১৪ নভেম্বর ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ভোলার ঘটনার নেপথ্যে জামায়াত-শিবির

ভোলার ঘটনার নেপথ্যে জামায়াত-শিবির
  • মামলায় আসামি ৪
  • ৫ হাজার ;###;মহানবীকে (সঃ) কটূক্তির ঘটনায় ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা

হাসিব রহমান, ভোলা থেকে ॥ ভোলার বোরহানউদ্দিনে পুলিশের সঙ্গে জনতার রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে ৪ জন নিহতের ঘটনায় এলাকায় এখনও উত্তেজনা বিরাজ করছে। পুলিশের ওপর হামলা এবং ৪ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় অজ্ঞাত ৪/৫ হাজার জনকে আসামি করে পুলিশ বাদী হয়ে একটি মামলা করেছে। তাছাড়া ফেসবুকে মহানবী (সঃ) সম্পর্কে কটূক্তি করায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। ফেসবুক হ্যাক করে কে বা কোন গোষ্ঠী, ব্যক্তি কটূক্তিপূর্ণ মেসেজ দিয়েছে তা নিশ্চিত না হতেই একের পর এক বিক্ষোভ সমাবেশ করে যাচ্ছে মুসল্লি ও সর্বদলীয় মুসলিম ঐক্য পরিষদের ব্যানারে তিনটি রাজনৈতিক সংগঠন। অভিযোগ উঠেছে এর নেপথ্যে রয়েছে জামায়াত-শিবিরের নেপথ্যে সম্পৃক্ততা। সোমবার সকালে সর্বদলীয় মুসলিম ঐক্য পরিষদের নির্ধারিত সমাবেশ তারা স্থগিত করে শহরে বিক্ষোভ মিছিল করে রাস্তায় অবস্থান নেয়। এই বিক্ষোভ মিছিলে বিএনপি- জামায়াত ও বিজেপির নেতাকর্মীরা নেতৃত্ব দেয় বলেও জানিয়েছে প্রত্যক্ষদর্শীরা। সর্বদলীয় মুসলিম ঐক্য পরিষদ তাদের নির্ধারিত সমাবেশ করতে না পেরে সংবাদ সম্মেলন করে ভোলার পুলিশ সুপার ও বোরহানউদ্দিনের ওসির অপসারণসহ ৬ দফা দাবি জানিয়ে তিনদিনের আল্টিমেটাম দিয়েছে। একই সঙ্গে তাদের আগামী তিনদিনের কর্মসূচীও ঘোষণা করেছে। প্রশ্ন উঠেছে একটি ঘটনা নিশ্চিত না হয়ে কেন মুসল্লিদের সভা শেষ হওয়ার পরও বোরহানউদ্দিনে সংঘাত ও পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা ঘটাল। কেন চারটি তাজা প্রাণ গেল। একই সঙ্গে কেন হিন্দু সম্প্রদায়ের মন্দিরে ও বাড়িতে হামলা হলো। ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হেনে ঘটনা ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতেই কি এই ধরনের ঘটনা সৃষ্টি করা হচ্ছে। এদিকে অনেকটা গুজব ছড়িয়ে পড়ায় গত দুইদিন ভোলায় সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে।

