১৪ নভেম্বর ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

‘ফাইট ক্লাব’ নিয়ম ভাঙ্গার ২০টি বছর

ফাইট ক্লাব হলিউডের এমন এক চলচ্চিত্র যান নাম শুনলেই দর্শকদের কান খাড়া হয়ে যেত। অথচ ফাইট ক্লাব আমাদের বলেছিল ফাইট ক্লাব নিয়ে কোন প্রকার কথাই না বলতে। কিন্তু বিগত ২০টি বছর ধরে আমাদের ফাইট ক্লাব নিয়েই কথা বলতে হচ্ছে। গত ১৫ অক্টোবর ২০ এ পা দিল ফাইট ক্লাব। সিনেমার পোকা কিন্তু এই সিনেমা দেখেননি এমন লোকের সংখ্যা হয়ত হাতেগোনা কয়েকজন।

গল্পের শুরু নিদ্রাহীনতা বা ইনসোমনিয়ায় ভুগে বিষণœতায় চলে যাওয়া এক ব্যক্তিকে নিয়ে। সিনেমার বক্তা বা ন্যারেটর নাম দেয়া এই ব্যক্তি মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন দলের সঙ্গে সময় কাঁটিয়ে নিজের উন্নতি করার চেষ্টা করছিলেন। কাজের কাজ খুব একটা হচ্ছিল না। শান্ত-ন¤্র স্বভাবের ন্যারেটরের সঙ্গে একদিন বেপরোয়া, দুঃসাহসী এবং উশৃঙ্খল এক যুবকের দেখা হয়। টাইলার নামের লোকটির বন্ধুত্বে যেন আমূল পরিবর্তন চলে আসে তার জীবনে। একপর্যায়ে তারা প্রতিষ্ঠা করে আন্ডারগ্রাউন্ড ক্লাব ফাইট ক্লাবের।

টুইস্ট সাসপেন্স তো আছেই, সেই সঙ্গে ফাইট ক্লাব আমাদের বহু কিছু শিখায়। অনেকবার দেখার পর সিনেমাটি আবার দেখলেও মনে হবে কোথাও যেন নতুন কিছু আছে। জীবন থেকে সবকিছু হারিয়ে ফেলার পর জীবন আবার যে কোন কিছু করার জন্য প্রস্তুত সেটা শেখাবে। ঝড়ের পরের পুনরুত্থানের স্পৃহা জাগিয়ে তোলা সিনেমাটি আইএমডিবির সর্বকালের সেরা সিনেমার ১০তম স্থান অধিকার করে আছে। (এডওয়ার্ড নরটন) এবং ব্র্যাড পিটের অসাধারণ অভিনয়ের পাশাপাশি দুর্দান্ত সব সংলাপের পসরা বসেছে এই সিনেমাতে

ফাইট ক্লাবের প্রথম নিয়ম ছিল ফাইট ক্লাব নিয়ে কোন প্রকার কথাই বলা যাবে না। দুঃখিত ফাইট ক্লাব প্রথম নিয়মটি আমাকে ভঙ্গ করতে হলো!

আনন্দকণ্ঠ ডেস্ক-

নির্বাচিত সংবাদ