১৪ নভেম্বর ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

সাহিত্যে নোবেল ২০১৯ ॥ আভাঁগার্ড শিল্প আন্দোলন থেকে যুদ্ধাপরাধ

  • উৎপল দত্ত

প্রথাবিরোধী নাটক লিখেই পাঠকের নজরে পড়েন পিটার হ্যান্ডকে। আঁভাগার্ড (ধাধহঃ-মধৎফব) আন্দোলন সাহিত্য ও শিল্পকলা ও চলচ্চিত্রে আলোচিত, বিশিষ্ট ও কৌতূহল-উদ্দীপক। মূলত নাট্যকার তিনি। ঔপন্যাসিক। চলচ্চিত্রও নির্মাণ করেছেন। সৃজনকর্মে তিনি আঁভাগার্ড আন্দেলোনের সন্তান। সাহিত্য ও শিল্পকলায় অর্থডক্স মতাদর্শ তাড়িয়ে মুক্তচিন্তার ফসল নির্মাণ এই শিল্প আন্দোলনের প্রধান চরিত্র। কাজ হয় নিরীক্ষাধর্মী। প্রথমে বিতর্কের মুখে পড়ে। একসময় চরিত্রলক্ষণের স্বাতন্ত্র্য নিয়ে বেরিয়ে আসে। সমাজের স্থবির চিন্তাকে আঘাত করতে আঁভাগার্ড আন্দোলনের শিল্পী-সাহিত্যিকদের উন্মুখ দেখা গেছে। এই শিল্প আন্দোলনে যারা ডুবেছেন তারা ওই ভাবধারার প্রতি আনতই থেকেছেন। ধারা ভেঙে পথ পরিবর্তন করেছে তেমন নজির দেখা যায় না। চিরাচরিত রীতি ভেঙেচুরে সাহিত্য ও শিল্পে সমাজ ও জীবন নতুন করে প্রতিষ্ঠা করার প্রত্যয় নেশার মতো কাজ করে তাদের মধ্যে।

আঁভাগার্ড আন্দোলন আজও প্রাসঙ্গিকতা হারায়নি। সাহিত্য-শিল্প এমনকি স্থাপত্যকলায় তা নতুনত্বের চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেয়।

পিটার হ্যান্ডকের সাহিত্য ॥ সংক্ষিপ্ত আলোকপাত

ঙভভবহফরহম ঃযব অঁফরবহপব (১৯৬৬) নাটকে দেখা যায় চার-চরিত্র ঘণ্টাব্যাপী থিয়েটারের সমালোচনা করছে। পরমুহূর্তে পালাক্রমে ওই চার-চরিত্র অডিয়েন্সকে যুগপৎ নিন্দিত ও প্রশংসিত করছে। বিষয়টি ভিন্ন মেজাজের। বিষয়টি অদ্ভুত। বিষয়টি প্রচলিত রীতিকে উপেক্ষা করে দর্শকের মধ্যে পরস্পর-বিরুদ্ধ প্রতিক্রিয়া তৈরি করে। দর্শকদের মোহমুগ্ধ করে রাখে। আঁভা গার্ড আন্দোলনের সন্তান বলেই তা সম্ভব।

বেশিরভাগ নাটকের প্রচলিত ফর্ম বা কাহিনীসূত্র বলে কিছু নেই। সংলাপ সীমিত। আখ্যান খুঁজে পাওয়া আরাধনা বা প্রার্থনার মতো। তবু তা নাটক। আনুষঙ্গিক বৈশিষ্ট্যবিচারে নাটকের সঙ্গেই যায়। কিন্তু যে নাটকের সঙ্গে দর্শকরা সাধারণত পরিচিত, সেরকম নয়। সেরকম মন নিয়ে পড়তে গেলে বা দেখতে গেলে হাবুডুবু খেতে হয়।

