১৬ অক্টোবর ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নায়ক রিয়াজের ক্ষোভ

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নায়ক রিয়াজের ক্ষোভ

অনলাইন রিপোর্টার ॥ বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে শিল্পীদের মাঝে বিভেদ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে গত নির্বাচনে শিল্পী সমিতির মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ৬২৪ জন।

মিশা সওদাগর-জায়েদ খান প্যানেল বিজয়ী হওয়ার পর এ তালিকা থেকে ১৮১ জন ভোটারের ভোটাধিকার খর্ব করে কেবল সহযোগি সদস্য করা হয়েছে। যারা এবার ভোট দেয়ার অধিকার পাবেন না। অন্যদিকে নতুন করে ২০ জন শিল্পীকে করা হয়েছে নতুন ভোটার। এসব ঘটনা নিয়ে মিশা-জায়েদ প্যানেলের অনেকেই প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন। প্রতিবাদ মুখর ছিলেন অনেক শিল্পী। নায়ক ওমর সানী, মৌসুমী এসব নিয়ে কথা বলে আসছিলেন।

এমনকি আসছে ২৫ অক্টোবরের নির্বাচনে নায়িকা মৌসুমী তারকা বহুল একটি প্যানেল করতে চাইলেও শেষ পর্যন্ত পারেননি। শেষ পর্যন্ত সভাপতি পদে স্বতন্ত্র নির্বাচন করছেন তিনি। তার সঙ্গে যেন কেউ প্যানেল না করে এ নিয়ে উপরের চাপ ছিল বলে অভিযোগ করেন মৌসুমী।

এবার মিশা-জায়েদের উপরে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন এক সময়ের সুপারস্টার নায়ক রিয়াজ। শুক্রবার সকালে রাজধানীর বিএফডিসির জহির রায়হান কালার ল্যাব মিলনায়তনে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভার আয়োজন করা হয়। তবে সেই সভায় কথা বলতে না দেওয়ার অভিযোগ করে সভা থেকে বেরিয়ে যান বর্তমান কমিটির সহসভাপতি চিত্রনায়ক রিয়াজ। সময় তখন দুপুর ১২টা। সভা চলছে। রিয়াজ কথা বলার জন্য বারবার সুযোগ চান। প্রায় আধা ঘণ্টা তিনি এই চেষ্টা করেছেন। কিন্তু তাকে কথা বলতে দেয়া হয়নি। তা নিয়ে হইচই শুরু হয়।

রিয়াজ বলেন, কমিটির কোষাধ্যক্ষ যে আয়-ব্যয়ের হিসাব দিয়েছেন, তা আমার কাছে পরিষ্কার না। দুই বছরে অনুদান হিসেবে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি সংগ্রহ করেছে ৫৮ লাখ টাকার বেশি। শিল্পীদের জন্য খরচ হয়েছে ২ লাখ ৯১ হাজার ৩০০ টাকা। এই সহযোগিতার খরচ কি আরও বাড়ানো যেত না? আর পিকনিক বা ইফতারের অনুষ্ঠানে যে টাকা খরচ দেখানো হয়েছে তা স্বচ্ছ না। আমার কথা হচ্ছে, এই টাকা তো শিল্পীদের সহযোগিতার জন্য দাতারা অনুদান দিয়েছেন। কারও ব্যক্তিগত ফান্ডে না। পিকনিকে ১৫ লাখ টাকার মত খরচ দেখানো হয়েছে। এত টাকা খরচ না করে তো শিল্পী সহযোগিতা করা যেত।

এই নায়ক আরও বলেন, আগের ৬২৪ জন ভোটার থেকে এবার কমিয়ে ৪৪৯ জন করা হয়েছে। বাদ পড়া শিল্পীদের সহযোগী সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে। সহযোগীদের ভোটাধিকার নেই। অনেক নতুন শিল্পীকে ভোটার করা হয়েছে।

গঠনতন্ত্রের বাইরে গিয়ে তালিকায় কিছু ব্যক্তির নাম রাখা হয়েছে, আবার একই নিয়মে অনেককে বাদ দেয়া হয়েছে। কমিটির কয়েকজন সদস্য প্রভাব খাটিয়ে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছেন। এসব অনিয়মের ব্যাপারে সভায় কথা বলতে চেয়েছিলাম। সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ছাড়া যদি অন্য কেউ কথা না বলতে পারে তাহলে সহ-সভাপতি বা বাকি আসনগুলোর কি দরকার?

নির্বাচিত সংবাদ