১৭ অক্টোবর ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

উবাচ

চুনোপুঁটি

স্টাফ রিপোর্টার ॥ শুদ্ধি অভিযানে মন ভরছে না নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্নার। তাঁর মনে হলো মূল দুর্নীতিবাজদের বাদ দিয়ে চুনোপুঁটি ধরা হচ্ছে। আচ্ছা মূল দুর্নীতিবাজ করা? যারা এই শহরকে জুয়ার শহর বানিয়েছে। তাদের কী তাহলে ধরার কোন দরকার নেই। নাকি তাদের অবাধে জুয়ার ব্যবসা করার সুযোগ দিয়েই যেতে হবে। মান্না বলেছেন জাতীয় স্বার্থ বিকিয়ে দিয়ে ভারতের সঙ্গে চুক্তি করে যে অপরাধ সরকার করেছে, স¤্রাটকে গ্রেফতারের মধ্যে দিয়ে তা ঢাকা যাবে না। এক ঘটনা দিয়ে আরেক ঘটনাকে ধামাচাপা দেয়ার এই অস্ত্র বারংবার ব্যবহারে ভোঁতা হয়ে গেছে। জাতীয় স্বার্থ কিভাবে ক্ষুণœ হলো তার কোন ব্যাখ্যা মান্নার পুরো বক্তব্যে ছিল না। যখনই সরকার ভারত গিয়ে কোন চুক্তি করে তখনই বিএনপি বলে সব জাতীয় স্বার্থ ক্ষুণœ করেই চুক্তি করা হয়েছে। তবে এবার প্রমাণ হলো আওয়ামী লীগ থেকে কেউ বিএনপি জামায়াত জোটে যোগ দিলেও জাতীয় স্বার্থ ক্ষুণœ হওয়ার কথাই বলে। কিন্তু জাতীয় স্বার্থ কিভাবে ক্ষুণœ হলো তার কোন ব্যাখ্যা খুঁজে পাওয়া যায় না তাদের কথায়। আর এটা শুধু ভারতে গিয়ে বা ভারত বাংলাদেশে এসে চুক্তি করলেই বলা হয়। অন্য কোন দেশের বেলায় বলা হয় না। এর অর্থ কী ভারতের সঙ্গেই শুধু জাতীয় স্বার্থ নিয়ে দরকষাকষি!

এমপিরা ধরা!

স্টাফ রিপোর্টার ॥ খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য বিএনপির নির্বাচিত এবং নারী কোঠায় মনোনীত সংসদ সদস্যরা চেষ্টাটা শুরু করেছিলেন। বিএনপি নেতারা সব সময় বলেন আদালত নয় আদালতের বাইরে অন্য কোন পন্থায় খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হবে। বিএনপির এই প্রচেষ্টায়ও সরকার একেবারে সাড়া দেয়নি। সরকার স্পষ্ট বলেছে বিষয়টি আদালতের। আদলত চাইলে খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন গ্রহণ করতে পারে। সরকারের কিছু করার নেই। এতে ধাক্কা খেয়েছে বিএনপি। সরকারের মনোভাব বুঝতে পেরে বিএনপির তরফ থেকে প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। তারা বলতে চাইছে সরকারের অনুকম্পায় খালেদা জিয়ার মুক্তি তারা চান না। সরকারও বিষয়টি চায়নি। চায়নি বলেই বিএনপিকে আদালতে যেতে বলেছে। চেয়ে না পাওয়ার এই লজ্জা বিএনপির সংসদ সদস্যদের ওপর দিয়ে চালাতে চাইছে বিএনপি। দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ^র চন্দ্র রায়তো বলছেন বিএনপির এমপিরা ধরা খেয়েছেন। অবশ্য তিনি বলেছেন খালেদা জিয়াকে অনুকম্পা করার ক্ষমতা কারো নেই। এর অর্থই কি খালেদা জিয়ার কারাভোগের মেয়াদ আরও দীর্ঘ হচ্ছে।

রাত একটা পর্যন্ত!

স্টাফ রিপোর্টার ॥ এক ছাত্রকে পিটিয়ে মারার ৪০ ঘণ্টা পর উপাচার্যর চেহারা দেখা গেল। তিনি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ^বিদ্যালয় (বুয়েট) উপাচার্য অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম। কি নিষ্ঠুর মানুষ তিনি! নিজের ছাত্রের মৃত্যু হয় নিজের ক্যাম্পাসে আর তিনি নাকি রাত ১ পর্যন্ত কাজ করেন। আচ্ছা কি করেন তিনি? কিসের এত এত কাজ তার, যে মৃত ছাত্রের কাছে যাওয়ার সময়টুকু পান না তিনি। বুয়েটের হলে হলে টর্চার সেল। র‌্যাগিংয়ের নামে ছাত্রছাত্রীদের নির্যাতন করা হয়। নির্যাতন করতে করতে মেরে ফেলা হয়। আর উপাচার্য কি করেন? তিনি নাকি কাজই করেন। আচ্ছা যদি সত্যিই তিনি কাজ করেন তাহলে কেন কাউকে এভাবে মরতে হলো। বুয়েটের অশান্ত পরিস্থিতি যখন আরও অশান্ত হলো। ছাত্রছাত্রীরা যখন উপাচার্যের ভবনে উঠে গিয়ে তাকে বের করতে চাইল উপাচার্য অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম শিক্ষার্থীদের সামনে আসলেন। তিনি শিক্ষার্থীদের বলেন, দাবির সঙ্গে আমি একমত। উদ্ভূত সমস্যা সমাধানের উপায় বের করা হচ্ছে। আমি কাজ করে যাচ্ছি। এ সময় এক শিক্ষার্থী জানতে চান, স্যার আপনি কি কাজ করছেন। তখন তিনি বলেন, তোমাদের এ ব্যাপারটি নিয়ে কাজ করছি। আমি রাত ১টা পর্যন্ত কাজ করেছি। কিন্তু সেই কাজটা কি কেউ জানে না। উপাচার্য নিজেই জানেন আসলে কি করেছিলেন তিনি?