হ্যান্ডকে ছোটগল্পও লিখেছেন। আত্মজৈবনিক লেখাও লিখেছেন। বেতারের জন্য নাটকও লিখেছেন। তার লেখায় রয়েছে উচ্ছ্বাসের ঢেউ, উপচে-পড়া প্রাণশক্তি। এ তরঙ্গ ও অভিঘাত মানুষের জীবনে আরোপ করার কৌশল দেখা যায়। কৌশলে থাকে প্রাবল্য যার অন্তরালে কাজ করে বিভ্রান্তি, যুক্তি-বিচ্ছিন্নতা এমনকি কখনো পাগলামো।

বিতর্কিত নোবেল ও ব্যথিত মানুষ

তবুও শ্রেষ্ঠ পুরস্কারটি হ্যান্ডকের মুঠোয়। গণহত্যার পর আবিষ্কৃত গাদাগাদি করা মানুষের গণকবরে হাড়গুলি হয়তো ব্যথায় কঁকিয়ে উঠছে। এরকম তো ছিল না! যারা আগেই নোবেল পেয়েছেন তারাই চমকে উঠছেন। ঊুৎধ চড়ঁহফ ধিং ধসড়হম ঃযব মৎবধঃবংঃ ঢ়ড়বঃং ড়ভ ঃযব ঢ়ধংঃ পবহঃঁৎু, নঁঃ হবাবৎ ড়িহ ঃযব ঢ়ৎরুব, ঢ়ড়ংংরনষু নবপধঁংব ড়ভ যরং ভধংপরংস ধহফ যরফবড়ঁং ধহঃরংবসরঃরংস (ঞযব এঁধৎফরধহ) গত শতকের সেরা কবি এজরা পাউন্ডও নোবেল পাননি হয়তো তার ফ্যাসিস্ট মনোভঙ্গি ও নোংরা ইহুদী বিদ্বেষের কারণে। তারপরও সবাই এজরা পাউন্ড পড়ে। প্রতিষ্ঠানে পড়ানো হয়। তার শ্রেষ্ঠত্ব ম্লান হয়নি। কথাটি হলো, স্বীকৃতির পেছনে একটি মোর‌্যাল থাকে। শ্রেয়োবোধ, মানবিকতা, যুদ্ধাপরাধ নিয়ে বিতর্কে তাই জড়িয়ে পড়েছেন তিনি। সত্য এখন বিলোপের মুখে। অসত্য তথ্য (টহঃৎঁব ঋধপঃ) কারখানায় প্রস্তুত হয় এই বিশ্বের রাজনৈতিক জালে।

ওহঃবৎহধঃরড়হধষ পৎরসরহধষ ঃৎরনঁহধষ রহাবংঃরমধঃড়ৎং ধঃ ধ সধংং মৎধাব হবধৎ ঃযব ারষষধমব ড়ভ চরষরপধ, ইড়ংহরধ-ঐবৎুবমড়ারহধ, রহ ১৯৯৬, ধ ুবধৎ ধভঃবৎ ঃযব ঝৎবনৎবহরপধ সধংংধপৎব. চযড়ঃড়মৎধঢ়য: ঝঃধঃড়হ জ. ডরহঃবৎ/অচ, (ঞযব এঁধৎফরধহ) বসনিয়া-হার্জেগোভিনার গ্রারে গণকবর খুঁজে পেয়েছেন আন্তর্জাতিক ক্রিমিনাল ট্রাইব্যুনালের অনুসন্ধানী দল।

হ্যান্ডকে নোবেল প্রাপ্তিতে বিস্মিত হয়েছেন, যুদ্ধাপরাধীর সঙ্গে যোগসূত্রের জন্য ব্যথিত হয়েছেন, ক্ষমা চেয়েছেন কিন্তু সার্ব-প্রীতিকে মন থেকে নির্বাসিত করতে পারেননি! এরকমই মনে করেন সমালোচকেরা। আঁভাগার্ড আন্দোলন তাকে কী দিলো! আর মানুষকে তিনি কী দিলেন!

