১৬ অক্টোবর ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

সরকারকে সাধুবাদ

  • মাহফুজুর রহমান খান

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে দেশব্যাপী দুর্নীতি, জুয়া, মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে শুদ্ধি অভিযান চলছে। আশা করি আরও অপরাধমূলক কাজগুলোর মূল হোতা বেরিয়ে আসবে।

এই শুদ্ধি অভিযানে নাগরিকদের শতভাগ আস্থা রয়েছে। বাংলাদেশের ইতিহাসে এই প্রথম কোন প্রধানমন্ত্রী তাঁর দলের অভ্যন্তরে শুদ্ধি অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছেন। সরকারকে সাধুবাদ জানাই। এই শুদ্ধি অভিযান আরও আগেই করার দরকার ছিল। অনেক জায়গাতে নিজের দলের নাম ভাঙিয়ে রাতারাতি কোটি টাকার সম্পদ করে ফেলে। কিন্তু তাদের দেখার মতো কেউ নেই। বাংলাদেশ দুর্নীতি দমন কমিশন আছে, কিন্তু তাদের উল্লেখযোগ্য কোন কার্যক্রম নেই বললেই চলে। অনেক ব্যক্তি আইনের চোখকে ফাঁকি দিয়ে অনেক অর্থ সম্পদের মালিক হয়ে যায়। সরকার আবার মহান জাতীয় সংসদে ঘোষণা দিয়ে থাকে অপ্রদর্শিত টাকাকে সাদা করার জন্য। সেই জন্যই তো, অপরাধী লোকগুলো দুর্নীতি করার সাহস পায়। অপরাধ করলে তাদের বিচার হবে। তাহলে হয়ত অপরাধের মাত্রা অনেক কমে যাবে। কোনক্রমেই অপরাধীকে ছাড় দেয়া যাবে না। অনেক সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারী তারা সামান্য টাকার বেতনে চাকরি-বাকরি করেও ঢাকা শহরে বাড়িগাড়ি করে ফেলে। এত টাকা ওইসব ব্যক্তিরা কোথায় পেল। সেগুলো সরকারকে খতিয়ে দেখতে হবে। মালয়েশিয়া বাংলাদেশের পরে স্বাধীনতা পেয়ে, বাংলাদেশ থেকে অনেক লোক কাজের সন্ধানে মালয়েশিয়াতে পাড়ি জমাচ্ছে। কিন্তু মালয়েশিয়া থেকে তো আর বাংলাদেশের কাজের জন্য লোক আসে না। কারণ একটাই সেই দেশে কোন দুর্নীতি নেই। দুর্নীতি করলে টাকাগুলো অপরাধী ব্যক্তির কাছে চলে যায়। দেশে উন্নতি হবে কি করে? আমরা দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ চাই। যে দেশে দুর্নীতির কোন লোক থাকবে না। বাংলার জনগণ আশা করেন, শুদ্ধি অভিযান অব্যাহত থাকুক দেশের ৬৪টি জেলায়।

মেলান্দহ, জামালপুর থেকে

নির্বাচিত সংবাদ
এই মাত্রা পাওয়া