকেই জানেন। কিন্তু সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর খবর হচ্ছে, তিনি না কি পায়ু-সংক্রান্ত যৌনতায় উৎসাহ পেতেন। এর্নেস রোহেম নামে হিটলার-ঘনিষ্ঠ এক নাৎসি অফিসার যখন এই সংবাদ পৃথিবীকে জানালেন তখন হৈচৈই পড়ে গিয়েছিল। তিনি লিখেছেন, ‘হিটলার সুন্দরী মেয়েদের পছন্দ করতেন।’

আরেকটি তথ্য হচ্ছে, শোনা যায় হিটলারের অন্ডকোষ একটা ছিল। মূলত প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় ‘শ্র্যাপসেল শেল’-এর আঘাতে তার একটি অ-কোষ নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। পোল্যান্ডের এক ধর্মগুরু ও ঐতিহাসিক ফ্র্যান্সিজেক পলারের লেখায় এই তথ্য পাওয়া যায়। ঐতিহাসিকদের বক্তব্য- যে জার্মান সেনা চিকিৎসক হিটলারের চিকিৎসা করেছেন তিনি নিজেই এ কথা পলারকে বলেছেন।

সে যাই হোক, পাঠক ভূমিকা পড়ে এটুকু হয়ত বুঝতে পেরেছেন- হিটলারের যৌন জীবন নিয়ে নানা ধরনের গুজব আর জল্পনা-কল্পনা রয়েছে। সেগুলোর অনেকগুলোই আবার রাজনৈতিক শত্রুদের দ্বারা মসলাযুক্ত হয়েছে। তবে এর কোনটিরই চূড়ান্ত প্রমাণ পাওয়া যায় না। হিটলারের ব্যক্তি জীবন নিয়ে যে প্রমাণ পাওয়া যায়, তার প্রায় সবগুলোই তার আশপাশের লোকজনের কাছে পাওয়া। এদের মধ্যে আছেন তার সেক্রেটারি এ্যালবার্ট স্পিয়ার, রিচার্ড ওয়াগ্নার পরিবার ইত্যাদি। তবে এটুকু প্রমাণ আছে, জীবনে কিছুসংখ্যক মেয়ের সঙ্গে তার রোমান্টিক সম্পর্ক ছিল এবং একই সঙ্গে সমকামিতার প্রতি তার বিদ্বেষ দেখা গেছে।

ব্রিটিশ ইতিহাসবিদ স্যার ইয়ান কারশাও লিখেছেন: ‘ভিয়েনার একজন যুবক হয়ে হিটলার নিজেকে সমকামিতা ও পতিতাবৃত্তিসহ যে কোন ধরনের যৌন কর্মকাণ্ড থেকে নিরস্ত রেখেছেন। তিনি আসলে যৌনতার মাধ্যমে ছড়ানো রোগগুলো ভয় পেতেন। উল্টোদিকে হারমান রাউশনিংয়ের অভিযোগ শুনলে আপনার এই ধারণা পাল্টে যেতে পারে। তিনি বলেছেন, প্রথম বিশ্বযুদ্ধের কোর্ট মার্শাল বিষয়ক মিলিটারি রেকর্ডে একটা অনুচ্ছেদে দেখা যায়, এক অফিসারের সঙ্গে হিটলারের গোপন সমকামী সম্পর্ক ছিল। রাউশনিং আরও অভিযোগ করেন, মিউনিখে অনুচ্ছেদ-১৭৫ ভাঙ্গার অপরাধে হিটলার অপরাধী ছিলেন যা সমকামের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত।