বোরহানউদ্দিন থানার ওসি এনামুল হক জানান, সংঘর্ষের ঘটনায় নিহত চারজনের লাশ তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ভোলা সিভিল সার্জন ডাঃ রথিন্দ্রনাথ মজুমদার জানান, নিহত চারজনের কারই কোন ময়নাতদন্ত হয়নি। বোরহানউদ্দিনে চারজন নিহত এবং পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় বোরহানউদ্দিন থানার এসআই আবিদ হোসেন বাদী হয়ে রবিবার রাতে অজ্ঞাতনামা ৪ থেকে ৫ হাজার বিক্ষোভকারীর বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছেন। মামলা নং ১৮/ তারিখ ২০.১০.১৯। এ ছাড়া ওই থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে বিপ্লব চন্দ্র শুভ, শুভর ফেসবুক হ্যাককারী ঈমন ও শরিফ ওরফে শাকিলের বিরুদ্ধে পৃথক আরও একটি মামলা দায়ের করা হয়। তাদের জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। ভোলা পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার জানান, আটক বিপ্লব চন্দ্র শুভ প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশকে বলেন, বিপ্লবের মোবাইলে হঠাৎ একটি মেসেঞ্জারে লিংক আসে। তখন সে ক্লিক করে। তখন তার ফেসবুকের পাসওয়ার্ড চাইলে সে তা দিয়ে দেয়। তারপর তার ফেসবুক লক হয়ে যায়। অনেক সময় চেষ্টা করেও সে তার লক খুলতে না পারলে তার মোবাইল বন্ধ করে দেয়। বিপ্লবের মোবাইল বন্ধ থাকায় কিছু সময় তার ভাবির মোবাইলে তার এক আত্মীয় ফোন দেয়। ওই আত্মীয় তাকে জানায় তোমার মেসেঞ্জার থেকে কি পাঠিয়েছ। তখন সেই যুবক জানতে পারে প্রকৃত অবস্থা। এরপর সে বোরহানউদ্দিন থানায় যায় এবং তার আইডি হ্যাক হয়েছে বলে শুক্রবার রাত ৮টা ৫ মিনিটে জিডি করে। রাত ৮টা ১৭ মিনিটে তার নম্বরে একটি কল আসে। তার কাছে ২ হাজার টাকা চায় এবং জয়দেবপুর থানার ওসির নাম বলে। যে নম্বর থেকে ফোন আসে ওই নম্বরটি শাকিল নামে এক যুবকের। সে ওই নম্বরটি ব্যবহার করে। কিন্তু নম্বরের আইডি রেজিস্ট্রেশন করা বোরহানউদ্দিনের এক বৃদ্ধা মহিলারার নামে। তখন পুলিশ ওই নারীর বাড়িতে গিয়ে তাকে মোবাইল নম্বরের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে। তখন সে বলে আমি কোন মোবাইল ব্যবহার করি না। তাহলে কিভাবে তার নামে মোবাইল রেজিস্ট্রেশন হলো প্রশ্ন করা হয়। তখন তিনি বলেন, তার আইডি কার্ড নিয়ে অনেক আগে তার নাতি একটি সিম কিনে। তার নাম ঈমন। তখন ঈমনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি বলেন, দেড় বছর আগে তার মোবাইল নম্বরসহ সেটটি তাদের বাড়ির পাশে শাকিল নামে এক যুবকের কাছে বিক্রি করে দেয়। এরপর শাকিলকে পটুয়াখালী কলাপাড়া থেকে গ্রেফতার করা হয়। শাকিল কলাপাড়া তাপবিদ্যুত কেন্দ্রের স্টোর কিপার হিসেবে চাকরি করে। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে সে বলে, ফেসবুকে নবীকে নিয়ে একটি পোস্ট দেখে সেখান থেকে বিপ্লবের নম্বর নেয়। তারপর দুষ্টামি করে তার কাছে টাকা চায়। পুলিশ সুপার আরও জানান, হ্যাকার যে আইডিটি হ্যাক করেছে তারপর তা বন্ধ করে দিয়েছে। তার বের করতে হলে ফেসবুক কোম্পানি পারবে। তার জন্য আমেরিকায় ফেসবুক কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেয়া হয়েছে। ডিজিটালি প্রুভ হবে কে এই ঘটনা ঘটিয়েছে। এদিকে পুলিশের গুলিতে নিহত বোরহানউদ্দিন পৌর যুবলীগের নেতা ও সাবেক পৌর কাউন্সিলর মিরাজ পাটোয়ারির ছোট ভাই হাফেজ মাহাফুজ পাটোয়ারির লাশ রবিবার রাতে বোরহানউদ্দিনে দাফন করা হয়। নিহত মাহাফুজ ৩ বোন ও ৩ ভাইয়ের মধ্যে সবার ছোট। সে ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের চরমোনাইপীরের অনুসারী। তার অকাল মৃত্যুতে তার পরিবারে চলছে শোকের মাতম । সোমবার দুপুর সাড়ে বারোটায় গুলিতে নিহত মিজানের মরদেহ মনপুরায় নিজ বাড়িতে নিয়ে গিয়ে সোয়া ১টায় হাজিরহাট ইউনিয়নের ভূইয়ারহাট বাজারে হাজার মানুষের উপস্থিতিতে জানাজা শেষে মাদ্রাসাসংলগ্ন কবরস্থানে দাফন করা হয়। নিহত মাদ্রাসার ছাত্র মোঃ মিজানুর রহমান (১৭) মনপুরা উপজেলার হাজিরহাট ইউনিয়নের চরফৈজুদ্দিন গ্রামের ৯নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা হারুন মিস্ত্রির বড় ছেলে। দুই ভাই দুই বোনের মধ্যে নিহত মিজানুর রহমান সবার বড়। পুলিশের গুলিতে গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত অপর মাদ্রাসার ছাত্র লোকমানের (১৭) বাড়িও একই গ্রামে।

