১৮ নভেম্বর ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

বীমাখাতের উন্নয়ন ছাড়া অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব নয়

বীমাখাতের উন্নয়ন ছাড়া অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব নয়

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ বীমাখাতের উন্নয়ন ছাড়া অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন মিউনিখ রি ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারম্যান ডিরক রেইনহার্ড। আজ মঙ্গলবার ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে জলবায়ু ভিত্তিক ক্ষুদ্রবীমার আন্তর্জাতিক সম্মেলন উপলক্ষ্যে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন হেড অব ইন্স্যুরিসিলিয়েন্স গ্লোবাল পার্টনারশিপ সেক্রেটারিয়েট ড. অস্ট্রিড জুইক, মাইক্রোইন্স্যুরেন্স নেটওয়ার্ক এর এক্সিকিউটিভ ডাইরেক্টর ক্যাথরিন পালভেম্যাকার এবং বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স এসোসিয়েশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রফেসর রুবিনা হামিদ।

ডিরক রেইনহার্ড আরো বলেন, টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নে দুর্যোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার সাথে বীমা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তবে বেশিরভাগ এলাকায় এখনো জলবায়ু ঝুঁকির বিপরীতে উপযুক্ত বীমা সমাধান যথেষ্ট পরিমাণে নেই। তিনি বলেন, বীমা কোম্পানি, দাতা সংস্থা এবং নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের প্রচেষ্টা বাড়াতে দৃষ্টি উন্মোচক হবে এবারের সম্মেলন। একইসঙ্গে শুধু উপযুক্ত বীমা সমাধান তৈরিই নয় বরং বীমা কি করতে পারে এবং কি করতে পারে না সে বিষয়েও গ্রাহকদের সচেতন করবে এ সম্মেলন।

হেড অব ইন্স্যুরিসিলিয়েন্স গ্লোবাল পার্টনারশিপ সেক্রেটারিয়েট ড. অস্ট্রিড জুইক বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন টেকসই করতে বীমাখাত বড় কান্ডারি হতে পারে। ১৬ কোটি মানুষের দেশটি জলবায়ু পরিবর্তনের শীর্ষ ঝুঁকিপূর্ণ তাই এখনি বীমার সম্প্রসারণ জরুরি।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি ও বৃষ্টিপাতের ধরণে পরিবর্তনের কারণে শস্য ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এদিকে ঘূর্ণিঝড় আরো বেশি ধ্বংসাত্মক হচ্ছে এবং বারবার ঘটছে। যার কারণে প্রতি বছর বাংলাদেশে গড়ে প্রায় ৩ লাখ ঘর-বাড়ি ধ্বংস হচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার আহবান জানিয়ে বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন এবং চরম আবহাওয়ার ঘটনা আগের চেয়ে আরো খারাপের দিকে যাচ্ছে এবং খুব বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে।

তারা বলেন, জলবায়ু ও দুর্যোগ ঝুঁকি বীমার মাধ্যমে সুরক্ষার অভাব দূর করতে আন্তর্জাতিক মানবিক সহায়তার ধারা অব্যাহত রয়েছে। তা সত্ত্বেও বীমার আওতার বাইরে থাকা লাখ লাখ বাড়িঘর এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য টেকসই সমাধান নিশ্চিত করতে সরকারি বেসরকারি পর্যায়ে আরো বেশি কাজ করতে হবে।