২০ অক্টোবর ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

আকামা থাকা সত্ত্বেও সৌদি থেকে ফিরতে হচ্ছে অনেককেই

  • চলতি মাসে ফিরলেন ৪৪১ জন

স্টাফ রিপোর্টার ॥ সৌদি আরব থেকে আরও ৬৩ জনকে ফেরত পাঠানো হয়েছে। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টায় সৌদি এয়ারলাইন্স এসভি ৮০৪ ফ্লাইটে ৪২ ও বুধবার রাত ১টা ১৫ মিনিটে আরেকটি বিমানযোগে তারা দেশে ফেরেন। এ নিয়ে সৌদি থেকে ধরপাকড়ের মুখে চলতি মাসেই দেশে ফিরলেন ৪৪১ বাংলাদেশী কর্মী। আগামীকাল শুক্রবারও একইভাবে আরও ফেরত পাঠানোর বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। ফেরত আসাদের একজন পিরোজপুরের শামীম দাবি করেন, মাত্র দেড় মাস আগে সাড়ে তিন লাখ টাকা দিয়ে সৌদি আরব গিয়েছিলেন। কিন্তু আকামা থাকা সত্ত্বেও তাকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়। একই দুঃখের কথা বর্ণনা করে মুন্সীগঞ্জের মহিউদ্দিন জানান, ১০ বছর ধরে সৌদি আরবে ছিলেন। আকামাসহ বৈধভাবেই ছিলেন। দুদিন আগে এষার নামাজ পড়তে যাওয়ার সময় সৌদি ইমিগ্রেশন পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। তিনি আকামা দেখালেও তাকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়। আটকের কারণ জানতে চাইলে মারধর করা হয়।

শামীম ও মহিউদ্দিনের মতোই নিজেদের দুর্ভোগের কথা জানান নোয়াখালীর সাইফুল, কুমিল্লার রাজু, ঢাকার রাসেলসহ অনেকেই। দেশে ফেরা কর্মীদের অভিযোগÑতাদের আকামা থাকা সত্ত্বেও তাদের ধরে সবজি, খেজুর ও পানি বিক্রিসহ ভিক্ষা করার মতো মিথ্যা অভিযোগ এনে দেশে পাঠানো হচ্ছে।

এ বিষয়ে ব্র্যাক অভিবাসন কর্মসূচীর প্রধান শরিফুল হাসান জানান, চলতি মাসেই দেশে ফিরলেন ৪৪১ কর্মী। এ বছর ১০ থেকে ১১ হাজার কর্মী সৌদি আরব থেকে ফেরত পাঠানো হয়েছে। সাধারণ ফ্রি ভিসার নামে গিয়ে এক নিয়োগকর্তার বদলে আরেক জায়গায় কাজ করলে কর্মীদের ফেরত পাঠানো হতো। কিন্তু এবার ফেরত আসা কর্মীর অনেকেই বলছেন, তাদের বৈধ আকামা ছিল। আসলেই এমনটা হয়েছে কি না সেটা দূতাবাস ও মন্ত্রণালয় খতিয়ে দেখতে পারে। কেন বাংলাদেশীদের ফেরত পাঠানো হচ্ছে সেই কারণটা বের করে করণীয় ঠিক করা উচিত যাতে নতুন করে যারা যেতে চাইছেন তারা বিপদে না পড়েন। অন্যদিনের মতো মঙ্গলবার রাতেও ফেরত আসা কর্মীদের বিমানবন্দর প্রবাসী কল্যাণ ডেস্কের সহযোগিতায় ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম থেকে খাবার-পানিসহ নিরাপদে বাড়ি পৌঁছানোর জন্য জরুরী সহায়তা দেয়া হয়।

নির্বাচিত সংবাদ