এ তো গেল হিটলারের সৈনিক জীবনের কাসুন্দি। চলুন তার যুবক বয়সের গল্প শুনি। হিটলার যুবক থাকা অবস্থায়, কয়েকটি সাময়িক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন। সে তার চেয়ে ১৯ বছরের ছোট এক দুঃসম্পর্কের ভাগ্নি গেলি রাউবালের সঙ্গে গভীর সম্পর্কে যুক্ত ছিলেন। ১৯২৫ সালে মেয়েটির মা হিটলারের গৃহকর্মী হিসেবে নিযুক্ত হয়। ফলে মা ও মেয়ে দু’জনই হিটলারের বাসায় থাকতে শুরু করে। যদিও সম্পর্কের আসল প্রকৃতি এবং ব্যাপ্তি এখনও অজানা। তবে কারশাও বিষয়টিকে সুপ্ত যৌন নির্ভরতা হিসেবে অভিহিত করেছেন। তখন গুজব ছিল যে, তাদের মধ্যে রোমান্টিক সম্পর্ক আছে। ১৯৩১-এর সেপ্টেম্বরে গেলি হিটলারের বন্দুক দিয়ে মিউনিখের সেই এ্যাপার্টমেন্টে আত্মহত্যা করে। এ ঘটনায় হিটলার গভীর দুঃখ পেয়েছিলেন। মিউনিখের প্রথম দিনগুলোতে হিটলারের আশপাশের মানুষের মধ্যে একজন আর্নেস্ট হানফসটায়েঙ্গি। তিনি লিখেছেন : ‘আমার মনে হয়, হিটলার এমন একটা মানুষ ছিল, যে মাছও না, মাংসও না, আবার পাখিও না। যে পুরো সমকামীও না, আবার পুরো বিপরীতকামীও না। আমি তাকে নপুংসক মানুষ বলে অভিযুক্ত করেছিলাম।’

এই হানফসটায়েঙ্গি হিটলারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছিলেন, হিটলার আমেরিকান এ্যাম্বাসেডরের মেয়ে মার্থা ডডের সঙ্গে রোমান্টিক সম্পর্ক তৈরির চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। তার মতে, ফিল্মমেকার লেনি রিফেনস্টাহি হিটলারের সঙ্গে সম্পর্ক করতে চেয়েছিলেন, কিন্তু হিটলার মেয়েটিকে প্রত্যাখ্যান করেন।

হিটলারের সময় সমকামীদের নির্যাতন করা হতো। নথি থেকে জানা যায়, প্রায় ৫০০০ থেকে ১৫০০০ সমকামীকে পাঠানো হয়েছিল কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পে, যাদের মধ্যে ২৫০০ থেকে ৭৫০০ জন মারা যায়। ১৯৪১ এর আগস্টে হিটলার ঘোষণা দেন- সমকামিতা প্লেগের মতো সংক্রামক ও বিপজ্জনক।

হিটলার জনগণের কাছে ‘চিরকুমার’ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। যে তার জীবনকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ও রাষ্ট্রের জন্য উৎসর্গ করেছে। তিনি ক্ষমতার কারণে মেয়েদের কাছে নিজেকে আকর্ষণীয় মনে করতেন। হিটলারের বন্ধু এ্যালবার্ট স্পিয়ার তার একটা পছন্দের কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন, হিটলার কম বুদ্ধিমান মেয়েদের সঙ্গে সময় কাটাতে ভালবাসতেন। যারা তাকে রাষ্ট্র বা যুদ্ধের ব্যাপারে কখনও জিজ্ঞেস করবে না। কারশাও ধারণা করেন যে, হিটলার সে সব যুবতী মেয়েকে পছন্দ করতেন যাদের খুব সহজেই নিয়ন্ত্রণ করা যায় বা যাদের ওপর কর্তৃত্ব ফলানো যায়। তিনি উল্লেখ করেন যে, হিটলারের মেয়ে সহযোগীদের মধ্যে কমপক্ষে তিনজন (ইভা ব্রাউন, গেলি রাউবাল এবং মারিয়া রেইটার) ছিল তার থেকে অনেক বেশি কম বয়সের। ব্রাউন তার থেকে ২৩ বছরের ছোট, রাউবাল ছিলেন ১৯ বছরের ছোট এবং রেইটার ছিলেন ২১ বছরের ছোট।

