০৫ অক্টোবর ২০১৯

আগামীকাল থাইল্যান্ড নেওয়া হচ্ছে আলাউদ্দিন আলীকে

আগামীকাল থাইল্যান্ড নেওয়া হচ্ছে আলাউদ্দিন আলীকে

অনলাইন রিপোর্টার ॥ থাইল্যান্ড নেওয়া হচ্ছে কিংবদন্তি সুরকার ও জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারজয়ী সঙ্গীত পরিচালক আলাউদ্দিন আলীকে। ক্যান্সারে আক্রান্ত এ শিল্পী সুচিকিৎসার জন্য আগামীকাল রবিবার ঢাকা ছাড়বেন।

প্রখ্যাত এ শিল্পীকে রবিবার ব্যাংককের সুকুমভিত হাসপাতালে নেওয়া হবে। তার সঙ্গে স্ত্রী ফারজানা আলী মিমি ও মেয়ে আদৃতা রাজকন্যাও যাচ্ছেন। এ বিষয়ে শিল্পীর স্ত্রী ফারাজানা মিমি জানান, ২০১৫ সালে আলাউদ্দিন আলীর ক্যান্সার ধরা পড়ে। ব্যাংকক হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়া হয়েছিল। সেই ক্যান্সার আবারও ফিরে এসেছে শরীরে।

প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় মহাখালীর আয়েশা মেমোরিয়াল হসপিটালে আইসিইউতে ভর্তি হন উপমহাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সুরকার ও সংগীত পরিচালক আলাউদ্দিন আলী। এরপর তার অবস্থার অবনতি হলে টানা ২৬ দিন লাইফ সাপোর্টে রাখা হয় তাকে।

এরপর বিএসএমএমইউতে এ শিল্পীর চিকিৎসা শেষে শরীরের বাম অংশে সমস্যা থাকায়, ফিজিওথেরাপি নিতে তাকে সাভারের সিআরপি হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানেই তার চিকিৎসা হয়। পরে সুস্থ হয়ে বাসায় ফেরেন তিনি।

তার জনপ্রিয় গানগুলোর মধ্যে রয়েছে- ‘একবার যদি কেউ ভালোবাসতো’, ‘যে ছিল দৃষ্টির সীমানায়’, ‘প্রথম বাংলাদেশ, আমার শেষ বাংলাদেশ’, ‘ভালোবাসা যতো বড়ো জীবন তত বড় নয়’, ‘দুঃখ ভালোবেসে প্রেমের খেলা খেলতে হয়’, ‘হয় যদি বদনাম হোক আরো’, ‘আছেন আমার মোক্তার আছেন আমার ব্যারিস্টার’, ‘সুখে থাকো, ও আমার নন্দিনী হয়ে কারও ঘরনি’, ‘সূর্যোদয়ে তুমি, সূর্যাস্তেও তুমি ও আমার বাংলাদেশ’, ‘বন্ধু তিন দিন তোর বাড়ি গেলাম দেখা পাইলাম না’, ‘যেটুকু সময় তুমি থাকো কাছে, মনে হয় এ দেহে প্রাণ আছে’, ‘এমনও তো প্রেম হয়, চোখের জলে কথা কয়’ প্রভৃতি।