নিহত মাদ্রাসাছাত্র মিজানুর রহমান ও গুলিবিদ্ধ লোকমান বোরহানউদ্দিন উপজেলার দেউলা মহিউসসুন্নাহ দারুল উলুম মাদ্রাসা ও এতিমখানার কিতাব বিভাগের শরহে জামি (দশম শ্রেণীর) ছাত্র। নিহত শাহিন ও মাহাবুবকে বোরহানউদ্দিনে সন্ধ্যার পর দাফন করা হয়।

বোরহানউদ্দিনের স্থানীয় সূত্র জানায়, রবিবার পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ চলাকালে বোরহানউদ্দিন হিন্দু সম্প্রদায়ের ভাওয়াল বাড়িতে একদল উচ্ছৃঙ্খল যুবক হামলা চালায়। এ সময় মন্দির ভাংচুরের পাশাপাশি রঘুনাথ দাস,সত্য প্রসাদ দাস,সমর দাস,শান্তি রঞ্জন দে, রাজিব রতন দে, নারায়ণ চন্দ্র দে,সুজন চন্দ্র দের ঘরে হামলা ও ভাংচুর করা হয়। এ সময় রাজিব রতন দের মোটরসাইকেল আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়া হয়। পিয়াস চন্দ্র চৌধুরীর দোকান ভাংচুর করা হয় বলেও অভিযোগ করা হয়। বোরহানউদ্দিন থানার ওসি এনামুল হক জানান, মন্দিরে ও ভাওয়াল বাড়িতে হামলা হয়েছে। তবে কেউ মামলা দেয়নি। অন্যদিকে খবর পেয়ে আইন ও শালিশী কেন্দ্রের প্রতিনিধি সিনিয়র কো অর্ডিনেটর আবু আহমেদ ফয়জুল কবির মন্দির ও সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন বলে স্থানীয় সূত্র জানায়।

এদিকে ভোলা থিয়েটারের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক আবিদুল আলম বলেন, সর্বদলীয় ঐক্য পরিষদের ব্যানাওে সোমবার সকালে বিক্ষোভ মিছিলের নেতৃত্বে জাতীয় পার্টি ,জামায়াত এবং বিএনপির নেতারা সরাসরি অংশ নেন। তিনি বলেন, তারা ধর্মের নামে অপরাজনীতি করার চেষ্টা করে। ভোলা-২ আসনের সংসদ সদস্য আলী আজম মুকুল বলেন, খবর পেয়ে ঢাকা থেকে তিনি বোরহানউদ্দিনে আসেন। একটি মসজিদের দোতলায় ইমামের রুমে পুলিশের সদস্যরা আশ্রয় নেয়। মানিকা এবং দেউলা সাচরা থেকে একটি মিছিল এলে শুরু হয় হামলা। আমাদের আলেম সমাজ হামলাকারীদের নিবৃত্ত করার চেষ্টা করেছে। খুঁজে বের করতে হবে এর অন্তরালে কোন কিছু আছে কি না। কেউ ঘোলাপানিতে মাছ শিকার চেষ্টা করছে কি না। ভিডিওফুটেজ আছে। আলেম সমাজসহ মুসলিম উম্মাহর ভাবমূর্তি ক্ষুণœ করার জন্য এটি একটা নতুন চক্রান্ত বলে প্রতীয়মান হচ্ছে বলেন এমপি। এর পেছনে স্বাধীনতাবিরোধী, মানবতাবিরোধী জামায়াত শিবির থাকতে পারে। তিনি নিহতের ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, এটি একটি চক্রান্ত। ভাওয়ালবাড়িতে ঘটনার সঙ্গে একাধিক বাড়িতে হামলা হয়েছে। একটি ঘরে আগুন দেয়াসহ হামলা লুটপাট মারধর করা হয় বলে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন জানান। ফায়ার সার্ভিস আগুন নেভায়।