একটি মুখোরোচক কথা প্রচলিত রচয়িতা আর রচনাকে আলাদা করে দেখাই ভালো। কাম্যুর কথা তাহলে অর্থহীন হয়ে যায়, অথচ তারাই আবার ক্যামু কপচায়। আলবেয়ার ক্যামুর মাস্টারপিস লা পেস্টে (খধ চবংঃব, ঞযব চষধমঁব, ১৯৪৭) প্লেগে আক্রান্ত আলজেরিয়ান শহরের গল্প। একটি আলোড়িত-আন্দোলিত চরিত্রকে তিনি উন্মেচন করেন। ডাঃ রিয়াক্স (উৎ জরবীঁ)। সে বিভ্রান্ত, আক্রান্ত ছেলেটির ঘা সারাবেন! সে তো মৃত্যুর পথে। ওদিকে না গিয়ে প্লেগ সারানোই ভালো। ঝেটিয়ে প্লেগ বিদায় করাই আসল কাজ, এই উপলব্ধি তাকে সংশয় থেকে মুক্তি দিলো। সাহিত্যকর্মের অন্যতম দিকনির্দেশনা দিয়ে আলবেয়্যার ক্যামু বলেছেন, ঘষেমেজে সত্যকে যাচাই করে নিতে হয়।

ববডিলানের উক্তিটি মনকে শান্ত করে, কোন শব্দই খুঁজে পাই না Ñ সত্য কী এ জিজ্ঞাসা ছাড়াÑ আর নন্দনকাননের বাইরে যা থাকে তা তো সত্য নয়।

হ্যান্ডকের সংক্ষিপ্ত পরিচয়

পেশাায় ব্যাংকের কøার্ক ছিলেন পিটারের পিতা। হ্যান্ডকে’র জন্ম দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ তুঙ্গে থাকার সময়, ৬ ডিসেম্বর, ১৯৪২ সালে অস্ট্রিয়ার গ্রিফেন শহরে। শহরটি স্লোভেনিয়ার সীমান্তে। আগে উন্মুক্ত থাকলেও ২০১৬ সালে অভিবাসী নিয়ন্ত্রণের জন্য তা বন্ধ করে দেয়া হয়। ১৯৬১ থেকে ১৯৬৫ পর্যন্ত গ্র্যাজ ইউনির্ভাসিটেতে আইন নিয়ে পড়াশোনা করেন। তারপর লিখতে শুরু করেন আঁভাগার্ড আন্দোলনের মুখপত্র ‘ম্যানুসস্ক্রিপ্টে’ (গধহঁংশৎরঢ়ঃব) সাহিত্যপত্রিকায়।

নোবেল অর্জন

নোবেল কমিটি চিরাচরিত রীতি অনুযায়ী নোবেল পুরস্কার দেয়ার প্রাসঙ্গিকতা ব্যাখ্যা ও গুরুত্ব উল্লেখ করে উদ্ধৃতি বা সাইটেশন দিয়ে থাকে। হ্যান্ডকের ক্ষেত্রে তা ছিলো: “ধহ রহভষঁবহঃরধষ ড়িৎশ ঃযধঃ রিঃয ষরহমঁরংঃরপ রহমবহঁরঃু যধং বীঢ়ষড়ৎবফ ঃযব ঢ়বৎরঢ়যবৎু ধহফ ঃযব ংঢ়বপরভরপরঃু ড়ভ যঁসধহ বীঢ়বৎরবহপব.” ভাষার উৎকর্ষ যা একান্তই হ্যান্ডকে-র উদ্ভাবিত আর সে ভাষায় হ্যান্ডকে মানুষের অভিজ্ঞতাকে সুনির্দিষ্ট করেছেন অভিযাত্রীর মতো মানুষের অভিজ্ঞতার পরিধিতে বিচরণ করে। খুবই ঘনীভূত, স্বল্প ও সুস্পষ্ট শব্দ চয়নে ছোট মন্তব্য। মনের মধ্যে যার ব্যাখ্যা বহুমাত্রায় গুঞ্জন করে। দরহভষঁবহঃরধষ’ দষরহমঁরংঃরপ রহমবহঁরঃু’ দবীঢ়ষড়ৎব’ দংঢ়বপরভরপরঃু’ দযঁসধহ বীঢ়বৎরবহপব’. প্রতিটি শব্দ বা শব্দগুচ্ছ সুচয়িত, সতর্কিত ওজনে ভারি ও গুরুত্বপূর্ণ। দর্শন আছে, আরও ব্যাখ্যার প্রয়োজন অনুভূত হয়। আবার বোঝাও যায়। হ্যান্ডকের জন্য তা সম্মানজনক। সারাবিশ্বের কাছে তা চমকপ্রদ। অথচ তিনি বিতর্কের মুখে পড়লেন। ওই আঁভাগার্র্ড আন্দোলনের মতোই। সরব বা ক্ষুব্ধ ও বিক্ষুব্ধ হয়েছেন বিশ্বের তাবড় তাবড় সাংবাদিক-সাহিত্যিক। একটু মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রও।

