১৫ অক্টোবর ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

সংস্কারের ঘোষণা সত্ত্বেও ইরাকে বিক্ষোভ থামছে না

  • এখন পর্যন্ত নিহত ১১০, আহত ৬ হাজার

ইরাকে সরকারবিরোধী গণবিক্ষোভের পর দেশটির সরকার মঙ্গলবার দ্বিতীয় দফা সামাজিক সংস্কারের ঘোষণা দিয়েছে। ইরাকজুড়ে চলা এই বিক্ষোভে ১১০ জন নিহত ও প্রায় ছয় হাজার মানুষ আহত হয়। ইরাকের সরকারী কর্মচারী ও রাজনৈতিক নেতাদের দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরব হয়ে প্রতিবাদকারীরা প্রথমে রাস্তায় নামে। খবর ইয়াহু নিউজের।

ইরাকী প্রধানমন্ত্রী আদেল আব্দুল মাহাদি মঙ্গলবার ১৩ দফা সংস্কার প্রস্তাব পেশ করেন। এসবের মধ্যে দরিদ্র লোকদের জন্য বাড়ি তৈরিতে প্রণোদনা, বেকার তরুণদের জন্য প্রশিক্ষণ ও উদ্যোগ গ্রহণের কথা বলা হয়েছে। এদিন এক মন্ত্রিসভা বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রী আদেল আব্দুল মাহাদি এসব প্রস্তাব ঘোষণা করেন।

এদিকে চাকরির সঙ্কট, নিম্নমানের সরকারী পরিষেবা ও সরকারী কর্মকর্তাদের সীমাহীন দুর্নীতির প্রতিবাদে মঙ্গলবারও রাজধানী বাগদাদসহ কয়েকটি নগরীতে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ হয়। জাতিসংঘের ইরাক বিষয়ক মিশনের প্রধান জেনিন হেনিস-প্লাচার্ট বলেন, ‘পাঁচদিন ধরে লোকজন মারা যাচ্ছে এবং আহত হচ্ছে: এ ধারা অবশ্যই থামাতে হবে।’ যারা এই প্রাণহানির পেছনে দায়ী তাদের অবশ্যই বিচারের আওতায় আনা উচিত বলেও মত প্রকাশ করেন তিনি। শনিবার বাগদাদের পূর্বাঞ্চলে নিরাপত্তাবাহিনী একটি মিছিলে বাধা দিতে চেষ্টা করলে সংঘর্ষ শুরু হয় এবং অন্তত পাঁচজন নিহত হন। বিক্ষোভকারীদের দমাতে পুলিশ সেখানে কয়েক রাউন্ড গুলি চালায় এবং টিয়ার শেল ব্যবহার করে বলে জানায় কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম। ২০১৭ সালে ইরাকে ইসলামিক স্টেটের (আইএস) পতনের পর এত রক্তক্ষয়ের ঘটনা আর ঘটেনি।