ইভা ব্রাউনের সঙ্গে তার ১৪ বছরের প্রেমের সম্পর্ক বাইরে এবং ভেতরের কেউ জানত না। আশপাশে সবার মাঝে তিনি ব্রাউনকে নিয়ে খোলামেলা ছিলেন। তারা জুটি হিসেবে বসবাস করতেন। হিটলারের ভৃত্য হেইঞ্জ লিঞ্জ জানান, হিটলার আর ব্রাউনের আলাদা শোবার ঘর এবং বাথরুম ছিল। তাদের শোবার ঘরের মাঝে একটা দরজা ছিল। সন্ধ্যার পর থেকে ঘুমানোর আগে পর্যন্ত তারা একসঙ্গে পড়তেন। এ সময় ব্রাউন ড্রেসিং গাউন কিংবা হাউজ কোট পরতেন এবং ওয়াইন পান করতেন। হিটলারের পছন্দ ছিল চা। ব্রাউনের জীবনীলেখক হেইকে গোরটেমা উল্লেখ করেছেনÑ এই জুটি স্বাভাবিক যৌন জীবন উপভোগ করতেন। ব্রাউনের বন্ধু এবং আত্মীয়রা ১৯৩৮ সালে ফটোগ্রাফার নেভিলি চেম্বারলিনের তোলা মিউনিখে হিটলারের ফ্ল্যাটের সোফায় তার বসা একটি ছবি দেখে হাসাহাসি করে ইঙ্গিত করেছিলেন : ‘কি হয়েছে সেটা সেই জানে আর সোফা জানে।’ তবে হিটলারের চিঠি প্রমাণ করে, তিনি ব্রাউনকে পছন্দ করতেন এবং যে কোন কারণে চায়ের টেবিলে দেরি হলে চিন্তিত হতেন। তার ব্যক্তিগত সচিব ট্রাউডল জাঙ্গে বলেছেন, যুদ্ধের সময় হিটলার এবং ব্রাউন নিয়মিত কথা বলতেন। ব্রাউন যখন মিউনিখে তার থেকে দূরে ছিলেন, তখন তিনি তার নিরাপত্তার ব্যাপারে চিন্তিত ছিলেন এবং ব্রাউনকে নিজের কাছে নিয়ে আসেন। জাঙ্গে একদিন তাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, কেন তিনি বিয়ে করেননি?

হিটলার উত্তর দিয়েছিলেন, ‘আমি আসলে স্ত্রীকে বেশি সময় দিতে পারব না।’ হিটলার আরও বলেছিলেন, ‘সে সন্তান চায় না। কারণ খুব কঠিন সময়। সন্তানদের তাদের বিখ্যাত বাবা-মায়ের মতো বিখ্যাত হওয়ার মতো মেধা আছে বলে ধরে নেয়া হয় এবং সন্তানরা যদি তা না হতে পারে তাহলে মেনে নেয়া যায় না।’ যদিও হিটলার এবং ব্রাউন ১৯৪৫ সালের এপ্রিলের শেষ দিকে বিয়ে করেছিলেন এবং আত্মহত্যার পূর্ব পর্যন্ত ৪০ ঘণ্টারও কম সময় একসঙ্গে ছিলেন।

অনেক তো হিটলারের যৌনজীবন নিয়ে আলাপ হলো। এবার একটা গল্প দিয়ে শেষ করি। গল্পটি অন্তর্জালে ভেসে বেড়ায়। যদিও এটি গল্প নয়, সত্যি গল্প। পাঠক গল্পটি আপনাকে মনে করিয়ে দেয়ার জন্যই আবারো বলা।

১৯০৬ সালের ভিয়েনা। রাস্তার ধারে বসে থাকা তরুণ এক চিত্রশিল্পীকে দেখতে পেয়ে শখ করে এক মেয়ে গেল নিজের ছবি আঁকাতে। অসম্ভব রূপবতী সেই মেয়ের ছবি আঁকতে গিয়ে মনের অজান্তেই শিল্পী তার প্রেমে পড়ল- লাভ এট ফার্স্ট সাইট! ছেলেটির স্বপ্ন তখন বড় চিত্রশিল্পী হওয়ার।

