১৭ অক্টোবর ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

সেপ্টেম্বরেও কমেছে রপ্তানি আয়

সেপ্টেম্বরেও কমেছে রপ্তানি আয়

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ চলতি (২০১৯-২০) অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে রপ্তানি আয়ে প্রবৃদ্ধি বাড়লেও গত দুই মাস আগস্ট ও সেপ্টেম্বরে ধারাবাহিকভাবে অবনতি হয়েছে। গত বছরের তুলনায় আগস্ট মাসে প্রবৃদ্ধি কমে সাড়ে ১১ শতাংশ। আর এ মাসে (সেপ্টেম্বর) প্রবৃদ্ধি কমেছে ৩ শতাংশ।

রবিবার রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) পণ্য রপ্তানির হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করে।

ইপিবির তথ্যানুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর এই তিনমাসে রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ হাজার ৮৪ কোটি ৭০ লাখ ডলার। যেখানে আয় হয়েছে ৯৬৪ কোটি ৮০ লাখ ডলার। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও ১১ শতাংশ কম।

তথ্য অনুযায়ী, রপ্তানি আয়ে চলতি বছরের জুলাইয়ে ৩৮৮ কোটি ৭৮ লাখ ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছিল, আগস্টে হয়েছিল ২৮৪ কোটি ৪৩ লাখ ডলার আর সেপ্টেম্বরে হয়েছে ২৯১ কোটি ৯৮ লাখ ডলার। যেখানে আলোচ্য মাসে রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩১৬ কোটি ২০ লাখ ডলার।

ইপিবির প্রতিবেদনে দেখা যায়, বড় কোনো খাতই রপ্তানি আয়ে ভালো করেনি। তিন মাসে পোশাক রপ্তানি আয় হয়েছে প্রায় ৮০৬ কোটি ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ১ দশমিক ৬৪ শতাংশ কম।

দেখা যায়, পণ্য রপ্তানির ৮৪ শতাংশ তৈরি পোশাক খাত থেকে আসে। তবে সেই খাতের রপ্তানি কমে যাওয়ায় সামগ্রিকভাবে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। এ ছাড়া চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, কৃষি প্রক্রিয়াজাত পণ্য, হিমায়িত খাদ্য ও হোম টেক্সটাইলের রপ্তানি আয়ও কমেছে।

ইপিবির তথ্য অনুযায়ী, আলোচ্য সময়ে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছে ২৫ দশমিক ৪৪ কোটি ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে প্রায় ৫ শতাংশ কম। পাট ও পাটপণ্য রপ্তানি করে আয় হয়েছে ২২ কোটি ডলারের কিছু বেশি। এ ক্ষেত্রে আয় কমেছে ১ দশমিক ৮৪ শতাংশ। কৃষি ও কৃষিজাত পণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছে ২৬ কোটি ২৬ লাখ ডলার। এ ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি ১০ শতাংশের মতো। হিমায়িত খাদ্য রপ্তানিতে আয় কমেছে প্রায় ৯ শতাংশ। এ খাতে আয় হয়েছে ১ কোটি ৫ লাখ ডলার।