১২ নভেম্বর ২০১৯  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

নওগাঁয় ভিপি সম্পত্তি থেকে ৩ সংখ্যালঘু পরিবারকে উৎছেদের পাঁয়তারা

নওগাঁয় ভিপি সম্পত্তি থেকে ৩ সংখ্যালঘু  পরিবারকে উৎছেদের পাঁয়তারা

নিজস্ব সংবাদদাতা, নওগাঁ ॥ নওগাঁর মহাদেবপুরে ভিপি সম্পত্তিতে প্রায় ৩০ বছর থেকে বসবাসরত ৩ সংখ্যালঘুর পরিবারকে মিথ্যে মামলা ও বিভিন্ন ভাবে হুমকী ধামকী দিয়ে ওই বসতভিটে থেকে উচ্ছেদের পাঁয়তারা করার অভিযোগ উঠেছে। ওই সংখ্যালঘু পরিবারের লোকজন চরম আতংকে দিনাতিপাত করছে।

জানা গেছে , মহাদেবপুর উপজেলা সদরের হঠাৎপাড়ার বাসিন্দা শ্রী গঙ্গানাথ, শ্রী যমুনানাথ ও শ্রী ভানুরাম দীর্ঘ ৩০ বছর থেকে ভিপি সম্পত্তিতে পরিবার-পরিজন নিয়ে বসবাস করে আসছেন। এমতাবস্থায় একই পাড়ার ভিপি সম্পত্তিতে বসবাসরত মৃত মাবুদ বক্য্রের ছেলে কোর্টের মহুরী আবুল হোসেন ক্ষমতার দম্ভ দেখিয়ে এবং ওই ভিপি সম্পত্তি নিজের দাবী করে ওই ৩ হিন্দু পরিবারকে উচ্ছেদ করানোর জন্য বিভিন্ন ভাবে অন্যায় অত্যাচার চালিয়ে যাচ্ছে। এব্যাপারে গঙ্গানাথ, যমুনানাথ ও ভানুনাথ ওই বসত ভিটে লিজের জন্য জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় নওগাঁ সিনিয়র সহকারী কমিশার ভিপি শাখা থেকে মহাদেবপুর সহকারী কমিশনার (ভূমি) কে বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহনের জন্য অনুরোধ করেন। এব্যাপারে সদর ইউপি চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান ধলু ওই তিন হিন্দু পরিবারের কোন জমিজমা না থাকায় ওই তিন পরিবারকে তাদের বসবাসরত ভিপি সম্পত্তিতে মৌজা-মহাদেবপুর/১৩০,এস,এ খতিয়ান-৭৪৫আর,এস খতিয়ান ৪১৪/১৮৬,দাগ নং-৩৪৪,রকম ভিটা-৬ শতক জোর সুপারিশ করেন। গঙ্গানাথের ছেলে মিঠু জানান, আবুল হোসেন কোর্টের মহুরী হওয়ায় একের পর এক মামলা দিয়ে তাদের পরিবারকে হেনস্থা করছে। তিনি প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেন। এব্যাপারে মহাদেবপুর উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের ও হিন্দু, বৌদ্ধ খিষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি অজিত কুমার মন্ডল জানান, প্রায় দীর্ঘ ৩০ বছর থেকে ওই ভিপি সম্পত্তিতে ওই তিন পরিবার বসবাস করে আসছে। তারা ভূমিহীন হওয়ায় ওই ভিপি বসতভিাটায় বসবাস করছেন তারা। প্রতিপক্ষ আবুল হোসেন ক্ষমতার দম্ব দেখিয়ে বেশ কিছু ভিপি সম্পত্তিও দখলে নিয়েছে। সে ওই সংখ্যালঘু পরিবারদের বৈদ্যুতিক সংযোগও নিতে দেয়নি। প্রতিপক্ষ আবুল হোসেন বলেন, ওই সম্পত্তি সরকারের ভিপি সম্পত্তি নয়। মালিকানাধিন সম্পত্তি এবং আমার কবলাকৃত সম্পত্তি। অপরদিকে মহাদেবপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি) আসমা খাতুন এবিষয়ে গনমাধ্যমকে বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে সঠিক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।