শিল্পীর মন প্রেমময় হয়। একদিন মেয়েটিকে সে ভালবাসার কথা বলেও দেয়। মেয়েটি হ্যাঁ বা না, কিছুই বলে না। ছেলেটি মাঝে মাঝে মেয়েটির বাড়ির সামনে গিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে একপলক দেখার জন্য। এসবই একদম সাদামাটা আটপৌরে, তবে বিশ্বজনীন প্রেমের ফরম্যাট। মেয়েটি যেহেতু ধনী ব্যবসায়ীর কন্যা তাই সে থাকে বিশাল মহলে, উঁচু পাচিলঘেরা, বড় লোহার গেট। বাংলা সিনেমা, নাটকে যেমন দেখি আমরা। মাঝেমধ্যে ছেলেটি তার পোষা প্রিয় কুকুরকে গেটের ফাঁক দিয়ে সেই বাড়িতে ঢুকিয়ে দিত। কুকুরটার মুখে থাকত প্রেমপত্র। ভিয়েনা আসার সময় ছেলেটির মা তার সঙ্গে কুকুরটি দিয়ে দিয়েছিল। কুকুরটি ছিল মায়ের দেয়া শেষ উপহার! কারণ এরপর আর কোনদিন মায়ের সঙ্গে ছেলেটির দেখা হয়নি।

একদিন মেয়েটির পরিবারের নজরে আসে বিষয়টি। চালচুলোহীন রাস্তার ছেলে। ভবিষ্যত বলতে কিছুই নেই, তার ওপর ইহুদীও নয়। অতএব এই সম্পর্ক কিছুতেই মেনে নেয়া যায় না। তখন যা হবার তাই হলোÑ ছেলেটিকে প্রথমে নিষেধ করে দেয়া হলো বাড়ির সামনে আসতে। কিন্তু জগতজুড়ে প্রেম কি আর কারও বারণ শোনে? ছেলেটি সুযোগ পেলেই চলে আসত। দূর থেকে প্রেয়সীকে দেখত। উত্তর না এলেও প্রেমপত্র লিখত নিয়মিত। একদিন প্রেমপত্রসহ কুকুরটিকে বাড়ির ভেতর পাঠানোর পর কুকুরটি আর ফিরল না। ছেলেটি সারারাত অপেক্ষা করে সকালে ব্যর্থ মনোরথে চলে গেল। পরদিন সে মেয়েটির বাড়ির সামনে গিয়ে দেখল- রাস্তার পাশে প্রিয় কুকুরটি মরে পড়ে আছে। নির্মমভাবে মেরে ফেলা হয়েছে কুকুরটিকে।

ছেলেটি আর কখনও ওই বাড়ির সামনে যায়নি। চাপা কান্না বুকে নিয়ে সে ফিরে এসেছিল সেদিন। চালচুলোহীন ওই রাস্তার ছেলেটি পরবর্তী জীবনে যা করেছিল তা আজ ইতিহাস। ছেলেটি নিজ হাতে গত শতাব্দীর ইতিহাস লিখে গেছে। দুঃখের বিষয় হলো, ছেলেটি মারা যাওয়ার অনেক পরে মেয়েটি বলেছিল, ছেলেটিকে মনে মনে সেও ভালবাসত। মেয়েটির নাম স্টিফানি আইজ্যাক। আর চালচুলোহীন ওই রাস্তার ছবি আঁকিয়ে ছেলেটি আর কেউ নয়; এতক্ষণ যার যৌন জীবনের কাসুন্দি কৌতূহলী হয়ে পড়লেন- এডলফ হিটলার।

অনেক ইতিহাসবিদ মনে করেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে হিটলার ৬৩ লাখ ইহুদীকে প্রাণে মেরেছিলেন, যার মূলে ছিল তার ইহুদীবিদ্বেষ। এই মনোভাবের জন্য দায়ী স্টিফানির প্রেম ও বিরহ যাতনা। হিটলার আঘাত পেয়েছিলেন। কিন্তু পৃথিবী কি সেদিন ভেবেছিল, অথবা তিনি নিজেই কি কখনও ভেবেছিলেন কত বড় প্রত্যাঘাত তিনি করবেন? তবে হ্যাঁ, ক্ষমতার লোভ এবং যে কোন উপায়ে বড় হওয়ার তীব্র বাসনা তার মনে গেড়ে বসেছিল তাতে সন্দেহ নেই। তীব্র ভালবাসার গোলাপ কখনও কখনও দিনশেষে তীব্র নীল ঘৃণায় উল্টে যেতে পারে। প্রশ্ন হচ্ছে, হিটলার কাকে বেশি ভালবেসেছিলেন? স্টিফানিকে না কি মায়ের শেষ উপহার কুকুরটিকে? সূত্র: রাইজিং বিডি

নির্বাচিত সংবাদ