সমালোচকদের মতে হান্ডকের উপন্যাসের চরিত্রগুলো অতিবাস্তবতার শিখরে। তাদের মনোজগতও অতিমাত্রায় উচ্চকিত। তরঙ্গবহুল। মননের ঢেউ আকাশ- ছোঁয়া। এরকম মন্তব্য আগ্রহ সৃষ্টি করে। একটু বেশিই উসকে দেয় তার সৃষ্টিকর্ম ছুঁয়ে দেখার লোভ। কিন্ত তারপরও একটি গ্রন্থ পড়ে ওঠবার আগেই তিনি বিতর্কিত। এই সংবাদটি কানে আসে সংবাদ মাধ্যম থেকে, সংবেদনশীল, অবিসংবাদিত, সুপ্রতিষ্ঠিত আর ইতিমধ্যেই যারা নোবেল অর্জন করেছেন তাদের কাছ থেকে। আগ্রহ তখন আশঙ্কায় রূপান্তরিত হয়।

যুদ্ধপরাধ প্রসঙ্গ

যুদ্ধাপরাধ আর গণহত্যার চেহারা নাৎসিজমের পরও মানুষ বারবার অশ্রুসিক্ত চোখে কালান্তক ইতিহাসে দেখেছে, এই তার অভিজ্ঞতা। অতি সাম্প্রতিককালেও তা দেখেছে। মধ্যযুগ শব্দটি শুনলেই মানুষের অভিজ্ঞতায় অন্ধকার ঘনিয়ে আসে। আর জেনোসাইড হয়তো গতকালই ঘটেছে, মধ্যযুগে নয়। মধ্যযুগ, তার আগের কাল এবং বলকান যুদ্ধ বাদ দিলেও চোখের সামনে এখনও জেনোসাইড। বাংলাদেশ (১৯৭১) কম্বোডিয়া (১৯৭৫) উগান্ডা (১৯৮৫ থেকে এখনও চলমান) এবং সিরিয়া (২০১১ থেকে বর্তমান)। ২০১৭ এর মধ্যে সিরিয়ায় প্রাণ গেছে ৪৭০,০০০ মানুষের ( “ঝুৎরধ: ঊাবহঃং ড়ভ ২০১৬”. ঐঁসধহ জরমযঃং ডধঃপয. ২০১৭)

উগান্ডায় শিশুরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বেশি। টাইমসের রিপোর্ট অনুযায়ী এ পর্যন্ত ২৫,০০০ শিশু নিখোঁজ। আন্তর্জাতিক ক্রিমিনাল কোর্ট সেখানে অনুসন্ধান চালাচ্ছে। অপরাধীদের খুঁজে বেড়াচ্ছে। (ঞযব ঞরসবং ভৎড়স ১৯ ঙপঃড়নবৎ ২০১৫)

যুগোশ্লাভ বা বলকান যুদ্ধকে তিনটি স্তরে ভাগ করে দেখা হয় :