সোমবার বেলা সাড়ে এগারোটায় ভোলার সর্বদলীয় মুসলিম ঐক্য পরিষদ নেতৃবৃন্দ ভোলা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে রবিবারের ঘটনার জন্য ভোলার এসপি সরকার মোহাম্মদ কায়সার ও বোরহানউদ্দিন থানার ওসি এনামুল হকের অপসারণের দাবি জানান। অপর দাবিগুলো হচ্ছে আল্লাহ, নবী রাসুল ও ইসলাম সম্পর্কে কটূক্তিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রণয়ন করতে হবে, সংঘর্ষে নিহত ৪ পরিবারকে সর্বোচ্চ ক্ষতিপূরণ দিতে হবে, আহতদের সরকারী খরচে চিকিৎসা করাতে হবে। আটকদের নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে। সংবাদ সম্মেলনে পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মোহাম্মদ মিজানুর রহমান লিখিত বক্তব্যে জানান, তাদের এই সংগঠনের সঙ্গে খেলাফত মজলিস, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও খেলাফত আন্দোলন যুক্ত রয়েছে।

এ সময় সর্বদলীয় মুসলিম ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক মাওলানা বশির উদ্দিন জানান, আইনশ্ঙ্খৃলা রক্ষার স্বার্থে তারা পূর্ব ঘোষিত সোমবারের সমাবেশ করেননি। কিন্তু মঙ্গলবার বিকেলে প্রতিটি উপজেলায় বিক্ষোভ কর্মসূচী, বুধবার বেলা এগারোটায় জেলা শহরে মানববন্ধন ও বৃহস্পতিবার বিকেলে নিহতদের জন্য দোয়া মোনাজাতের কর্মসূচী পালনের ঘোষণা দিয়েছেন। এসব দাবি বাস্তবায়ন না হলে তারা আবারও কঠোর কর্মসূচী দেয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। ওই সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা ইয়াকুব আলী চৌধুরী, মাওলানা মোঃ ইউসুফ, মাওলানা মোঃ আতাহার আলী, মাওলানা তয়বুর রহমান, মাওলানা মহিউদ্দিন, মাওলানা মাহাবুুবুর রহমান, সদস্য সচিব মাওলানা তাজুদ্দিন ফারুকী প্রমুখ।

এদিকে সোমবার ভোর থেকেই জেলা শহরে বিজিবি, র‌্যাব-৮ ও বিপুল সংখ্যক পুলিশ টহল অব্যাহত রয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত প্রশাসনের পক্ষ থেকে সকল প্রকার সভা সমাবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডিসি মাসুদ আলম ছিদ্দিক। নিরাপত্তার স্বার্থে সকাল থেকে জেলার সব রুটে বাস চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে বাস মালিক সমিতি। এতে চরম দুর্ভোগে পড়ে বিভিন্ন রুটের যাত্রীরা। তবে বিকেল ৪টা থেকে বাস চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। সকাল থেকেই ভোলা সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের সমাবেশ স্থলে পুলিশ র‌্যাব অবস্থান নেয়। ওই মাঠে কাউকে ঢুকতে দেয়া হয়নি। তবে সকাল থেকে দলে দলে লোকজন শহরের দিকে আসতে থাকে। একপর্যায়ে দুপুর সাড়ে বারোটার দিকে কয়েক হাজার মানুষ শহরে বিক্ষোভ মিছিল করে। তারা সর্বদলীয় মুসলিম ঐক্য পরিষদের ব্যানারে প্রেসক্লাব চত্বরে বিশাল বিক্ষোভ মিছিল করে স্লোগান দিতে থাকে। এ সময় সংগঠনের নেতাকর্মীরা রাস্তায় বসে পড়ে বিক্ষোভ করতে থাকে। অবশ্য এ সময় কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি শফিকুল ইসলাম জানান, তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। তারা বিস্তারিত দেখবে। সর্বদলীয় মুসলিম ঐক্য পরিষদের যে ৬ দফা দেয়া হয়েছে তা কনসাট ডিপার্টমেন্ট দেখবে। এছাড়া ফেসবুক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। এক্সপার্ট ফাইন্ডিং দেয়ার পর মন্তব্য করা হবে । এর আগে মন্তব্য করা ঠিক হবে না।

নির্বাচিত সংবাদ