১৯৯১ থেকে ১৯৯৫: ক্রোয়েশিয়ার স্বাধীনতা যুদ্ধ

১৯৯২ থেকে ১৯৯৫: বসনিয়া যুদ্ধ

১৯৯৮ থেকে ১৯৯৯ঃ কসাভো যুদ্ধ

ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল ট্রাইব্যুনাল ফর দ্য ফরমার যুগোশ্লাভিয়া (ওঈঞণ)

যুগোশ্লাভ যুদ্ধের দ্বন্দ্বটির ধরন ছিল ধারাবাহিক। পৃথক হয়েও জাতিভেদের দ্বন্দ্বে তা একই। আইটিওয়াই (ওঈঞণ) চূড়ান্ত বিচারকাজ শুরু করে ২৯ নভেম্বর ২০১৭। কোর্ট প্রতিষ্ঠিত হয় তার আগেই, জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে ( রেজ্যুলেশন ৮১৭ পাস হয় ২৫ মে, ১৯৯৩) ১৬১ জন যুদ্ধাপরাধী চিহ্নিত হয় ২০০৪ (সূত্র: বিবিসি নিউজ অনলাইন, ২০ জুলাই, ২০১১)। অন্যতম যুদ্ধাপরাধী মিলোসিভিসের অন্তেষ্ট্যিক্রিয়ায় যোগ দেন পিটার হ্যান্ডকে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে আত্মপক্ষও সমর্থন করেন যা পরস্পরবিরোধী ও অসংলগ্ন।

“ও ফড়হ’ঃ শহড়ি ঃযব ঃৎঁঃয. ইঁঃ ও ষড়ড়শ. ও ষরংঃবহ. ও ভববষ. ও ৎবসবসনবৎ. ঞযরং রং যিু ও ধস যবৎব ঃড়ফধু, পষড়ংব ঃড় ণঁমড়ংষধারধ, পষড়ংব ঃড় ঝবৎনরধ, পষড়ংব ঃড় ঝষড়নড়ফধহ গরষড়ংবারপ.”

মানুষের অভিজ্ঞতার পরিব্রাজক

‘আমি সত্য জানি না। কিন্তু আমি দেখি। আমি শুনি। আমি অনুভব করি। তাই আমি যুগোশ্লাভিয়া, সার্বিয়া আর মেলোসোভিচের সঙ্গে নৈকট্য বোধ করি।’ ২০১৬ সালের ‘এই সত্য না জানা ভাষ্য’ কেউ গ্রহণ করতে পারেনি। যুদ্ধপরাধীর সঙ্গে মানসিক নৈকট্য বোধ অনুভবের ব্যাখ্যা অনূদিত হয়নি কারও হৃদয়ে। জগতে আনন্দযজ্ঞের পরিবর্তে যখন শুধু হত্যাযজ্ঞ দেখে মানুষ সত্যি ক্লান্ত, অন্তত বেঁচে থাকার, অস্তিত্ব সংরক্ষণের প্রশ্নটি তখন অতিকায় হয়ে ওঠে। কলা- কৈবল্যবাদ হাত থেকে খসে যায়। নন্দনতত্ত্ব উঠোনের ধুলায় গড়ায়। এটা কোন ক্ষোভ নয়। মানুষের ঝরে পড়া দেখে মানুষের আর্তি। কারণ তারও বুকে পিঠে ঘা। সুইডিশ নোবেল একাডেমি আলফ্রেড নোবেলের ঊর্ধ্বে নয়। হতে পারে না। ও রহঃবহফ ঃড় ষবধাব ধভঃবৎ সু ফবধঃয ধ ষধৎমব ভঁহফ ভড়ৎ ঃযব ঢ়ৎড়সড়ঃরড়হ ড়ভ ঃযব ঢ়বধপব রফবধ, নঁঃ ও ধস ংশবঢ়ঃরপধষ ধং ঃড় রঃং ৎবংঁষঃং. আমি আমার মৃত্যুর পর বিশাল রতœভা-ার রেখে যাব মানুষের উদ্যোগ ও উদ্ভাবনের জন্য যা শান্তি আনে, কিন্তু তার ফলাফল সম্পর্কে আমি নিশ্চিত নই।

নির্বাচিত সংবাদ